• ঢাকা
  • বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:৫৫ অপরাহ্ন

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে হামলাকারীদের আঘাতে তিন দিনের শিশু আহত


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১, ৩:২২ অপরাহ্ন / ২০৬
কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে হামলাকারীদের আঘাতে তিন দিনের শিশু আহত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গত ০৭/০৯/২০২১ ইং তারিখ ফখরুল আলম মুক্তার নেতৃত্বে একদল জবরদখলকারী সন্ত্রাসী বাহিনী কিশোরগঞ্জের তাড়াইল থানাধীন কলূমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটায়। উক্ত বিষয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয় ।যার নম্বর ০৪, তারিখ ০৮/০৯/২০২১ইং। উক্ত মামলায় পেনাল কোড দন্ডবিধি দেখানো হয় ১৪৩ /৪৪৭ /৪৪৮/ ৩২৩/ ৩২৪/৩২৬/৩০৭/৪২৭/৩৮০/১১৪/৫০৬/ ও ৩৪।

এজাহারে বাদী এমদাদুল হক উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দিন যাবৎ ফখরুল আলম মুক্তা গংয়ের সাথে জলমহল নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এই জলমহল আমার এবং আমাদের সম্পত্তি। সন্ত্রাসী মুক্তাবাহিনী জোরপূর্বক আমার এই জলমহল দখলে নিতে চায় ।রাজি না হওয়ায় গত ০৭/০৯/২০২১ ইং তারিখ এজাহারে উল্লেখিত ২৪ জন আসামীসহ আরো অজ্ঞাত নামা আসামি গণ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার বাড়ির উঠানে এসে সকাল আনুমানিক ৮.৩০ ঘটিকায় আমাদের উপর আক্রমণ করে। তাদের আক্রমণের শিকার হয় তিন দিনের নবজাতক শিশু, মহিলা, বৃদ্ধ সহ মোট ৫ জন। আমাদের চিৎকার-চেঁচামেচিতে গ্রামের লোকজন ছুটে এলে তারা চলে যায়। চলে যাওয়ার সময় প্রাণনাশের হুমকি সহ বাদীর ফুফাতো ভাইয়ের কীটনাশকের দোকানে লুটপাট ও ভাঙচুর করে। এতে প্রায় ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধিত হয়।
পাশে থাকা আরেক ফুফাতো ভাই রুবেল মিয়ার মনোহারী দোকানে একইভাবে লুটপাট ও ভাঙচুর করে বলে এজাহারে উল্লেখ করে ।এতে রুবেলের প্রায় তিন লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে কলুমা গ্রামের আসাদুজ্জামান টুনু বলে ফখরুল আলম মুক্তা বেশ কিছুদিন আগে অস্ত্র ও মাদকসহ রেবের হাতে আটক হয় । শুধু তাই নয় তার বাবা একজন সাবেক চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা বটে। তাদের হাতে এলাকার অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি অপমান অপদস্থ হয়েছেন। তাদের রয়েছে একটি শক্তিশালী সন্ত্রাসী বাহিনী এই ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উক্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মুবিন জানায়, এই ফখরুল আলম মুক্তা এবং তার বাহিনী গ্রামের মেয়েদের ইফটিজিং, মাদক ও অস্ত্রসহ বিভিন্ন অবৈধ কাজের সাথে জড়িত। পুলিশ বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ সকল কর্মকর্তাদের কাছে আমার বিশেষ অনুরোধ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স দেখানোর কথা বলেছেন। আমি আশা করি প্রশাসন তা কঠোর হস্তে দমন করবেন।
উক্ত বিষয়ে তারাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, তিন দিনের শিশু বাচ্চাটি অনেকটাই সুস্থ, বাকি যারা আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিলেন তারাও বিপদমুক্ত। আসামিরা পলাতক আছে, জানা গেছে তারা জামিন নিয়েছে।