• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন

খুলনায় বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ আজ : সমাবেশস্থলে উৎসবমুখর পরিবেশ


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২২, ২০২২, ১০:০২ পূর্বাহ্ন / ১৭
খুলনায় বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ আজ : সমাবেশস্থলে উৎসবমুখর পরিবেশ

মোস্তাইন বীন ইদ্রিস (চঞ্চল),খুলনা: খুলনায় বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ শুরু হবে দুপুর ২টায়। কিন্তু এরই মধ্যে নেতাকর্মীদের ভিড় ছড়িয়েছে সমাবেশস্থল ছাড়িয়ে আরও প্রায় এক কিলোমিটার। খুলনা মহানগরীর আপার যশোর রোড সোনালী ব্যাংক চত্বরে মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। রাতে সেখানে কয়েক হাজার নেতাকর্মী অবস্থান নেয়। শনিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ৮টার মধ্যে নগরীর ডাকবাংলা মোড়, পিকচার প্যালেস, ফেরিঘাট, শিববাড়ি মোড় পর্যন্ত ভিড় ছড়িয়েছে। এখনও শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে খণ্ডখণ্ড মিছিল নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে আসছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে সমাবেশস্থলে। মঞ্চের পাশে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দিচ্ছেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা। অনেকে ফেসবুকে লাইভ দিচ্ছেন, সেলফি তুলছেন। সহকর্মীদের পরিস্থিতি জানাচ্ছেন। তাদের সময় কাটছে গল্প-আড্ডা, গান আর শ্লোগানে। এর আগে শুক্রবার বিকাল থেকেই কুষ্টিয়া, যশোর, মাগুরা, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা থেকে ট্রেনে করে ও সাতক্ষীরা, নড়াইল, খুলনার বিভিন্ন উপজেলা দাকোপ, পাইকগাছা, কয়রা থেকে ট্রলারযোগে খুলনায় আসতে শুরু করেন নেতাকর্মীরা। রাতেই সমাবেশ স্থল সোনালী ব্যাংক চত্বরে উপস্থিত হন দলীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এসময় সেখানে কয়েকশ’ নেতাকর্মী জড়ো হয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেয়।

জানা যায়, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে এবং জ্বালানি তেল, চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, বিএনপির নেতাকর্মী হত্যা, হামলা ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে কেন্দ্রিয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনায় বিভাগীয় গণসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, খুলনার সাথে ১৮টি রুটের বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে, লঞ্চ চলাচল ট্রলার পারাপার বন্ধ করা হয়েছে। তারপরও গণসমাবেশে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ জনস্রোতে পরিণত হবে। জানা যায়, সমাবেশ মঞ্চ থেকে শিববাড়ি মোড় পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে টানানো হয়েছে ১২০টি মাইক। ৮টি পয়েন্টে বসানো হয়েছে প্রজেক্টর। সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। সমাবেশের সময় থাকবে ড্রোন ক্যামেরার নজরদারি। সমাবেশে শৃঙ্খলা দায়িত্ব পালন করবে ৪০০ স্বেচ্ছাসেবক।