• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন

গোপালগঞ্জে অন্যায় ভাবে অভিযোগপত্র দাখিল দেওয়ায় এক পিবিআই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন


প্রকাশের সময় : জুলাই ৮, ২০২২, ৯:৪৬ অপরাহ্ন / ১০৮
গোপালগঞ্জে অন্যায় ভাবে অভিযোগপত্র দাখিল দেওয়ায় এক পিবিআই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

কে এম সাইফুর রহমান, গোপালগঞ্জঃ গোপালগঞ্জে আদালতে দায়ের করা মামলায় মিথ্যা অভিযোগপত্র দেওয়ায়। সে কাশিয়ানী উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের আলহাজ্ব আঃ মান্নান মোল্যার ছেলে। গোপালগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে তিনি এ অভিযোগ করেন।

এ সময় মোঃ সাইদ মোল্যা তার লিখিত বক্তব্য পাঠকালে সাংবাদিকদের বলেন, গত ৪ঠা ফেব্রুয়ারী শুক্রবার সকালে পূর্ব শত্রুতার বিরোধের জের ধরে আমার প্রতিবেশী বিবাদী বুদ্দু শেখের হুকুমে বিবাদী রুনা বেগম, শেফালী বেগম, আলামিন শেখ, রবিউল শেখ, জালাল শেখ গং বিনা অনুমতিতে আমার বাড়িতে প্রবেশ করে আমাকে ও আমার স্ত্রী জোসনা বেগমকে মারধর করে নগদ টাকা, স্বর্ণাংলকার সহ মোবাইল ফোন ছিনাইয়া নেয়। এসময় তারা আমাদের খুন জখমের হুমকি দেয়। বিষয়টি স্থানীয় ভাবে আপোষ মিমাংসা করার চেষ্টা করিয়া এলাকাবাসী ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে আমি নিরুপায় হয়ে বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলাকরি। ওই মামলাটি তদন্তের জন্য ওসি কাশিয়ানীকে নির্দেশ দেন বিজ্ঞ আদালত। কাশিয়ানী থানার এসআই মোঃ আজিজুর রহমান সরেজমিনে তদন্ত করিয়া ঘটনার সত্যতা পেয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

একই ঘটনায় প্রতিপক্ষ শেফালী বেগম বাদী হয়ে কাশিয়ানী থানায় আমাকে এবং আমার স্ত্রী জোসনা বেগম, আমার পুত্রবধু জুঁই বেগমকে আসামী করে রুনা বেগমকে তার বাড়ির ওপর হইতে মারপিট করে স্বর্ণালংকার নিয়ে গিয়েছি মর্মে পাল্টা অভিযোগ করে। এ বিষয়টিতে তদন্তকারী অফিসার কোন সত্যতা খুঁজে পাইনি।

থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে কোন সুবিধা না পেয়ে একই সময় উল্লেখ করে আমার বিরুদ্ধে বিজ্ঞ গোপালগঞ্জ নারী শিশু আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী- ২০০৩) এর ৯(৪) ধারায় ধর্ষণ চেষ্টায় একটি মিথ্যা মামলা রুজু করে। উক্ত মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় গোপালগঞ্জ পিবিআই পুলিশের উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ শাহ্ আলম সোহাগ। তিনি যোগাযোগ সাপেক্ষে আমাকে আশস্ত করে বলেন, আপনার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগটি মিথ্যা। তিনি মামলার চুড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করার অঙ্গীকারে আমার নিকট হইতে কয়েক ধাপে নগদ ১৩ হাজার টাকা ও তার নিজের বিকাশ একাউন্ট ০১৭৭৫….৮৩ নম্বরে ১৫ই মার্চ দুপুরে ২ হাজার টাকা ও ১৭ই মার্চ দুপুরে ১ হাজার টাকা দেই। আমাকে তিনি নিশ্চিত করেন যে, মামলায় চূড়ান্ত রিপোর্ট হবেই। অথচ উক্ত এসআই আমার নিকট হইতে এইরুপ টাকা নিয়া একটি জলজ্যান্ত মিথ্যা ঘটনাকে সত্য করিয়া আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করেন। তিনি আরও বলেন, এহেন মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিলকারী এসআই মোঃ শাহ্ আলম সোহাগের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের পাশাপাশি আমি যাহাতে মামলায় ন্যায় বিচার পাইতে পারি তাহার ব্যবস্থা করতে প্রধানমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সুদৃষ্টি কামনা করছি।

এ বিষয়ে পিবিআই কর্মকর্তা শাহ্ আলম সোহাগ টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে মোঃ সাইদ মোল্যা আমার অফিস সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন। অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।