• ঢাকা
  • রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন

গাজীপুর সিটি নির্বাচন : ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা


প্রকাশের সময় : মে ১৫, ২০২৩, ৯:৫২ পূর্বাহ্ন / ৪১
গাজীপুর সিটি নির্বাচন : ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুরঃ আসন্ন গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন জমে উঠেছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন। নৌকার প্রার্থী অ্যাডভোকেট আজমত উল্লা খান, টেবিল ঘড়ির প্রার্থী জায়েদা খাতুন, হাতির মেয়র প্রার্থী সরকার শাহনুর ইসলাম রনি এবং লাঙ্গলের প্রার্থী এমএম নিয়াজ উদ্দিন রোববার দিনব্যাপী নির্বাচনি প্রচারাভিযান চালিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী আজমত উল্লা বলেন, আল্লাহ আমাকে তৈফিক দিলে নগরবাসীকে যথাযথ নাগরিক সেবা পৌঁছে দেব। আরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব। পূবাইল থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজুর রহমান শিরিষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক পথ সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী জায়েদা খাতুনের প্রধান সমন্বয়ক ও সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, একজন কাউন্সিলর পাঁচ বছরে সিটি করপোরেশনের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে। সিটির টাকা লুটপাট করে পরিবার নিয়ে ওই কাউন্সিলর আমেরিকায় বসতি গড়েছে। একজন জনপ্রতিনিধি যিনি দেশকে ভালোবাসেন তিনি কখনো এমন কাজ করতে পারেন না। তিনি বলেন, আমার ৭০ বছরের মা দেখেছেন তার সন্তানের ওপর ১৮ মাস কীভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। এ গাজীপুরের মানুষের ভাগ্য নিয়ে কীভাবে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঋণখেলাপির দায়ে ১৮ জনের প্রার্থিতা বাতিল হলেও ১৭ জন ফিরে পেলেন। কোনো ঋণ না নিয়ে শুধু জামিনদার (গ্যারান্টার) হয়ে আমি ঋণ খেলাপি হয়েছি। কোথাও ন্যায়বিচার পেলাম না।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী এম এম নিয়াজ উদ্দিন বলেন, নির্বাচন একটি যুদ্ধ। এ যুদ্ধে আমাদের জয়ী হতে হবে। যুদ্ধে নেমে কোনোভাবেই পরিশ্রান্ত হওয়া যাবে না। দিন-রাত পরিশ্রম করে আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছতে হবে। কাজেই আমাদের সবার প্রস্তুত থাকতে হবে। টঙ্গীর একটি নির্বাচনি কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। টঙ্গীর মিলগেট, বেক্সিমকো, কলেজ গেট, আইচপাড়াসহ মহানগরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে তিনি দিনভর গণসংযোগ করেন।

হাতির প্রার্থী রনি সরকার বলেন, নির্বাচনের আর মাত্র ১০ দিন বাকি। কিন্তু এখনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। আওয়ামী লীগের নেতারা একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন। মোটরসাইকেলের বিশাল বহর নিয়ে প্রচারণাকালে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। রাস্তা বন্ধ করে নির্বাচনি সভা ও শোডাউন করা হচ্ছে। কিন্তু এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। রোববার বিকালে মহানগরের ২৮নম্বর ওয়ার্ড ও আশপাশের এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মেয়র প্রার্থী গাজী আতাউর রহমান বলেন, নির্বাচিত হলে গাজীপুরের ব্যবসায়ীদের সব সমস্যার সমাধান করবেন। একই ছাদের নিচে সব সেবা চালুর পদক্ষেপ নেবেন। টঙ্গীপূর্ব থানা এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, হোল্ডিং ট্যাক্স ৫-৭ শতাংশে নামিয়ে এনে ব্যবসার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে। শিল্পখাতে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।