• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন

গোপালগঞ্জে কৃষক মোসলেম হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদন্ড ও ৬ জনের যাবজ্জীবন


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ৩১, ২০২২, ৫:২৭ অপরাহ্ন / ১৬৮
গোপালগঞ্জে কৃষক মোসলেম হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদন্ড ও ৬ জনের যাবজ্জীবন

কে এম সাইফুর রহমান,গোপালগঞ্জঃ গোপালগঞ্জে কৃষক মোসলেম সরদারকে নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে ২ জনের মৃত্যুদন্ড ও ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

আজ সোমবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আব্বাস উদ্দীন এ রায় দেন।

মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তরা হলেন, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার কাজুলিয়া ইউনিয়নের দত্তডাঙ্গা গ্রামের মৃত ছদন সিকদারের ছেলে সাখায়েত শিকদার (উপস্থিত) ও একই গ্রামের ঝিলু শিকদারের ছেলে ইকু শিকদার (পলাতক)।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দত্তডাঙ্গা গ্রামের সাখায়েত শিকদারের ছেলে সেলিম শিকদার (হাজতী), সুলতান শেখের ছেলে মুরছালিন (পলাতক), আজিজুল সিকদারের ছেলে এনামুল শিকদার (পলাতক), ঝিলু শিকদারের ছেলে আজিজুল শিকদার (হাজতী), নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানার রায়পাশা গ্রামের বাচ্চু শেখের ছেলে পলাশ শেখ (হাজতী)।

এর মধ্যে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ইকু শিকদার এবং যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মুরছালিন ও এনামুল শিকদার পলাতক রয়েছে।

মামলার বিবরনে জানাগেছে, বিগত ২০০৬ সালের ২৯ নভেম্বর রাতে নিহত কৃষক মোসলেম সরদার পাশ্ববর্তী পিঠাবাড়ি গ্রামে গান শুনতে যায়। রাতে গান শুনে বাড়িতে ফেরার পথে সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা তাকে হত্যা করে পিঠাবাড়ি উত্তর বিলের মধ্যে লাশ লুকিয়ে রাখে। এসময় সাথে থাকা ওসমান সিকদার আহত হয়ে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়।

ওই বছরের ৩ ডিসেম্বর বিলের মধ্য থেকে পুলিশ কৃষক মোসলেম সরদারের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে। পরে এ ঘটনায় নিহতের ভাই মোহন সরদার বাদী হয়ে ওই দিনই একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১৯২/২০০৬, দায়রা মামলা নং ২৩/২০০৮)

এদিকে আহত ওসমান সিকদারের দেওয়া তথ্যমতে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে কৃষক মোসলেম সরদারকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে মর্মে মামলার প্রতিবেদনে উল্লেখ করে পুলিশ।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন এপিপি এ্যাড. মো. শহিদুজ্জামান খান এবং আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এ্যাড. এম. ফজলুল হক খান। গণমাধ্যমকে চাঞ্চল্যকর এ হত্যামামলার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. মাহবুবুর রহমান।