শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জয়পুরহাটে পুলিশের ‘ওপেন হাউজ ডে’ অনুষ্ঠিত শর্ত ভেঙ্গে আগেই বসেছে পশুর হাট, নগরে ভোগান্তি রাজধানীতে সাংবাদিককে গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ মধ্যনগরে শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠানের খাবার তুলে দিল বানভাসি মানুষের হাতে গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর ক্ষমা বিশ্বাস হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড গ্লোবাল টেলিভিশনে শুভ যাত্রা উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কেক কাটা ও দোয়া মাহফিল শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টায় ইউনূস সেন্টার——তথ্যমন্ত্রী মোহনপুরে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের “বিধি ও প্রবিধিমালার প্রয়োগ” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত রাসিকের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচিতে শহীদ কামারুজ্জামানের জন্মবার্ষিকী উদযাপন পদ্মা সেতুর অবকাঠামো ক্ষতিসাধনের লক্ষ্যে ভিডিও ধারণকারী মাহদি হাসানকে গ্রেফতার

দীর্ঘ ৩১ বছর ছদ্মবেশে থাকার পর হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পালাতক আসামী মো. কাওছারকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০২২
  • ১৫ Time View

বিশেষ প্রতিনিধিঃ দীর্ঘ ৩১ বছর ছদ্মবেশে থাকার পর মানিকগঞ্জের আজাহার হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পালাতক আসামী মো. কাওছারকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। গতকাল রাতে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার (২০ জুন) সকাল ১২ টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারের র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‍্যাব-৪ এর অধিনায়ক মো.মোজাম্মেল হক।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে মোজাম্মেল হক বলেন, মো. কাওছার ও আজাহার মানিকগঞ্জের চর হিজলী গ্রামের বাসিন্দা। একই সাথে ইরি ধানের ক্ষেতে পানি সেচের ব্যবসা করতো। ব্যবসার সুবাদে তাদের মধ্যকার ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠে। এক পর্যায়ে আজাহারের বিবাহিত বোন অবলার সঙ্গে আসামী কাওছারের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ঘটনাস্থলে অবস্থানরত অবলা, অবলার তৎকালীন স্বামী ফালান, ওমর, রুহুল আমিন, আসমান এবং রফিজসহ আরো কয়েকজন মো. কাওছারের পক্ষ নিয়ে আজাহারকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করে। আজাহারের মাথায় লাঠি দিয়ে সজোড়ে আঘাত করে কাওছার। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আজাহারের ছোট ভাই মো. আলী হোসেন (বর্তমানে মৃত) বাদী হয়ে কাওছারসহ সর্বমোট ৭ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিনি বলেন, মামলার পর মো. কাওছারসহ এজাহারভুক্ত কয়েকজন গ্রেফতার হয়। কাওছার ২ মাস পর ১৯৯১ সালে জামিনে বের হয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। হত্যাকান্ডে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার অপরাধে ১৯৯২ সালের শেষের দিকে মো. কাওছারকে মৃত্যুদন্ড, অপর আসামী ওমর, রুহুল আমিন, আসমান ও রফিজ প্রত্যেককে যাবজ্জীবন সাজা প্রদান করেন।

মো.মোজাম্মেল হক জানান, গত ৩১ বছর ধরে আসামি মো. কাওছার নাম পরিবর্তন করে ইমরান মাহামুদ নাম ব্যবহার করে আসছে। বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করে প্রথমে গাজীপুর, কালিয়াকৈর, পুবাইল, উত্তরা, টঙ্গীসহ ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিল। আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় আসামী নিজের পরিচয় গোপন করার জন্য ক্রমাগতভাবে সে পেশা পরিবর্তন করে। প্রথমদিকে সে রাজমিস্ত্রী, ইলেক্ট্রিক, স্যানিটারী মিস্ত্রী হিসেবে কাজ করে। পরবর্তীতে সে ড্রাইভিং শিখে সিএনজি চালায় এবং বর্তমানে সে প্রাইভেটকার চালাতেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 ajkerbd24.com
Design & Development By: Atozithost
Tuhin