• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৫ Jun ২০২৪, ১২:৩০ অপরাহ্ন

ঠাকুরগাঁওয়ে শিশু রোগীকে মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশন প্রয়োগের অভিযোগ


প্রকাশের সময় : মার্চ ২৬, ২০২৩, ৫:৩৭ অপরাহ্ন / ৬৫
ঠাকুরগাঁওয়ে শিশু রোগীকে মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশন প্রয়োগের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লাঃ ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টাইফয়েড আক্রান্ত জ্বিলানী (১০) নামে এক শিশুকে মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়া ইনজেকশন প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনা নিয়ে শুক্রবার রাতে অসুস্থ শিশুর বাবা আকতার হোসেন তার নিজস্ব ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দেন। এছাড়াও এ বিষয়ে শনিবার (২৫ মার্চ) আইন ও মানবাধিকার সুরক্ষা ফাউন্ডেশন ঠাকুরগাঁও জেলা শাখা একটি প্রতিবাদ লিপি দিয়েছেন। টাইফয়েডে আক্রান্ত অসুস্থ শিশু জ্বিলানীর বাড়ি উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নের ডাঙ্গীবাজার এলাকায়।

তবে মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশন ভুল করে রোগীর কাছে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু নার্স সেটি দেখার পর রোগীর শরীরে প্রয়োগ করেনি দাবি করেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আর এম ও) মিঠুন দেবনাথ।

জ্বিলানীর মা বলেন, তার ছেলে গত ৬ দিন ধরে ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। গত ৪ দিন আগে দুইদিন ইনজেকশনসহ অন্যান্য চিকিৎসা নেওয়ার পর তার ছেলের শরীর আরও বেশি অসুস্থ হয়ে যায়। পরে গত ৩ দিন আগে আবার একজন নার্স ইনজেকশন দিতে আসলে সব রেডি করে শুধু পুশ করা বাকি এমন সময় তিনি দেখেন যে এটা অন্য ইনজেকশন এবং ৫ মাস হলো মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার। এর আগে যে ইনজেকশন দেওয়া হয় সেটিও ভুল ইনজেকশন ছিল বলে সন্দেহ করছেন তিনি। এরপর তৎক্ষণাৎ তিনি এ ঘটনা তার স্বামীকে জানান।

শিশু জ্বিলানীর বাবা আকতার হোসেন বলেন, আমি স্ত্রীর ফোন পেয়ে দ্রুত ছেলের কাছে চলে আসি। এসে দেখি এটি আলাদা ইনজেকশন তাও আবার মেয়াদোত্তীর্ণ। হয়ত এই ইনজেকশনটি পুশ করলে কোন বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে যেত। এমন ঘটনা যেন না ঘটে। তাই বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

বালিয়াডাঙ্গী হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আর এম ও) মিঠুন দেবনাথ বলেন, প্রথমে যেগুলো ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল সেগুলোর মেয়াদ ছিল। পরে যে ইনজেকশনটি দিতে গিয়েছিল, নার্স সেটির ডেট দেখার পরে পুশ করেনি। এখনও সেই ভায়ালগুলো রোগীর স্বজনের কাছে আছে। আসলে এখানে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এ এস এম আলমাস জানান, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রোগীর কাছে যাওয়ার সুযোগ নেই। রোগীর স্বজনদের করা অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হবে। এ ধরনের ঘটনা যেন পরবর্তী সময়ে না ঘটে তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।