• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে র‌্যাব মহাপরিচালকের শ্রদ্ধা


প্রকাশের সময় : মার্চ ২, ২০২৩, ৬:৫৬ অপরাহ্ন / ৬১
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে র‌্যাব মহাপরিচালকের শ্রদ্ধা

কে এম সাইফুর রহমান, গোপালগঞ্জঃ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন।

গ্রেড-১ পদে পদোন্নতি পাওয়ায় তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধি সৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে পবিত্র ফাতেহা ও পাঠ শেষে তিনি বঙ্গবন্ধু সহ মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত সকল শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনায়, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।

এ সময় র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন্স) কর্নেল মো. কামরুল হাসান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ইমতিয়াজ আহমেদ, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহাবুব আলী খান, গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো.খায়রুল আলম, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো.বাবুল শেখ, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সাইফুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক শেখ ওয়ালিদুর রহমান হীরা, ধানমন্ডি মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ মিলি সহ র‌্যাব সদর দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে র‍্যাপিড একশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন বলেন, আমেরিকা আমাদের কিছু কর্মকাণ্ড নিয়ে তারা প্রশ্নবোধক চিহ্ন তুলেছিলো। তারা যে সমস্ত বিষয় জানতে চেয়েছে আমরা যথাযথভাবে সমস্ত প্রশ্নের জবাব প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ দিয়েছি। সেটা তারা পর্যালোচনা করছে। আর আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে র‌্যাব মানবাধিকার সমুন্নত রেখে এই দেশের নিরাপত্তার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

এম খুরশীদ হোসেন বলেন, জঙ্গিবাদ মূলত শুরু হয়েছিলো ২০০৫ সালে জোট সরকারের আমলে। আত্রাই-নওগাঁ থেকে বাংলা ভাই, সিদ্দিকুর রহমান সহ অনেক জঙ্গি নির্মূল করেছে। শুধুমাত্র আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নয়। জঙ্গিবাদ ও মাদক নির্মূল হয়েছে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে। আর গণমাধ্যমকর্মীদের আমি র‌্যাবের একটি অংশ মনে করি। কারণ সেই সময় সামাজিক আন্দোলন সাংবাদিকদের অনেক বড় ভূমিকা ছিলো।