• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:২৮ অপরাহ্ন

খুলনায় জীবননাশ ও মামলা তুলে নেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ৮, ২০২৩, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন / ১৫
খুলনায় জীবননাশ ও মামলা তুলে নেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

মোস্তাইন বীন ইদ্রিস চঞ্চল,খুলনাঃ খুলনা মহানগরীর হরিণটানা থানার রায়েরমহল এলাকার শেখ মোঃ আল মামুনের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করায় আসামী কর্তৃক জীবননাশ ও মামলা তুলে নেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুর ১ টায় খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নিহত মামুনের ভাই এস এম আব্দুল ওয়াদুদ।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার ছোট ভাই শেখ মোঃ আল মামুন রায়েরমহলের মৃত শেখ আঃ সবুরের পুত্র মোঃ সফিকুল ইসলাম (৩৩) ও রায়েরমহলের মৃত শেখ আঃ ওহাব এর পুত্র শেখ হায়দার আলী (৫০) এর সাথে জায়গাজমি কেনবেচা সংক্রান্ত লেনদেনের সূত্র ধরে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
এরই ধারাবহিকতায়, গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর রাত ৯ টায় হরিণটানা থানার রায়েরমহলের আমির আলীর পুত্র মোঃ জুয়েল (৩২), আড়ংঘাটা থানার রায়েরমহলের মৃত. শেখ আঃ ওহাবের পুত্র শেখ মিরাজুল ইসলাম (৩৫), মৃত. মল্লিক হাবিবুর রহমানের পুত্র মোঃ মাসুম মল্লিক (৪২) ও হরিণটানা থানার রায়েরমহলের মৃত. আঃ গফুর মোল্লার পুত্র শেখ রসুল (৪০) মামুনকে বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে ময়ুর বড়খালপাড়স্থ মোঃ জুয়েলের বাড়ির দোতলায় নিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভবে মোঃ সফিকুল ইসলাম ও শেখ হায়দার আলী বন্ধুসুলভ আচরণ করে পূর্ব শত্রুতা ভুলে যাওয়ার কথা বলে মদ পান করায়। মদপানের ফলে মামুন অসুস্থ হয়ে পরলে ১৬ ডিসেম্বর ভোর ৬ টার দিকে উক্ত ব্যাক্তিকুল তাকে বাড়িতে পৌছে দ্রুত চলে যায়। মামুন অতিরিক্ত বমি করার ফলে আনুমানিক দুপুর ১ টার দিকে তার স্ত্রী পারভীন বেগম তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। উল্লেখ্য, এ বিষয়টি মামুনের মৃত্যুর আনুমানিক ১ ঘন্টা আগে আমাদের পরিবারকে জানান তার স্ত্রী। প্রকাশ থাকে যে, মামুনের মৃতদেহ পোষ্ট মর্টেম করা হয়।

এ ঘটনায় তিনি উপোরোল্লিখিত ৬ জন সহ আরও অজ্ঞাতনামা ব্যাক্তিদের আসামী করে বিজ্ঞ আদালতে ৩০২/৩৪ দঃ বিঃ ধারায় মামলা দায়ের করেন। যার নং-হরিণটানা সি, আর-৮২/২০২২। উল্লেখ্য, এ মামলায় কয়েকজন স্বাক্ষীর মধ্যে আলেয়া আবাসিক প্রকল্পের প্রোপ্রাইটর মোঃ মারুফকে সফিকুল ইসলামের নির্দেশে তার বাহিনী দ্বাড়া হামলা করা হয়। যে খবরটি গত ১ জানুয়ারী খুলনার দৈনিক পূর্বাঞ্চল, দৈনিক প্রবাহ, দৈনিক সময়ের খবর, দৈনিক জন্মভূমি ও অনলাইন পোর্টাল চ্যানেল সবুজ বাংলা নিউজ এ ছবি সহ প্রকাশিত হয়েছে।

শুধু তাই নয়, সফিকুলের প্রোরোচনায় মামুনের স্ত্রী পারভিন বেগমকে অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে তিনি ও আমার ভাই মোঃ মাসুদ (৪০) সহ সর্বমোট ৮ জনের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ মহানগর হাকিমের আমলী আদালতে মামলা দায়ের করানো হয়।
তাই তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে উক্ত হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতার করে সুষ্ঠু বিচার, স্বাক্ষী এবং নিজেদের জীবনের নিরাপত্তার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

এ সময় নিহত মামুনের বাবা, বোন, ভাইয়ের ছেলেরা উপস্থিত ছিলেন।