• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ন

বিএনপি সভাপতি নাসিরের চাঁদাবাজি ও শালিশ বানিজ্যে অতিষ্ঠ সাধারন মানুষ!


প্রকাশের সময় : মার্চ ৬, ২০২৬, ২:০৪ পূর্বাহ্ন / ১২০
বিএনপি সভাপতি নাসিরের চাঁদাবাজি ও শালিশ বানিজ্যে অতিষ্ঠ সাধারন মানুষ!

নিজস্ব প্রতিবেদক, লক্ষ্মীপুরঃ লক্ষ্মীপুরের ১৮ নং কুশাখালী ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি নাসিরের বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও শালিশবানিজ্যে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।ব্যাপক অনুসন্ধানে জানা যায়,নাসির বিএনপির সাবেক সভাপতি। বিএনপির দু:সময়ে ইউনিয়নজুড়ে দলীয় কোন প্রগ্রামে অংশগ্রহণ না করলেও আজ দলের সুসময়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে।গত ৫ ই আগস্ট সৈরাচার সরকারের পতন হওয়ার মধ্য দিয়ে বেপরোয়া নাসিরের জন্ম হয় এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে বিভিন্ন ধরনের মব সৃষ্টি করে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে যায়।গুঞ্জন উঠেছে তার বেপরোয়া চাঁদাবাজি নিয়েও। কারও জমি দখল,দোকান উচ্ছেদ,বাড়ী নির্মাণ, জমিজমা ক্রয় বিক্রয় সবকিছুতেই মোটা অঙ্কের চাঁদা নিতো এই নাসির।শান্তিরহাট বাজার ব্যবসায়ী সহ আওয়ামীলীগ নেতা ও প্রবাসীদের কাছ থেকে অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে চাঁদা আদায় করছে সে। চাঁদাবাজির টাকা দিয়ে ইতোমধ্যে একটি আলীশান বাড়ি নির্মাণ করার পাশাপাশি হাকিয়ে বেড়াচ্ছে দামী গাড়ী।আগামীতে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার স্বপ্নেও বিভোর।

কুশাখালী ইউনিয়নের তৃনমুল নেতা-কর্মীরা বলছেন,চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত নাসির দলীয় কোন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ না করলেও অশুভ শক্তির অনুপ্রেরণায় দখল করে আছেন গুরুত্বপূর্ণ পদ।তারা আরো বলেন আওয়ামী শাসনামলের সময় যখন সিংহভাগ বিএনপির নেতাকর্মী নির্যাতিত, নিপিড়ীত হামলা ও মামলার স্বীকার ওই মুহুর্তে বিদেশ পাড়ি জমিয়েছে এই নাসির।এখন দলের সু-সময়ে বিদেশ থেকে দেশে এসেই হাল ধরেছে দলের শুধুমাত্র নিজের কার্যসিদ্ধি হাসিল করার জন্য।এমন কোন কুকর্ম নেই যা নাসির করছেনা।এদিকে এলাকার সচেতন মহল জানান,বিএনপি নেতা নাসির শালিশ বানিজ্যেও বেশ পটু।আনামত ছাড়া কোন শালিশি হয়না তার দরবারে।মানুষ নিরুপায় হয়ে সুষ্ঠু বিচারের আশায় আনামত ৫, ০০০ থেকে শুরু করে কেউ ৫০,০০০ টাকাও জমা দিতে হয়।পরবর্তীতে সুষ্ঠু সমাধান না পেয়ে হারাতে হয় আনামতের ওই টাকা।সাধারন মানুষ নাসিরের ভয়ে এতোদিন চুপচাপ থাকলেও বিএনপি সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনায় এখন কেউ কেউ মুখ খুলতে শুরু করেছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তিবর্গ জানান,গত ১২ ই ফেব্রুয়ারী জাতীয় নির্বাচনে এই ইউনিয়নে বেশীরভাগ ভোট জামাতে পরেছে এই নাসিরের কার্যকলাপে।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী ইউনিয়নবাসী ও তৃনমুল নেতৃবৃন্দ বিএনপির কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।