• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ০৫:২০ অপরাহ্ন

গাজীপুরের শ্রীপুরে মাদ্রাসা শিক্ষককে দা দিয়ে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ৯, ২০২৩, ৯:০১ অপরাহ্ন / ১৬
গাজীপুরের শ্রীপুরে মাদ্রাসা শিক্ষককে দা দিয়ে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

মোঃ আল-আমিন,গাজীপুরঃ গাজীপুরের শ্রীপুরে মোঃ ফারুক আহমেদ (৩৬) নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষককে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। রোববার (০৮ জানুয়ারি ২০২৩ ইং) উপজেলার ২নং গাজীপুর ইউনিয়নের নিজমাওনা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর, উপস্থিত লোকজন ফারুককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। আহত মোঃ ফারুক আহমেদ উপজেলার ২নং গাজীপুর ইউনিয়নের নিজমাওনা গ্রামের হাসমত আলীর ছেলে। তিনি গাজীপুর সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক।

অভিযুক্তরা হলেন একই গ্রামের মোঃ আতিকুর ইসলাম (২২) পিতা- মোঃ সাইফুল ইসলাম,মোঃ সাইফুল ইসলাম (৫০) পিতা- মৃত আঃ মজিদ,মোছাঃ শান্তা ইসলাম (২৫) পিতা- মোঃ সাইফুল ইসলাম,মোছাঃ আঞ্জুমান বেগম ( ৪৫) স্বামী- মোঃ সাইফুল ইসলাম, সর্ব সাং ও ইউনিয়ন- ২ নং গাজীপুর, থানা- শ্রীপুর, জেলা- গাজীপুর আরো অজ্ঞাত ২/৩ জন আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে।

আহত ফারুকের পিতা, হাসমত আলীর বলেন, আমার ছেলে গাজীপুর সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার বিএসসি শিক্ষক- মাদ্রাসা থেকে নিজ বাড়ীতে মোটর সাইকেল যোগে আসার পথে বিবাদীগনের বাড়ীর সন্নিকটে পৌঁছা মাত্রই বিবাদীগন পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে লাঠি, ধারালো দা, লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়া মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে। একপর্যায়ে সকল বিবাদীগন আমার ছেলে ফারুক-কে মোটর সাইকেল হইতে টানিয়া হেচড়াইয়া নামাইয়া জোর পূর্বক বিবাদীগনের বাড়ীর ভিতরে নিয়া যায়। ১নং বিবাদী তাহার হাতে থাকা ধারালো দা দিয়া হত্যার উদ্দেশ্যে আমার ছেলে ফারুকের মাথায় স্বজোরে কোপ দিলে উক্ত কোপ মাথার উপরে বাম পার্শ্বে লাগিয়া গুরুতর জখম হয়। ২নং বিবাদী তাহার হাতে থাকা লোহার রড দিয়া দুই পায়ের উড়ু সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথারী ভাবে বাইরাইয়া নীলাফুলা মারাত্মক জখম করে। ১নং বিবাদী আমার ছেলের প্যান্টের ডান পকেটে থাকা নগদ ১৬,৪০০/- টাকা নিয়া নেয়। ৩, ৪নং বিবাদী ও অজ্ঞাত নামা বিবাদীরা আমার ছেলের ডিসকভার মোটর সাইকেল বাইরাইয়া ভাংচুর করিয়া ব্যাপক ক্ষতি করে।

তখন আমার ছেলের ডাকচিৎকারে আশপাশ হইতে লোকজন আগাইয়া আসিয়া ছেলেকে রক্ষা করে। আমার ছেলের অবস্থা খারাপ হওয়ায় উপস্থিত লোকজন একটি সিএনজি যোগে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করি।’

শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মাহমুদা বলেন, ‘আঘাতের পরিমাণ মারাত্মক। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আপাতত তিনি শঙ্কামুক্ত।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।