• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:৩১ অপরাহ্ন

এ্যানি-সালামের জামিননামা দাখিল, মুক্তি পেতে আর বাধা নেই


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ১৮, ২০২৩, ৫:২৭ অপরাহ্ন / ২৭
এ্যানি-সালামের জামিননামা দাখিল, মুক্তি পেতে আর বাধা নেই

মোঃ রাসেল সরকার,ঢাকাঃ রাজধানীর নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও হামলায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগের মামলায় বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ও দলটির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালামের জামিননামা দাখিল করেছেন তাদের আইনজীবী। তাদের বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা না থাকায় আজই তারা কারামুক্তি পাবেন বলে আশাবাদী আইনজীবী।

হাইকোর্টের জামিনের আদেশ আসার পর বুধবার তাদের আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জুডিশিয়াল মুন্সিখানায় এ জামিননামা দাখিল করেন। এই জামিননামা কারাগারে গেলেই তারা কারামুক্তি পাবেন বলে আশা আইনজীবীর।

আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এ্যানি-সালামকে ছয়মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। আজ হাইকোর্টের জামিনের আদেশ আসলে আমরা জামিননামা দাখিল করি। আশা করছি আজই তারা কারামুক্তি পাবেন।

এর আগে মঙ্গলবার হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে চেম্বার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিমের বেঞ্চ তাদের জামিন বহাল রাখার আদেশ দেন।

গত ১৬ জানুয়ারি হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ্যানি ও সালামকে ছয়মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। একই সঙ্গে তাদের কেন স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। পরবর্তী চার সপ্তাহের মধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

তার আগে ৮ জানুয়ারি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় পল্টন থানায় করা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া ছয়মাসের জামিন বহাল রেখে আদেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন। এরপর ৯ জানুয়ারি আটক হওয়ার ৩২ দিন পর কারামুক্ত হন তারা।

পুলিশের ওপর হামলার পরিকল্পনা ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগে পল্টন থানায় করা মামলায় গত ৮ ডিসেম্বর দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবীর খোকন, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসসহ ৪৩৪ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

৮ ডিসেম্বর আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সেই থেকে বিএনপির এই নেতাকর্মীরা কারাগারে রয়েছেন। তবে ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েলের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।