মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই ২০২২, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ব্যবসায়িক হত্যার মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড রাজধানীর কমলাপুরে কালোবাজারের টিকিট বিক্রয়ের সময় ৫ জন আটক নরসিংদী ডিবি কর্তৃক ২০ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার রাজধানীর যাত্রাবাড়ি এলাকায় অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে দেড় লাখ টাকা খোয়ালেন ব্যবসায়ী জাপায় এরশাদের পরে রওশনের স্থান: বিদিশা মুন্সীগঞ্জে পিটিয়ে একজনকে গুরুতর আহত চাঁপাইনবাবগঞ্জে কাউন্সিলর রাজুর অতিষ্ঠে ৩ নাম্বার ওয়ার্ড বাসি ভুক্তভোগীর থানায় অভিযোগ জাতীয় প্রেসক্লাব মাঠে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা সাবেক ছাত্রলীগ নেতার যশোরের শার্শার বাগআঁচড়ায় ফেনসিডিলসহ দুজন আটক ঈদকে সামনে রেখে খুলে গেলো সিরাজগঞ্জের নলকা সেতু

অবশেষে ওমান থেকে মুসাকে গ্রেফতার করলো বাংলাদেশি পুলিশ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৯ জুন, ২০২২
  • ৮৪ Time View

মোঃ রাসেল সরকারঃ মতিঝিল আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি টিপু ও কলেজ ছাত্রী প্রীতি হত্যার অন্যতম প্রধান সন্দেহভাজন সুমন শিকদার ওরফে আবু সালেহ শিকদার ওরফে মুসা। এই প্রথমবারের মতো বিদেশে স্কট পাঠিয়ে আসামি গ্রেফতার করলো বাংলাদেশ পুলিশ। এক্ষেত্রে পুলিশ সদর দপ্তরের এনসিবি ওমান এনসিবি’র সহায়তা নেয়। মূসাসহ স্কটটি সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা বিমানবন্দরে নেমেছে।

এদিকে, মুসাকে ওমান থেকে বাংলাদেশে এনে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার রিফাত রহমান শামীম।
এর আগে, টিপু হত্যা মিশনের সব ঠিকঠাক করে ১২ মার্চ বাংলাদেশ ত্যাগ করেছিলেন মুসা। আন্ডারওয়ার্ল্ডে তিনি ‘শুটার মুসা’ নামে পরিচিত। জোড়া খুনের তদন্তে তার নাম আসার পরই নড়েচড়ে বসেছিলেন গোয়েন্দারা।

এরপর দেখা যায় কিলিং অপারেশনের ১২ দিন আগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে তিনি পালান। এরপর বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে বিদেশ থেকে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। মুসা প্রথমে দুবাই গেলেও পরে সেখান থেকে ওমান পালিয়ে যান। এরপর এনসিবি, ঢাকা ১০ মে এনসিবি, মাসকাটকে গ্রেফতারের অনুরোধ করে। পরে মুসাকে গ্রেফতারের বিষয়টি এনসিবি, মাসকাট ১৭ মে ঢাকা এনসিবিকে অবহিত করে।

সবশেষ ৩০ মে পুলিশ সদর দফতর বিধি মোতাবেক ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) শাহিদুর রহমান, এডিসি রফিকুল ইসলাম ও পুলিশ সদর দফতরের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দীনের সমন্বয়ে একটি টিমকে ওমান যাওয়ার সম্মতি প্রদান করে।

জানা গেছে, সুমন শিকদার হিসেবে পাসপোর্ট নিয়েছেন মুসা। সেখানে বাবার নাম আবু সাঈদ শিকদার। মা জরিনা আক্তার। স্ত্রী নাসিমা আক্তার। গ্রাম কইখাইন, পরাইখারা, আনোয়ারা, চট্টগ্রাম। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামে। ইমিগ্রেশনের তথ্য বলছে, ভ্রমণ ভিসায় বৈধ পথেই দেশ ছেড়েছেন মুসা। একসময় মুসা মিরপুরকেন্দ্রিক সন্ত্রাসী থাকলেও ধীরে ধীরে ঢাকায় নিজের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন। তার নামে কেবল পল্লবী ও মতিঝিল থানায় ১১টি হত্যা, অস্ত্র, মাদক ও চাঁদাবাজি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে কেবল পল্লবী থানায়ই ১০টি মামলা।

সবশেষ শাহজাহানপুরে দায়ের করা টিপু হত্যা মামলার এজাহারে মুসার নাম না থাকলেও তদন্তে উঠে এসেছে তার জড়িত থাকার তথ্য। টিপু হত্যার প্রধান শুটার মাসুম মোহাম্মদ ওরফে আকাশ এরই মধ্যে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনের ১৬৪ ধারা মোতাবেক আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সেখানে মুসার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ ছাড়া বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী বিকাশ-প্রকাশের আস্থাভাজন হিসেবে আন্ডারওয়ার্ল্ডে তার সুখ্যাতি রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 ajkerbd24.com
Design & Development By: Atozithost
Tuhin