• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন

সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলন হত্যা : জমিজমা বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার দিকগুলো গুরুত্ব দিয়ে তদন্তে পুলিশ


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ২০, ২০২৫, ৮:১১ অপরাহ্ন / ১৪৪
সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলন হত্যা : জমিজমা বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার দিকগুলো গুরুত্ব দিয়ে তদন্তে পুলিশ

খুলনা অফিসঃ খুলনায় সাংবাদিক ও বাজার কমিটির নেতা ইমদাদুল হক মিলন (৫০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, এলাকাভিত্তিক পূর্বশত্রুতাসহ তিন থেকে চারটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে হত্যাকাণ্ডের একদিন পার হলেও এর সুনির্দিষ্ট কারণ উদঘাটন কিংবা সন্দেহভাজন কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আহমেদ জানান, শুক্রবার দুপুরে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিহত ইমদাদুল হক মিলনের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা থানায় এলে মামলা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, আড়ংঘাটা এলাকায় কারা অবৈধ অস্ত্র বহন করছে—সে বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে আমরা কাজ করছি।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (উত্তর) সুদর্শন রায় বলেন, ইমদাদুল হক মিলন হত্যাকাণ্ডে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, এলাকাভিত্তিক পূর্বশত্রুতা ও আরও কয়েকটি দিককে সামনে রেখে তদন্ত চলছে। আশা করছি দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও হত্যাকারীদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে নগরীর আড়ংঘাটা থানার শলুয়া বাজারের একটি চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ইমদাদুল হক মিলন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ সময় দেবাশীষ বিশ্বাস নামে আরও একজন গুলিবিদ্ধ হন। দুজনেরই মাথায় গুলি লাগে।

নিহত ইমদাদুল হক মিলন শলুয়া গ্রামের মো. বজলুর রহমানের ছেলে। তিনি শলুয়া বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে কর্মরত ছিলেন।

গুলিবিদ্ধ দেবাশীষ বিশ্বাস শলুয়া গ্রামের রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসের ছেলে। তিনি বর্তমানে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।চিকিৎসকদের মতে, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।