• ঢাকা
  • সোমবার, ১৭ Jun ২০২৪, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন

নড়াইলের সিমান্ত বর্তি বাকড়ী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পিকনিকের বাস দুর্ঘটনায় শিক্ষকসহ নিহত ২


প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ১০, ২০২৩, ১:০১ পূর্বাহ্ন / ১৫৪
নড়াইলের সিমান্ত বর্তি বাকড়ী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পিকনিকের বাস দুর্ঘটনায় শিক্ষকসহ নিহত ২

নিজস্ব প্রতিবেদক,নড়াইলঃ নড়াইলের সিমান্ত বর্তি বাকড়ী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পিকনিকের বাস দুর্ঘটনায় শিক্ষকসহ নিহত ২, আহত ৪০। ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের কাশিয়ানি উপজেলার ভাটিয়াপাড়ায় যশোরের একটি পিকনিক বাস উল্টে দুইজন নিহত ও অত্যন্ত ৪০ জন আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। আহত ও নিহতরা যশোরের বাঘারপাড়া নড়াইলের সিমান্ত বর্তি বাকড়ী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ। আহতের গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, ফরিদপুর ও যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বাকড়ী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিশ্বজিৎ কুমার পাল জানান, বৃহস্পতিবার সকালে ৩টি বাসে করে গোপালগঞ্জে টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিস্থলে পিকনিকে যায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী শিক্ষক, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির লোকজন ও অফিস স্টার্ফরা। সারাদিন গোপালগঞ্জের বিভিন্ন স্থান ঘুরে সন্ধ্যার পরে সমাধিস্থল থেকে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাস তিনটি ফেরার পথে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি বাটিয়াপাড়া মোড়ে দ্বিতীয় বাসটি প্রথম বাসটিকে অভারটেক করতে যেয়ে দ্বিতীয় বাসটি দুর্ঘটনায় পড়ে। মেইন সড়ক থেকে বাসটি উল্টে যেয়ে সড়কের পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এসময দ্বিতীয় বাসটির মধ্যে থাকা অভিভাবক সদস্য বিদুৎ কুমার বিশ্বাস ঘটনাস্থলে মারা যান। এছাড়া গুরুতর আহত হয় বাসটিতে থাকা আরো ৪০ জন শিক্ষার্থী শিক্ষকরা। আহতের মধ্যে বিদ্যালয়ের ল্যাব সহকারী সুদিপ্ত বিশ্বাসকে যশোর জেনারের হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনিও মারা যান।

এদিকে দুর্ঘটনার খবর শুনে আহত ও নিহতেন খোঁজ খবর নিতে আসেন যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ। একের পর এক এ্যাম্বুলেন্স আহত শিক্ষার্থীদের নিয়ে যশোর হাসপাতালে আসলে হাসপাতাল চত্বরে শোকাবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। হাসপাতাল চত্বরে রোগীর স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারি হয়ে উঠে।

আহতদের খোঁজ খবর নিতে এসে জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান বলেন, দুর্ঘটনায় কবলিত সকল শিক্ষার্থীদের চিকিৎসায় কোন অসু্বিধা হবে না। চিকিৎসার যাবতীয় অর্থ ও সহযোগিতা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া হবে। এই ঘটনায় আমরা শোকাহত। যশোর জেনারেল হাসাপাতারের ডা. আখতারুজ্জামান বলেন, যশোর জেনারেল হাসাপাতালে ১৫ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় একজনকে আনা হয়। বাকী আর একজন ঘটনাস্থলেই মারা গেছে। ১৫ জন আহতের মধ্যে ৩ জনকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। তার মধ্যে এক জনের অবস্থা গুরুতর।