• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ০১:৩৯ অপরাহ্ন

কুশাখালীর ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন এখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে


প্রকাশের সময় : জুলাই ১৯, ২০২১, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন / ৩১৬
কুশাখালীর ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন এখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে

এ.কে আজাদঃ লক্ষ্মীপুরের ১৮ নং কুশাখালী ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন এখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন বলে দাবী সংশ্লিষ্ট মহলের।প্রত্যন্ত জনপদের অপরাধ সংগঠিত এবং উন্নয়ন বন্ঞিত এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিলো এই কুশাখালী ইউনিয়নটি।লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা হতে অদুরে এই ইউনিয়নটিতে চুরি,ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ছিলো নিত্যনৈমিত্তিক।নুরুল আমিন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে অদ্যবধি পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তথা ১৪ দলীয় জোট সরকারের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে দিনের পর দিন অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে এই ইউনিয়ন হতে অনেকাংশে অপরাধ প্রবনতা কমিয়ে আনার লক্ষ্যে প্রশাসনের সহযোগিতায় আজ মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারছে।অন্যান্ন ইউনিয়নের তুলনায় এখানে হতাহতের ঘটনা ও অনেক কম। তাছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি পুর্বক ঘরে ঘরে বিদ্যুত পৌঁছে দিবার লক্ষ্যে দিন রাত পরিশ্রম করে অন্ধকারাচ্ছন্ন কুশাখালীকে করেছেন তিনি আলোকিত।বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় রাস্তা ঘাট, পোল কালভার্ট নির্মান করার পাসাপাসি স্কুল ও কলেজের উন্নয়নে ব্যাপক ভুমিকা পালন করেছেন বলেও জানান সচেতন মহল।চেয়ারম্যান নুরুল আমিনের স্বপ্ন তিনি অত্র ইউনিয়নটিকে একটি ডিজিটালাইজ্ড ইউনিয়নে রুপান্তরিত করবেন।এলাকার উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন তুললে গুনধর এই চেয়ারম্যান আমাদের প্রতিবেদককে জানান, কুশাখালী ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষই কৃষক ও দিনমজুর। খেটে খাওয়া ওইসব সাধারন মানুষের সেবা নিশ্চিত করার জন্য আমি চেয়ারম্যান হয়েছি।সরকারি বরাদ্দ যাই আসেনা কেন,আমি জনগনের মধ্যে সুষ্ঠু বন্টনের চেষ্টা করি।আমার কাছ থেকে ইউনিয়নের কেউই খালি হাতে ফেরত যায়নি।তাছাড়া ভিজিডি,বয়স্ক ভাতা,বিধবা ভাতা,প্রতিবন্ধী ভাতা সহ যেসকল সুযোগ সুবিধা আসে তা আমি নিজ দায়িত্বে দিয়ে থাকি।একান্ত আলাপচারিতায় তিনি আরো বলেন,আমার ইউনিয়ন পরিষদটি শান্তিরহাট বাজার সংলগ্ন এলাকায়।আমি আমার বাজারকে উন্নত করতে এবং জনগনের সেবা নিশ্চিত করতে এই বাজারে অগ্রনী ব্যাংক,ইসলামি ব্যাংক এজেন্ট বসাতে সহযোগিতা করি।ভবিষ্যতে আরো অনেক কিছু করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে জনগনের সেবা নিশ্চিত করার কোন বিকল্প নেই।আমার বাকী জীবনটা জনগনের সেবা করে যেতে চাই।আগামীতে আপনি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন,জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দিলে অবশ্যই আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো এবং কুশাখালীবাসীর পাসে থাকবো।