• ঢাকা
  • শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:০৮ অপরাহ্ন

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার বর্ণি ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এবার দুস্থদের চাল আত্মসাতের অভিযোগ


প্রকাশের সময় : জুন ২৯, ২০২১, ৭:২৭ অপরাহ্ন / ১৭০
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার বর্ণি ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এবার দুস্থদের চাল আত্মসাতের অভিযোগ

কে এম সাইফুর রহমান, গোপালগঞ্জঃ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বর্ণি ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বাদশা’র বিরুদ্ধে দুস্থদের চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। চাল আত্মসাৎ ছাড়াও এর আগে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন ইউপি সদস্য।

সরকার অসহায় দুস্থদের ভিজিডি কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেন। চেয়ারম্যান ১৫ থেকে ২০ জন কার্ডধারীর ৩০ কেজি করে চাল দুস্থদের বঞ্চিত করে গত পাঁচ মাস যাবত আত্মসাৎ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ভিজিডি কার্ডধারী ২ নং ওয়ার্ডের ৬৬, ৭১, ৮৩ ও ৮৫ নম্বর কার্ড, ৫ নং ওয়ার্ডের ২১৬ নম্বর কার্ড এবং ৬ নং ওয়ার্ডের ১৪৯ ও ২৮৯ নম্বর কার্ডের চাল পাচ্ছেন না সুবিধাভোগীরা।

ইউনিয়নের ৩০৪ টি ভিজিডি কার্ডধারী দুঃস্থ পরিবারের নিকট থেকে ইউনিয়ন পরিষদের বকেয়া ট্যাক্স বাবদ ২০০ টাকা করে গ্রহণ করে ভুয়া ট্যাক্সের রশিদ দেন চেয়ারম্যান। এছাড়া ১০ টাকা মূল্যের চালের ৪৬৮ টি কার্ড বিতরনের সময় চেয়ারম্যান ইউনিয়ন পরিষদের বকেয়া ট্যাক্স বাবদ ২’শত করে টাকা নিয়ে তাদেরকে ভুয়া ট্যাক্সের রশিদ দিয়ে ৭৭২ টি কার্ডধারীর কাছ থেকে তিনি দেড় লাখেরও বেশি টাকা হাতিয়েছেন।

২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শরিফুল ইসলাম বলেন, চেয়ারম্যানের সীমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের আমরা অতিষ্ঠ। নিরুপায় হয়ে ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মনোয়ার হোসেন, ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আহাদ শেখ, ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য গোলাম রসুল, ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আমির হামজা, সংরক্ষিত ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তাপসী বেগম সহ আমি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করি।

বর্ণি ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বাদশা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আমাকে হেয় করতে আমার বিরুদ্ধে
অপপ্রচার চালাচ্ছে। এছাড়া বিগত দিনে অত্র ইউনিয়নে খুনখারাবি সহ দাঙ্গা-হাঙ্গামা লেগেই থাকতো। আমি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ইউনিয়নে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অনেক সময় বাদী-বিবাদীর হাতে পায়ে ধরি যেন নতুন করে আর কোন দাঙ্গা-হাঙ্গামা না হয়। এছাড়া উচ্চপর্যায়ের কিছু নেতা আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষকে উস্কে দিচ্ছেন বলে আমি মনে করি।