

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জঃ গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়ার কৃষ্ণ মন্ডলের একমাত্র ছেলে কপিল মন্ডলকে আত্মহত্যার প্ররোচিত করা ও তার পিতা কৃষ্ণ মন্ডলকে জীবননাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে একই গ্রামের বাবুল বিশ্বাসের ছেলে বাপ্পি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে।
বাপ্পি বিশ্বাস (৩০) দীর্ঘদিন যাবৎ কপিল মন্ডলের স্ত্রীর সাথে জোড়পূর্বক পরকীয়া করতো বলে অভিযোগ রয়েছে। তার জের ধরেই কপিল মন্ডল আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়। আত্মহত্যাকারী কপিল মন্ডলের পিতা গণমাধ্যমকারীদের জানান যে, বাপ্পি রঘুনাথপুর ইউনিয়নের একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী, মাদকসেবী ও দুশ্চরিত্র হিসেবে পরিচিত। তিনি আরও বলেন যে, আমার ছেলে কপিল মন্ডল বাপ্পিকে বহুবার তার অপকর্মের জন্য বিভিন্ন লোক দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করে কিন্তু সে তাতে ক্ষিপ্ত হয়ে তার দলের অনুসারী বিপ্লব মন্ডল, বিধান মন্ডল (উভয়ের পিতা বিপুল মন্ডল) সহ আরও কয়েকজন মিলে রামদা, চাইনিজ কুড়াল, বাঁশের লাঠি সহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার ছেলেকে খুন করার জন্য আক্রমণ করে। পরে আমরা স্থানীয় মাতুব্বর ও জনপ্রতিনিধির কাছে বিচার দেই। কিন্তু বাপ্পি বিশ্বাস প্রভাবশালী সন্ত্রাসীর কারনে আমরা এ ঘটনার উপযুক্ত বিচার পাই না। এরপর আমার পুত্রবধু তার বাবার বাড়িতে চলে যায় এবং বাপ্পি বিশ্বাস ও আমার পুত্রবধুর অশ্লীল ভিডিও কপিলকে দেখালে সে এই দৃশ্য সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করে। তিনি বলেন, গত ৩১/১২/২০২৪ ইং তারিখে আমার বসতবাড়ির ঘরের আড়ায় কপিল আত্মহত্যা করে। কৃষ্ণ মন্ডল বলেন যে, বাপ্পি বিশ্বাসের প্ররোচনায় আমার একমাত্র ছেলে আত্মহত্যা করার পর আমি কোর্টে একটি মামলা দায়ের করি। মামলার পর বাপ্পি বিশ্বাস, বাবুল বিশ্বাস ও তার দলবল আমাকে হত্যার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দেয়। আমি বর্তমানে প্রাণভয়ে এদিক-সেদিক পালিয়ে বেড়াচ্ছি। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আমি গোপালগঞ্জ পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আমি বাংলাদেশ সরকারের কাছে আকুল আবেদন জানাই যে, আমার ছেলে হত্যার উপযুক্ত বিচার ও আমাকে প্রাননাশের হুমকির বিচার চাই। সাথে বলতে চাই, বাংলার আর কোন মায়ের কোল যেন কোন সন্ত্রাসী খালি করতে না পারে। এটা দেখে যেন সব সন্ত্রাসী ভয় পায় আর কোন অন্যায় না করতে পারে।
আপনার মতামত লিখুন :