• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন

কুমিল্লায় মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নিয়ে জেলা প্রশাসনে অভিযোগ


প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ১, ২০২৩, ১০:৪২ অপরাহ্ন / ৭৮
কুমিল্লায় মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নিয়ে জেলা প্রশাসনে অভিযোগ

মোল্লা নাসির উদ্দিনঃ সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই চোখে পড়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন নিয়ে হানাহানি মারামারি, যেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আজ পৈতৃক সম্পত্তি, তারই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শিদলাই দারুল ইসলাম সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা নিয়ে ছড়িয়ে পরেছে গুঞ্চন।

সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে ব্রাহ্মান পাড়া উপজেলার শিদলাই দারুল ইসলাম সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনের জন্য এলাকার বাসীর মুখে মুখে মৌমাছির গুনঞ্চন । বিষয়টি নিয়ে ওই গ্রামের সকল শ্রেণি পেশার মানুষ অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে জানা যায়, সম্প্রতি মাদ্রাসার পাশে জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরুদ্ধ সৃষ্টি হয়। শিক্ষকসহ একটি প্রভাবশালী মহল গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে পছন্দের দাতাসদস্য মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন কে সভাপতি নির্বাচিত করতে গুঞ্জন সৃষ্টি হয় সর্বমহলে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় শিদলাই দারুল ইসলাম সিনিয়র ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার সুষ্ঠু সুন্দর নিরপেক্ষ ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে লুৎফর প্যানেল বিজয়ী হয় এবং কমিটি সহ এলাকাবাসীর দাবী স্থানীয় সভাপতি হিসেবে দানবীর ও দাতা সদস্য জসীমকে যেন নির্বাচীত করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিদলাই আশরাফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক আলী আহাম্মদ মাষ্টার বলেন শিদলাই দারুল ইসলাম সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসাটি স্থাপিত-1976 ইং সালের মরহুম মাওলানা আব্দুল জাব্বার পীর সাহেব প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করিলে উভয়ের বসে সিদ্ধান্ত হয় মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা হবে কিন্তু এতে মরহুম আলী আকবর সরকার চান মিয়া ষাট শতাংশ জমি লিখিত ভাবে বিনামূল্যে দান করেন। এবং সর্বদায় যুক্তিপরামর্শ ও তাহার শ্রমের মধ্যে এই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা হয়। দীর্ঘ দিন যাবৎ মাদ্রাসার কমিটি সভাপতি এলাকার গুন্যমান্য ব্যক্তিদের পরামর্শের মাধ্যমে মরহুম মাওলানা আবদুল হান্নান পীর সাহেব পরিচালনা করে আসছিলেন।তার মৃত্যুর পর থেকে আজ পর্যন্ত এই মাদ্রাসাটির শিক্ষা বেবস্থাপনা বেহাল দশা তাই গ্রামবাসী মিলি দাতা সদস্য মরহুম আলী আকবর সরকার চান মিয়া সাহেবর ছোট ছেলে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ধানবীর মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে সভাপতি হিসেবে পাওয়ার জন্য আমরা আবেদন করিলে। করি কিন্তু একটি কুচক্র মহল জমি সংক্রান্ত বিষয়ের জের ধরে জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি অভিযোগ করেন যাতে করে জসিম উদ্দিন সভাপতি হতে না পারে তাই আমরা এই অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।আমরা মনে করি এই তরুণ প্রতিবাদী শিক্ষিত ছেলেরা যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্ণদার হয় তাইলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়া ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে বলে আমি মনে করি ।

পূর্বে আমরা দেখেছি শিদলাই গ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন নিয়ে ভোটারের মাঠে উড়েছে টাকা এই কালো টাকা কিছু ব্যক্তিরা ঢাকা বসে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং কালো টাকার গাড়ি গুলো ওখান থেকেই আসছে। তারা কিছু বখাটে ছেলেপেলে দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপসহ ধংস করে দিচ্ছে আজকের শিক্ষা ব্যবস্থাকে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সফিকুল ইসলাম বাবুল, জয়নাল হোসেন,মোহাম্মদ ফারুক মিয়া,হুমায়ূন কবির অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য,মোহাম্মদ আবু জাহের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য,মোহাম্মদ হুমায়ন কবির,শেখ রিপন মিয়া,আবদুল কুদ্দুস অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য, ডাক্তার এমজাদ হোসেন,ডাক্তার হালিম,আবুল হাসেম সাবেক মেম্বার, জয়দল হোসেন (জানু) , সাবেক মেম্বার,মোহাম্মদ রুহুল আমিন,খোরশেদ আলম,স্বপন মিয়া,বায়েজিদ হোসেন,আবুল হাসেম ভুইয়া,মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, নাজিম উদ্দিন সরকার সাবেক চেয়ারম্যান, আবু কাউসার সরকার সহ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।।