বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২২, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
লক্ষ্মীপুরে বাবা ও ছেলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড যশোরের শার্শায় ফেনসিডিল ও মোটর সাইকেলসহ আটক ২ নড়াইলের কালিয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবশেষে নিজগৃহে উঠলেন গোয়াল ঘরে থাকা ৯২ বছরের বৃদ্ধা মা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে চন্দ্রদিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানের শ্রদ্ধা শ্রীমঙ্গল এ র‍্যাব ৯ এর অভিযান এ ৬৭০ পিস ইয়াবা সহ আটক ১ মৌলভীবাজার এর তরুণ আইটি উদ্যোক্তা তারেক আহমদের গল্প দোয়ারা বাজারে চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে মানববন্ধন যশোরের শার্শায় কিশোরকে খুন করে ইজিবাইক ছিনতাই নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে রাসিক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনের অভিনন্দন লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় মাদকসহ ভ্যান চালক আটক



কুষ্টিয়ার সাবিনা ধর্ষণ-হত্যা : শুকুর আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৮ আগস্ট, ২০২১
  • ১৭২ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক,কুষ্টিয়াঃ ২০০৪ সালে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার লালনগরে সাবিনা (১৩) নামে এক মেয়েকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে এক আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে তিনজনকে যাবজ্জীবন দণ্ড দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

বুধবার (১৮ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ভার্চুয়াল আপিল বিভাগ এ রায় দেন।
আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী এসএম শাহজাহান ও রাগীব রউফ চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ।

জানা যায়, ২০০৪ সালের ২৫ মার্চ রাতে দৌলতপুর উপজেলার লালনগর গ্রামের আব্দুল মালেক ঝনুর মেয়ে সাবিনা (১৩) প্রতিবেশীর বাড়িতে টেলিভিশন দেখে বাড়ি ফেরার পথে আসামিরা তাকে অপহরণ করে। এর পর লালনগর ধরমগাড়ী মাঠের একটি তামাক ক্ষেতে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে।

পরদিন সাবিনার বাবা আব্দুল মালেক ঝনু বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে দৌলতপুর থানায় মামলা করেন।

এ মামলার বিচার শেষে ২০০৯ সালের ০৪ ফেব্রুয়ারি পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড দেন কুষ্টিয়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আকবর হোসেন।

আসামি পাঁচজন হলেন- কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার লালনগর গ্রামের খয়ের আলীর ছেলে শুকুর আলী, আবদুল গনির ছেলে কামু ওরফে কামরুল, পিজাব উদ্দিনের ছেলে নুরুদ্দিন সেন্টু, আবু তালেবের ছেলে আজানুর রহমান ও সিরাজুল প্রামাণিকের ছেলে মামুন হোসেন।
পরে নিয়ম অনুসারে মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য নথি (ডেথ রেফারেন্স) হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামিরা আপিল করেন। এর মধ্যে কামু ওরফে কামরুল মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তী সময় ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। এর পর আসামিরা আপিল করেন।

বুধবার রায়ে আপিল বিভাগ শুকুর আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। অন্য তিন আসামি নুরুদ্দিন সেন্টু, আজানুর রহমান ও মামুন হোসেনের দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন দণ্ড দেন। এ ছাড়া তাদের কনডেম সেল থেকে স্বাভাবিক সেলে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন।



Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category



© All rights reserved © 2020 ajkerbd24.com
Design & Development By: Atozithost
Tuhin