• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:২১ পূর্বাহ্ন

জেলা পরিষদ নির্বাচন : ১০ জেলায় হারলো আওয়ামী লীগ


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১৮, ২০২২, ১:৫৬ অপরাহ্ন / ১৯
জেলা পরিষদ নির্বাচন : ১০ জেলায় হারলো আওয়ামী লীগ

অনলাইন ডেস্ক: জেলা পরিষদ নির্বাচন : ১০ জেলায় হারলো আওয়ামী লীগ : ৫৭টি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদের ভোটে আওয়ামী লীগ ৪৭টি  (২৩ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), ৯টি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী, ১টি জাপা।

দ্বিতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদের নির্বাচনে ৬১টি জেলার মধ্যে ৩৪টি জেলায় সরাসরি চেয়ারম্যান পদে সোমবার সারাদেশে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ২৪টিতে জয়লাভ করেছে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। ৯টিতে জয়লাভ করেছে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা। জেলাগুলো হলো, ফরিদপুর, ঝিনাইদহ, পঞ্চগড়, সুনামগঞ্জ, পটুয়াখালী, নরসিংদী, কক্সবাজার, শেরপুর ও রংপুর। সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি-জাপা দিনাজপুর জেলা পরিষদে জয় পেয়েছে। ৬১টি জেলা পরিষদের মধ্যে ৫৭টিতে ভোট হয়। এর মধ্যে ২৩টি আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আগে বিজয়ী হয়েছেন। যেগুলোয় শুধু সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ভোট হয়েছে। এছাড়াও যে চারটিতে ভোট হয়নি-সেগুলোর চেয়ারম্যান পদে আগেই আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়ে আছেন। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নোয়াখালী জেলা পরিষদ নির্বাচন আদালত কর্তৃক স্থগিত আছে। ভোলা ও ফেনী জেলার সব পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

সোমবার দেশের ৫৭ জেলায় জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৯টা দুপুর ২টা পর্যন্ত একটানা শান্তিপূর্ণভাবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত বাকী জেলাগুলো হলো-কুমিল্লা, কুড়িগ্রাম, গোপালগঞ্জ, জামালপুর, ঝালকাঠী, টাঙ্গাইল, ঠাকুরগাঁও, ঢাকা, নওগাঁ, নারায়ণগঞ্জ, পাবনা, পিরোজপুর, বরগুনা, বরিশাল, বাগেরহাট,মাদারীপুর, মুন্সীগঞ্জ, মৌলভীবাজার, লক্ষ্মীপুর, লালমনিরহাট, শরীয়তপুর, সিরাজগঞ্জ ও সিলেট। এছাড়াও ১৮ জন মহিলা সদস্য এবং ৬৫ জন সাধারণ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে ৯২ জন, সদস্য পদে ১ হাজার ৪৮৫ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৬০৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচন মোট ভোটার ছিলো ৬০ হাজার ৮৬৬ জন। ৫৭টি জেলায় সাধারণ ওয়ার্ড সংখ্যা ৪৪৮টি, সংরক্ষিত ওয়ার্ড ১৬৬টি। ভোট কেন্দ্র ৪৬২টি ও ভোট কক্ষ ৯২৫টি। ভোট কেন্দ্রের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৭জন সদস্য মোতায়েন ছিলো। এই নির্বাচনটি ছিলো মূলত আওয়ামী লীগের সাথে আওয়ামী লীগের। মূলত এটি জনগণের সরাসরি ভোট নয়। আইন অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট জেলার অধীনে যতগুলো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান রয়েছে, অর্থাৎ সিটি করপোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেয়র এবং কাউন্সিলররা বা সদস্যরা ভোট দিয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও পাঁচজন সংরক্ষিত সদস্য নির্বাচিত করেন।

আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যানুযায়ী: ফরিদপুর: ফরিদপুর জেলা পরিষদের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাদাত হোসেন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. ফারুক হোসেন। সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মাদ হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, চশমা প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাদাত হোসেন ৬২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ফারুক হোসেন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৫৪০ ভোট। রাজশাহী: আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল নির্বাচিত হয়েছেন। কাপ-পিরিচ প্রতীকে তিনি পান ৫৯৮ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আক্তারুজ্জামান আক্তার পেয়েছেন ৫৬৬ ভোট। এছাড়াও বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার ইকবাল বাদল পেয়েছেন (তালগাছ) ৭ ভোট এবং আফজাল হোসেন (আনারস) ৪ ভোট পেয়েছেন। চুয়াডাঙ্গা: আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মাহফুজুর রহমান মনজু নির্বাচিত হয়েছেন। মোটরসাইকেল প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩১২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও জেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক আরেফিন আলম রঞ্জু পেয়েছেন ২৪৯ ভোট। এছাড়া বাংলাদেশ ইসলামি আন্দোলন মনোনীত মুফতি আব্দুস সালাম পেয়েছেন ৩ ভোট। সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে পুনরায় জয়লাভ করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ নজরুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ৬০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ঢাকাস্থ সাতক্ষীরা জেলা সমিতির সভাপতি খলিলুল্লাহ্ পেয়েছেন ৪৪৭ ভোট। খুলনা: খুলনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে আওয়ামী লীগ মনোনীত শেখ হারুনুর রশিদ পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। শেখ হারুনুর রশীদ মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৩৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এম এম মোর্ত্তজা রশিদী দারা পেয়েছেন ৪০৩ ভোট। ঝিনাইদহ: স্বতন্ত্র প্রার্থী হারুন অর রশিদ আনারস প্রতীকে ৪৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের কনক কান্তি দাস চশমা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৬৩ ভোট। মেহেরপুর: মেহেরপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে ১৭৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাড আব্দুস সালাম (কাপ পিরিচ)। তার নিকটতম প্রার্থী জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম রসুল (আনারস) পেয়েছেন ১১৫ ভোট। যশোর: যশোর জেলা পরিষদ নির্বাচনে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকের সাইফুজ্জামান পিকুল। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন আনারস প্রতীকের মারুফ হোসেন কাজল। নড়াইল: নড়াইল জেলা পরিষদের নতুন চেয়ারম্যান হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস। তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে ২৬০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত চেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সৈয়দ ফয়জুল আমির। মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১৭৫ ভোট। কুষ্টিয়া: কুষ্টিয়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. সদর উদ্দিন খান আনারস প্রতীক নিয়ে ৭৩১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী গোলাম মহসিন মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২০৪। মাগুরা: মাগুরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পঙ্কজ কুমার কুন্ডু ৩৫৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া মার্কা প্রতীকের শরীয়ত উল্লাহ হোসেন মিয়া পেয়েছেন ১২৯ ভোট । রাজবাড়ী: রাজবাড়ী জেলা পরিষদ নির্বাচনে পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী এ কে এম শফিকুল মোরশেদ আরুজ (তালগাছ) প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। জেলা নির্বাচন অফিসার মাসুদুর রহমান জানান, আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী এ কে এম শফিকুল মোরশেদ আরুজ (তালগাছ) প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪২৮টি ভোট, তার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী দীপক কুন্ডু (মোটরসাইকেল) প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৩৮ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমামুজ্জামান চৌধুরী রিটু(আনারস) প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৮ ভোট। মানিকগঞ্জ: আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দীন বিজয়ী হয়েছেন। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৪৫২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী এম ফজলুল হক রিপন চশমা প্রতীকে পেয়েছেন ৪২৫ ভোট। নরসিংদী: নরসিংদীতে জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ইশরাত উদ্দিন আহমেদ মনির আনারস প্রতীক নিয়ে ৬২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুল মতিন ভূইয়া পেয়েছেন ৩৫০ ভোট। গাজীপুর: গাজীপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. মোতাহার হোসেন মোটরসাইকেল প্রতীকে ৩৩০টি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকে এস এম মোকসেদ আলম চশমা প্রতীকে ২৯৪টি ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থান ও চশমা প্রতীকে মো. সামসুদ্দিন খন্দকার তিনটি ভোট পেয়েছেন। কিশোরগঞ্জ: আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট মো. জিল্লুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৯৫৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি-জাপার অ্যাডভোকেট মো. আশরাফ উদ্দিন পেয়েছেন ২৫৭ ভোট। ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আল মামুন সরকার ৮২০ পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী শফিকুল আলম পেয়েছেন ৫৭৭ ভোট। চাঁদপুর: চাঁদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত আলহাজ ওচমান গণি পাটওয়ারী মোবাইল প্রতীকে ৭৩৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের প্রার্থী জাকির হোসেন প্রধানিয়া পেয়েছেন ৫২২ ভোট। ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ১৩৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাসদ সমর্থিত চশমা প্রতীকের প্রার্থী আমিনুল ইসলাম আমিন পেয়েছেন ৪৫৮ ভোট। শেরপুর: শেরপুর জেলা পরিষদের নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হুমায়ুন কবির রোমান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি মোটরসাইকেল প্রতীকে ৫৪৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আনারস প্রতীকের চন্দন কুমার পাল পেয়েছেন ১৮৭ ভোট। নেত্রকোণা: নেত্রকোণা জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট অসিত কুমার সরকার সজল (আনারস)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আসমা আশরাফ। পঞ্চগড়: স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হান্নান শেখ চশমা প্রতীকে ২৮৪ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী মনোনীত আবু তোয়বুর রহমান মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ২৩১ ভোট। পঞ্চগড়ে জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত আব্দুল হান্নান পঞ্চগড় চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি। নীলফামারী: আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী সাবেক জেলা প্রশাসক ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজুল হক নির্বাচিত হয়েছেন। আনারস প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৫৩৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন মটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৩১৮ ভোট। গাইবান্ধা: আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিক তালগাছ প্রতীক ৫৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি-জাপার আতাউর রহমান আতা পেয়েছেন (ঘোড়া প্রতীক) ৫২৩ ভোট। জয়পুরহাট: জয়পুরহাটে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত খাজা সামছুল আলম ২৯৫ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে ৩৯১ ভোট পেয়ে পেয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জাসদ সমর্থিত আবুল খায়ের মো. সাখাওয়াত হোসেন তালগাছ প্রতীক নিয়ে ৯৬ ভোট পেয়েছেন। দিনাজপুর: জেলা জাতীয় পার্টি-জাপার সভাপতি আলহাজ মো. দেলওয়ার হোসেন বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১১৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকের প্রতীকের প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক তৈয়ব উদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন ২২৬ ভোট। এছাড়া আওয়ামী লীগ মনোনীত চশমা প্রতীকের প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইমাম চৌধুরী পেয়েছেন ৭৮ ভোট। রংপুর: আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোছাদ্দেক হোসেন বাবলু জয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৬০১ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ইলিয়াস আহমেদ পেয়েছেন ৪৮৪ ভোট। পটুয়াখালী: আওয়ামী লীগের পদবঞ্চিত নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ঘোড়া প্রতীকে ৫৮৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আওয়ামী লীগ মনোনীত আনারস প্রতীকের খলিলুর রহমান মোহন পেয়েছেন ৪৭১ ভোট। সুনামগঞ্জ: আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খায়রুল কবির রুমেনকে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী নুরুল হুদা মুকুট। আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী (ঘোড়া) খায়রুল কবির রুমেন পেয়েছেন ৬০৪। আর নির্বাচিত প্রার্থী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী নুরুল হুদা মুকুট মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৬১২ ভোট। নাটোর: নাটোর জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাজেদুর রহমান খাঁন বেসরকারিভাবে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। চশমা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৫৪৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি-জাপা মনোনীত ঘোড়া প্রতীকের নুরুন্নবী মৃধা পেয়েছেন ২৪৭ ভোট। হবিগঞ্জ: হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী ডা. মুশফিক হোসেন চৌধুরী। ৯৬১ ভোট পেয়ে তিনি বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী আবু নাইম মো. শিবলী খায়ের পেয়েছেন ৭৭ ভোট এবং অপর প্রার্থী অ্যাডভোকেট নুরুল হক পেয়েছেন ৪৩ ভোট। বগুড়া: পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন ডা. মকবুল হোসেন। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আনারস প্রতীকে ডা. মকবুল হোসেন পেয়েছেন ৮৭৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান আকন্দ মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৭২১। চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত এটিএম পেয়ারুল ইসলাম। নির্বাচনে তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৫৬৭ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে নারায়ণ রক্ষিত পেয়েছেন ১২৪ ভোট। কক্সবাজার: কক্সবাজার জেলা পরিষদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শাহিনুল হক মার্শাল।