• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:৩৮ অপরাহ্ন

জামালপুরের শরিফপুরে বিয়ের দাবিতে পুলিশ সদস্যের বাড়িতে কলেজ ছাত্রীর অনশন! : র‌্যাব সদস্য দ্বারা নির্যাতনের অভিযোগ!


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ১৭, ২০২৩, ১২:০১ পূর্বাহ্ন / ১৯
জামালপুরের শরিফপুরে বিয়ের দাবিতে পুলিশ সদস্যের বাড়িতে কলেজ ছাত্রীর অনশন! : র‌্যাব সদস্য দ্বারা নির্যাতনের অভিযোগ!

নিজস্ব প্রতিবেদক,জামালপুরঃ দীর্ঘ ১০ মাস প্রেমের পর বিয়ের প্রলোভনে শারিরিক সম্পর্কের অভিযোগ এনে বিয়ের দাবিতে পুলিশ সদস্যের বাড়িতে গত ২ দিন যাবত অনশন করছেন কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী সানজিদা শামীম সিন্তি। অনশনের দ্বিতীয় দিনে বাড়ি থেকে বের করার জন্য শারিরিক ভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠে ওই পুলিশ সদস্যের বড় ভাই র‌্যাব সদস্য মনির হোসেন পাপ্পুর বিরুদ্ধে। অবশেষে বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবাসহ পরিবারের সবাই। জামালপুর সদরের ২নং শরিফপুর ইউনিয়নে এমন ঘটনা ঘটে।

সানজিদার পরিবার সুত্রে জানা যায়, শরিফপুর এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলামের ছোট ছেলে নাফি ইসলাম নাঈম গেল ১ বছর আগে বাংলাদেশ পুলিশের যোগদান করে চট্রগামে কর্মরত আছেন। চাকরী হওয়ার পর হতেই জামালপুর মোকন্দবাড়ি এলাকার শামীম হোসেনের মেয়ে নান্দিনা নেক জাহানে পড়ুয়া মেয়ে সানজিদা শামীম সিন্তির সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। সানজিদা। তার নানীর বাড়ি থেকে পড়াশুনা করতো।

প্রেমেরে সুবাধে নাঈম বাড়িতে ছুটিতে আসলেই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় তাকে নিয়ে ঘুরতে যেতো এবং তাদের মধ্যে শারিরিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। এক পর্যায়ে বিষয়টি জানা জানি হলে নাঈম তাদের সম্পর্কের কথা অস্বীকার করলে সানজিদা গেল মঙ্গলবার পুলিশ সদস্য নাঈম এর বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করে। ঘটনার দ্বিতীয় দিন পুলিশ সদস্যের বড় ভাই র‌্যাব সদস্য মনির হোসেন পাপ্পু বাড়িতে আসে এবং সানজিদা কে বাড়ি থেকে বের করার জন্য শারিরিক নির্যাতন চালায়।

এ বিষয়ে সানজিদা শামীম সিন্তি জানায়, নাঈম তার ১০ মাস ধরে বিয়ের প্রলোভনে বিভিন্ন সময় শারিরিক সম্পর্কে মিলিত হয়েছে। এখন তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে।

সানজিদার মা সাজেদা বেগম বলেন, মেয়ের নির্যাতনের কথা শুনে আমরা এখানে এসেছি। ওরা সবাই বাড়ি থেকে পালিয়েছে। নাইমের ভাই র‌্যাব সদস্য বারবার বিভিন্ন ভাবে তাদের হুমকি দিচ্ছে।

জামালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী শাহ নেওয়াজ জানান, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।