• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:০১ অপরাহ্ন

জন্মদিনের আনন্দ বেদে সম্প্রদায়ের সাথে ভাগ করে প্রশংসায় ভাসছেন এক ইউপি চেয়ারম্যান


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ৪, ২০২৩, ১:২৫ পূর্বাহ্ন / ১৩
জন্মদিনের আনন্দ বেদে সম্প্রদায়ের সাথে ভাগ করে প্রশংসায় ভাসছেন এক ইউপি চেয়ারম্যান

কে এম সাইফুর রহমান,গোপালগঞ্জঃ ২০২৩ সালের প্রথম দিনটা ছিলো গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরা ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান সফিকুর রহমান চৌধুরী (টুটুল)-এর জন্মদিন। তবে এবছর তিনি তার জন্মদিনটি একটু ব্যতিক্রম ভাবে উদযাপন করেছেন। ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার বেদেপল্লীতে গিয়ে বেদে সম্প্রদায়ের মানুষের সাথে তিনি তার জন্মদিনের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। গোপালগঞ্জের স্বনামধন্য মানবিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গোপালগঞ্জ “বন্ধু মহল” -এর উদ্যোগে সমাজ থেকে পিছিয়ে পরা সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে গিয়ে সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ের অনুভূতির সম্মান অর্জন করে নেওয়াই যাদের মূল লক্ষ্য।

গোপালগঞ্জ “বন্ধু মহল” এর পক্ষ থেকে বেদে পল্লীর প্রত্যেক পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ এবং জন্মদিন উপলক্ষে কোমলমতি ছোট শিশুদের দিয়ে কেক কাঁটিয়ে তাদের আনন্দ উল্লাসের মাধ্যমে জন্মদিন পালন করা হয়েছে। সামান্য সময়ের উৎসব ছোট্ট কোমলমতি শিশুরা তাদের পরিবার নিয়ে কতটা উল্লাস উদ্দীপনায় মগ্ন ছিলো তা সত্যিই অবিস্মরণীয়।

তবে জনপ্রতিনিধি সফিকুর রহমান চৌধুরী টুটুল শুধুমাত্র একজন চেয়ারম্যানই নন সূর্য শিশির ফাউন্ডেশনের কর্ণধর এবং প্রধান পৃষ্ঠপোষক। সেই সাথে গোপালগঞ্জ জেলার একমাত্র ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্লাড ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষক। সর্বোপরি, কোভিড-১৯ মোকাবেলায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য বাংলাদেশ ইউনিয়ন পরিষদ ফোরাম কর্তৃক তাকে গোল্ড মেডেল, সম্মাননা স্মারক এবং সার্টিফিকেট প্রদান করেছিলেন।

একাধারে তিনি একজন সফল কবি, একজন সফল লেখক ও টকশো বিশ্লেষক, মানবিক মানুষ, একজন স্বপ্নদ্রষ্টা, প্রখর রাজনৈতিক জ্ঞানের অধিকারী, অর্থনৈতিক মানদন্ডে একজন শিল্পপতির অবস্থানে থাকার পরেও তিনি সাদামাটা জীবনযাপন ও নিরহংকার মানুষ হিসেবে পরিচিত। গোবরা ইউনিয়ন বাসীর সৌভাগ্য এমন একজন মানবিক ও বহু গুণে গুণান্বিত কর্মঠ চেয়ারম্যান পেয়েছেন। বাংলাদেশর প্রত্যেকটা ইউনিয়নে যদি এমন একজন অভিভাবক থাকলে আমাদের সোনার বাংলা সত্যিই খুবই সুন্দর করে সাজানো যেত। প্রত্যেকবার অনুপ্রেরিত হবার একটা বিশ্বস্ত নাম সফিকুর রহমান চৌধুরী টুটুল । প্রত্যাশা গোবরা ইউনিয়নবাসী তাদের এই পরিক্ষিত খাটি সোনা আগলে রাখবে এবং গোপালগঞ্জের প্রত্যেক ইউনিয়নে এমন একজন করে পরিক্ষিত অভিভাবক তৈরী হবে।