বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ১০:৪৪ অপরাহ্ন

আগামী নভেম্বর থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা দেওয়া হবে মোবাইলে

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪৮ Time View

ঢাকা অফিসঃ এখন মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা সরাসরি তাদের ব্যাংক আ্যকাউন্টে চলে যায়। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তরা বলেছেন, মোবাইল সেবা চালু হলে ব্যাংকে যেতে হবে না আর। মোবাইলে এসএমএস চলে আসবে। ফলে ঘরে বসেই টাকা পেয়ে যাবেন। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতা মোবাইল ব্যাকিংয়ের আওতায় আনা হয়েছে। বিকাশ, রকেট, নগদসহ অন্যান্য মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে টাকা পৌঁছে যাবে তাদের নিজ নিজ আ্যকাউন্টে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের জন্য চালু করছে এ সেবা। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। ফলে অক্টোবর মাসের ভাতা নভেম্বরই হাতে পাবেন তারা।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা যাতে ঘরে বসে তাদের সম্মানি ভাতা পেতে পারেন, সে জন্য পেমেন্ট সিস্টেমকে ডিজিটাল করা হয়েছে। এর ফলে হয়রানি কমবে এবং দ্রুত সময়ে টাকা তুলতে পারবেন তারা।এখন মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা সরাসরি তাদের ব্যাংক আ্যকাউন্টে চলে যায়। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তরা বলেছেন, মোবাইল সেবা চালু হলে ব্যাংকে যেতে হবে না আর। মোবাইলে এসএমএস চলে আসবে। ফলে ঘরে বসেই টাকা পেয়ে যাবেন।

বর্তমানে ১ লাখ ৯২ হাজার মুক্তিযোদ্ধা ১২ হাজার টাকা করে মাসিক সম্মানি ভাতা পান। এর বাইরে মুক্তিযোদ্ধারা দুই ঈদে দুটি বোনাস, বিজয় দিবস ভাতা ৫ হাজার টাকা এবং ২ হাজার টাকা বৈশাখী ভাতা পান। সব ভাতাই মোবাইলে পাবেন তারা। এ খাতে বছরে সরকারের ব্যয় হয় ৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

বর্তমানে বয়স্ক, বিধবা, মাতৃত্বকালীনসহ আট ধরনের ভাতা চালু আছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সমাজসেবা অধিদফতর এসব ভাতা সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছে দেয়। এর বাইরে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সম্মানি ভাতা চালু আছে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, অন্যসব ভাতা আংশিক ডিজিটাল করা হলেও প্রথমবারের মতো মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ভাতা পরিশোধ পদ্ধতি পুরোটাই ডিজিটালাইজড করা হল।
আগে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কোনো ডেটা ব্যাংক ছিল না। এ কারণে ভাতা নিয়ে নানা অনিয়ম-দুনীর্তির অভিযোগ রয়েছে। এখন পুরো প্রক্রিয়া অটোমেশন করার ফলে দুর্নীতি এবং হয়রানি কমবে বলে মনে করেন কর্মকর্তারা।
বর্তমান নিয়মে, মুক্তিযোদ্ধা মারা গেলে তার স্ত্রী ভাতা পান। স্ত্রীর মৃত্যু হলে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কিংবা বাবা-মা আমৃত্যু এ সুবিধা পান।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 banglahost
Design & Development By: Atozithost
Tuhin