নিজস্ব প্রতিবেদক, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধা গোবিন্দগঞ্জ ভিকটিম মোঃ আপেল মাহমুদ (৩০), পিতা-মোঃ আজিজার রহমান, মাতা-মৃত রুনা বেগম, সাং-কচুয়া, থানা-সাঘাটা, জেলা- গাইবান্ধা এর সাথে আসামী মোঃ রুবেল শেখ ও মোঃ জুয়েল আকন্দ (২০) এর সহিত আসামীদের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ১৫ দিন আগে পরিচয় হয়। তারপর পরস্পরের মাঝে সু-সম্পর্ক তৈরি হয়। সেই সুবাদে আসামীদ্বয় ভিকটিমকে ইং ০৩/০৩/২০ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৭.০০ ঘটিকার সময় গোবিন্দগঞ্জ থানা এলাকায় মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে ডেকে নিয়ে আসে। তারপর ভিকটিমকে সাথে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরির পর এক পর্যায়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার চারমাথা মোড়ের নূর জাহান আবাসিক হোটেলে ২০৯নং রুমে আটক করে রাখে। সেখানে আসামীকে প্রতারনা মূলকভাবে তার নগ্ন ছবি ও অশ্লীল ভিডিও তৈরি করার হুমকি প্রদর্শন করে এবং নগদ ১,০০,০০০/- টাকা চাঁদা দাবী করে। উক্ত টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠানোর জন্য ভিকটিমকে দিয়ে তার পরিবারের লোকজনদের উপর চাপ প্রয়োগ করে। তারপর টাকা নিতে দেরি হওয়ায় আসামীদ্বয় ভিকটিম আপেলকে মারপিট করে এবং নগদ ১৮,০০০/- টাকা ও একটি Realme c25 মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। ভিকটিমের পরিবারের লোকজন গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশের শরনাপন্ন হইলে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে মোঃ কামাল হোসেন পুলিশ সুপার সার্বিক দিক নির্দেশনায় উদয় কুমার সাহা,সহকারি পুলিশ সুপার, সি-সার্কেল গাইবান্ধার নেতৃত্বে মোঃ ইজার উদ্দিন, অফিসার ইনচার্জ, গোবিন্দগঞ্জ থানা, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জনাৰ মোঃ বুলবুল ইসলাম, এসআই/ প্রলয় কুমার বর্মা, এসআই/মোঃ রাশেদুল ইসলাম, এএসআই/মোঃ রেজাউল করিম ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ অভিযান পরিচালনা করে ভিকটিম মোঃ আপেল মাহমুদকে নূরজাহান আবাসিক হোটেল থেকে উদ্ধার করে এবং আসামীদেরকে গ্রেফতার করেন।
২য় ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ ভিকটিম মোঃ নুরুল ইসলাম(৩১), পিতা-মোঃ এনছার আলী, মাতা-মোছাঃ কুলেজা বেগম, সাং-দক্ষিণ কুঠির, ভাকঘর-উদাখালী, থানা-ফুলছড়ি, জেলা-গাইবান্ধা এর সাথে প্রায় ১০ দিন পূর্বে আসামী মোছাঃ মেহনাজ আক্তার সাথী এর সাথে “ইম্যু” এর মাধ্যমে পরিচয় হয়। পরবর্তীতে ভিকটিমের সাথে আসামী মোছাঃ মেহনাজ আক্তার সাথীর প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। সেই সুবাদে আসামী মেহনাজ আক্তার সাথী ভিকটিমকে মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে প্রতারনামুলক ভাবে গোবিন্দগঞ্জ থানা এলাকার ডেকে নিয়ে কৌশলে বিভিন্ন জায়গায় ঘোড়া করে তার ভাড়া বাসার নিকট নিয়ে আসে এবং সেখানে আসামী মোছাঃ মেহনাজ আক্তার সাথীর স্বামী মোঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ এবং তার সহযোগী আসামী মোঃ ফাহিম ভিকটিমকে জিম্মি করে ভিকটিমের নিকটে থাকা ১,৫০০/-টাকা ও মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে এলোপাথারী মারপিট করে এবং মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিবারের লোকজনদের কাছে ২,০০,০০০/- টাকা দাবি করে। অতঃপর ভিকটিমের পরিবারের লোকজন গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশের শরনাপন্ন হলে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে মোঃ কামাল হোসেন, পুলিশ সুপার, গাইবান্ধার সার্বিক দিক নির্দেশনায় ও উদয় কুমার সাহা, সহকারি পুলিশ সুপার, গাইবান্ধার নেতৃত্বে মোঃ ইজার উদ্দিন, অফিসার ইনচার্জ, গোবিন্দগঞ্জ থানা, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ বুলবুল ইসলাম, এসআই/ প্রলয় কুমার বর্মা, এসআই/ মোঃ জসীম উদ্দিন, এএসআই/ মোঃ রেজাউল করিম ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জঙ্গলমারা মৌজাস্থ ডায়াবেটিস হাসপাতালের পিছনে আসামীর ভাড়া বাসা থেকে ভিকটিম মোঃ জহুরুল ইসলামকে উদ্ধার করে এবং আসামীদের গ্রেফতার করেন।
উপরোক্ত বিষয়ে গাইবান্ধা জেলার পুলিশ সুপার মোঃ কামাল হোসেন গাইবান্ধাবাসী এবং দেশের সকল নাগরিকদের এ সকল প্রতারকদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সর্বদা সতর্ক থাকার আহবান জানান।
আপনার মতামত লিখুন :