জিল্লুর রহমান সাগর, মাগুরাঃ সামনে আসছে ঈদুল ফিতর। ঈদ আসলেই নতুন পোশাকের চাহিদা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। নতুন জামা ছাড়া তো ঈদই যেন জমে না। দেশব্যাপী কাপড়ের চাহিদা বাড়ায় ভিড় বেড়েছে
শ্রীপুর উপজেলার খামারপাড়া বাজারে সেলিনা সুপার মার্কেট ভাই ভাই গার্মেন্টস এন্ড বস্ত্রালয় অন্যতম পাইকারি মার্কেট ও খুচরা বিক্রয় করে। ক্রেতা আকর্ষণ করতে সাজিয়ে রাখা হয়েছে বাহারি ডিজাইনের কাপড়।
গত কয়েকদিন সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, মালামাল বিক্রিতে ব্যস্ত দোকানি ও কর্মীরা। কেউবা কাপড় দেখাচ্ছেন, কেউ কেউ করছেন দরদাম। এক ক্রেতাকে দেখানো শেষ হলেও অন্য ক্রেতাকে কাপড় দেখাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
শ্রীপুরে রয়েছে বেশ কয়েকটি বড় মার্কেট।
তার মধ্যে অন্যতম খামারপাড়া বাজারে সেলিনা সুপার মার্কেটে ভাই ভাই গার্মেন্টস এন্ড বস্ত্রালয়, সুপার মার্কেট, আরো ইত্যাদি ইত্যাদিতে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, শ্রীপুরে উপজেলার অন্যতম পাইকারি ও খুচরা মার্কেট খামারপাড়া বাজারের সেলিনা সুপার মার্কেট ভাই ভাই গার্মেন্টস এন্ড বস্ত্রালয় । বিভিন্ন জেলাসহ মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন থেকেও আসছেন ক্রেতারা।
জানা যায়, সোলিনা মার্কেটে রয়েছে অনেক দোকান। এসব দোকানের সঙ্গে জড়িত প্রায় ১০০ মানুষ।
ব্যবসায়ীরদের তথ্যমতে, আগের চেয়ে কাপড়ের দাম বেড়েছে। শার্টের কাপড় প্রতি পিস ৩০০-৮০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে ভারতীয় অরবিন্দু ৫০০-৮০০, চায়না ৩৫০-৫০০, বাংলাদেশি অন্য শার্ট ৩০০-১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পান্জাবী কোরিয়া ৪০০-১০০০ টাকা, চায়না ৩০০-৭০০ টাকা, ইন্ডিয়ান ৫০০-৯০০ টাকা পযর্ন্ত,দেশি পান্জাবী ২৫০-৮০০ টাকা পর্যন্ত। প্রিন্টের শাড়ী-৪০০-১০০০ পর্যন্ত, লুঙ্গী -২৫০-৮০০ পর্যন্ত, থ্রি-পিস ৪৫০-৭০০ টাকা, বুটিক থ্রি-পিস ৪০০-৯০০, লিনেন ৪০০-৬০০ টাকা, জয়পুরী সুতি ৫৫০-৬৫০, সিল্ক ১০০০-১৬০০ টাকা।
এ ছাড়া পাঞ্জাবি ও জামার জন্য কাপড় পাওয়া যাচ্ছে ১৩০-৪০০ টাকা (প্রতি গজ) দামে।
সেলিনা সুপার মার্কেট খামার বাজারের ভাই ভাই গার্মেন্টস এন্ড বস্ত্রালয়ের মালিক তারিকুল ইসলাম তুহিন জানান, বেচাঁবিক্রি আলহামদুলিল্লাহ ভালো। এর আগে তো দুইটা বছর করোনার জন্য ব্যবসা করতে পারি নাই। এবার ব্যবসা আছে, ঈদের জন্য আস্তে ধীরে হয়তো আরও বাড়বে।
সেলিনা সুপার মার্কেট ভাই ভাই গার্মেন্টস এন্ড বস্ত্রালয়ের বিক্রেতা মো: রাব্বি বলেন- গত কয়েকদিনের চেয়ে এখন একটু ভালো। তবে শেষ দশ দিনে ভিড় বাড়বে। সবকিছুর একটুদাম বেশি তো। মানুষের হাতে টাকা আসলেই ভিড় বাড়বে।
লাঙ্গলবাদ থেকে কাপড় কিনতে আসা মো:মাসুম জানান, কাপড় কিনতে আসছি অনেক সকালে। মাগুরায় অনেক যানজট থাকে। অন্যান্য বারের চেয়ে কাপড়ের দাম এবার একটু বেশি। মালামাল কিনেছি, দেখা যাক।