মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
১১ সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলব অপ্রত্যাশিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা বিভাগ সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে ‘হাওড় উৎসব’ অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে টুটুল চৌধুরীকে পুনরায় ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় ইউনিয়নবাসী সংসদ সদস্য মনুর এক বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সর্বস্তরের জনগণকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন  ডিইউজে’র সাংগঠনিক সম্পাদক জিহাদুর রহমান জিহাদের পিতা মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী সরদারের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী আজ জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল এমপি মনুর হাতে মারধরের শিকার ডেমরা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের দলিল লেখক ও স্ট্যাম্প ভেন্ডার কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবার পাওয়া গেল দেড় কোটির দুই অ্যাপার্টমেন্ট ভিখারির! পাক বিমান বাহিনীর জন্য চায়নার তৈরীকৃত ড্রোন এখন দু:স্বপ্ন অতীতে সাংবাদিকদের পাশে কেউ দাঁড়ায়নি : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

চিত্রনায়িকা পরীমণিসহ অন্যদের ১৫ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এক মাসের মধ্যে

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৪ আগস্ট, ২০২১
  • ৭৪ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমণি, প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ, মডেল পিয়াসা, হেলেনা জাহাঙ্গীরসহ ১৫টি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন সিআইডি প্রধান ব্যারিস্টার (অতিরিক্ত আইজিপি) মাহবুবুর রহমান। মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা ১৫টি মামলার তদন্তের দায়িত্ব পালন করছি। প্রত্যেকটি মামলার মোটিভ, গতি-প্রকৃতি আলাদা। মামলার প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ যেমন সাক্ষী-আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা, আলামত সংগ্রহ ও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা। মাদক মামলার কিছু কিছু ক্ষেত্রে ফরেনসিক ও কেমিক্যাল পরীক্ষার প্রয়োজন ছিল। সেগুলো আমি করতে দিয়েছি। আসামি ও সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ আমাদের প্রায় শেষ পর্যায়ে।
তিনি আরও বলেন, ফরেনসিক প্রতিবেদন পেলেই এই ১৫ মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা শুরু করতে পারবো। আমরা আশা করছি আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে পুলিশি প্রতিবেদন দাখিল করা শুরু হবে। মাদক মামলার আলামত তো পাওয়াই গেছে। সেগুলো আদৌ মাদক কি-না তা জানতে কেমিক্যাল ও ফরেনসিক পরীক্ষা করা হচ্ছে।

ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান বলেন, অনেকে অনেক রকম তথ্য দিয়েছেন। কেউ বলেছেন, বিদেশ থেকে নিয়ে এসেছেন, কেউ বলেছেন বিমানবন্দর থেকে কিনেছেন, কেউ নানা উপায়ে সংগ্রহ করেছেন। কিন্তু যেখান থেকেই সংগ্রহ করা হোক না কেন, এইসব মাদক অনুনোমোদিত উপায়ে সংগ্রহে রাখা বা মজুত রাখা আইনত অন্যায়।
তিনি বলেন, আমরা অনেকের তথ্য চেয়েছি। যাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর মনে হয়েছে অর্থপাচার সংক্রান্ত কিছু আছে তাদের বিষয়ে আমরা তথ্য চেয়েছি। আমরা সেগুলো যাচাই বাছাই করছি। যারা ১৬৪ করেছে তাদের ১৬১ ধারায় দেওয়া তথ্যের সঙ্গে মিল খুঁজেছি। যেটার মিল ছিল না সেটা আলাদা পার্ট করেছি। প্রয়োজনে সেগুলো আমরা আবার তদন্ত করবো। তবে অনেক তথ্যের মিল ছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 ajkerbd24.com
Design & Development By: Atozithost
Tuhin