• ঢাকা
  • শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন

চেয়ারম্যানের ক্যাডার বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ইউনিয়ন পরিষদ, অনলাইনের কাজেও গুনতে হচ্ছে টাকা


প্রকাশের সময় : জুলাই ২৫, ২০২২, ৮:৪১ অপরাহ্ন / ৫৮
চেয়ারম্যানের ক্যাডার বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে ইউনিয়ন পরিষদ, অনলাইনের কাজেও গুনতে হচ্ছে টাকা

এসএম রুবেল, চাঁপাইনবাবগঞ্জঃ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেয়ার ৪ মাসের মধ্যেই নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতাউল হক কমলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, কোনরকম নিয়োগ প্রক্রিয়া ছাড়াই ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন কাজে যোগ দিয়েছে চেয়ারম্যানের ক্যাডার বাহিনী। ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দ ও নানা প্রকল্পের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে চেয়ারম্যানের ক্যাডার বাহিনী।

জানা যায়,কেউ অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদ করলেই তাকে নানারকম ভয়ভীতি ও হুমকি দেয় ক্যাডার বাহিনীর সদস্যরা। তথ্য রয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদের সাথে কোন সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও ইউনিয়ন পরিষদের সকল কাজের দেখভাল করেন জহরুল, নূরনবী,ফাইজুলসহ কয়েকজন যুবক। সরকারি বিভিন্ন বরাদ্দ ও প্রকল্পের কাজে নানারকম অনিয়ম-দূর্নীতির মাধ্যমে কাজ করছে এই ক্যাডার বাহিনী।

সরেজমিন পরিদর্শন, সেবা গ্রহীতা ও ইউনিয়ন পরিষদের বিশস্ত সূত্রে জানা যায়,অনলাইনে নানারকম সরকারি আবেদনের ফরম পূরণ করতেও নেয়া হয় টাকা। ইউনিয়ন পরিষদের তথ্যসেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তা আতাউর রহমান জনি এসব টাকা গ্রহণ করেন। গত ৬ দিন থেকে জনপ্রতি ৩০-৫০ টাকা করে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে আদায় করা হয়েছে। গত ৬দিনে প্রায় ৯০ হাজার টাকার বেশি উঠানো হয়েছে। যার বেশিরভাগই গেছে চেয়ারম্যান কমলের পকেটে।

এদিকে সোমবার (২৫ জুলাই) দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদে সরজমিনে সাংবাদিক উপস্থিত হলে তারা অনলাইন ফরম পূরন করা বন্ধ করে দেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন,চেয়ারম্যানের ক্যাডার বাহিনী জোরপূর্বক ক্ষমতার দাপটে আমাদের কাছ থেকে ডিজিটাল অনলাইন ফরম পূরন করতে ৩০-৫০ টাকা করে আদায় করছে। এর প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টো নানা রকম হুমকি ও ভয়ভীতি দেখায় তারা।

এ বিষয়ে৷ বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আব্দুল করিম বলেন,সাংবাদিককে আমি কিছুই বলতে পারব না। আমাকে চেয়ারম্যান আতাউল হক কমল যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন সেভাবে আমি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করছি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান মুঠোফোনে বলেন, কোনপ্রকার ডিজিটাল অনলাইন ফরম পূরন করতে বাড়তি টাকা আদায় করা যাবে না। নির্দেশনা অমান্য করলে তদন্ত সাপেক্ষে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন কর হবে।