• ঢাকা
  • শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন

সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করলেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভুঁইয়া লুটুল


প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ৬, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ন / ৯২
সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করলেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভুঁইয়া লুটুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী (টেলিফোন প্রতীক) কামরুজ্জামান ভূঁ্ইয়া লুটুল সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।

শুক্রবার (৬ই ফেব্রুয়ারি) গোপালগঞ্জ শহরের কাঁচাবাজার সংলগ্ন তার নির্বাচনি অফিসের সভাকক্ষে এই মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুল বলেন, আমি কোনো গোষ্ঠী বা বিশেষ স্বার্থের প্রার্থী নই। সাধারণ মানুষের অধিকার, ভোটের মর্যাদা এবং এলাকার প্রকৃত উন্নয়নের লক্ষ্যেই নির্বাচনে নেমেছি। তিনি তার নির্বাচনী এলাকার সকল ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে এসে ভোট দেওয়ার আহ্বান করেন। এসময় তিনি তার প্রতীক টেলিফোন মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার জন্য ভোট প্রার্থনা করেন।

মতবিনিময় সভায় তিনি আরো বলেন, আপনারা উপজেলা নির্বাচন থেকে আজ পর্যন্ত আমাকে দেখেছেন আমি কোনো অন্যায় কাজের মধ্যে নেই। আমি কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না সেই ভিত্তিতে সেই দাবিতে আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করব আজ থেকে নির্বাচনের দিন পর্যন্ত আপনাদের ক্যামেরা সজাগ থাকে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো বাধা-বিপত্তি হয় নাই। তিনি নির্বাচনী মাঠে প্রশাসনের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্ট সবাই এবারের নির্বাচনকে শতভাগ সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন। আর ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের কথায় আসলে আমি বলবো, আমার জানামতে আমার সংসদীয় আসনের এ পর্যন্ত কোথাও কোনো ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র চোখে পড়ে নাই।

তিনি তার নির্বাচনী পরিকল্পনা, প্রচারণার অভিজ্ঞতা এবং ভোটারদের সাড়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় তিনি গণমাধ্যমের বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসাও করেন।

তিনি নির্বাচিত হলে গোপালগঞ্জ-২ আসনে মানুষের দীর্ঘদিন ধরে যেসব সমস্যা রয়ে গেছে তার সমাধানসহ করণীয় সংক্ষিপ্ত আকারে দেওয়া হল- বিশেষ করে বেকারত্ব, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার মান উন্নয়ন ও অবকাঠামো সম্প্রসারণ। গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বই-খাতা ও শিক্ষা সহায়তা। আধুনিক কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা। ICT ও প্রযুক্তি উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তি (ICT) উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব। আধুনিক প্রযুক্তি ও স্কিল ট্রেনিং, ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করার সুযোগ সৃষ্টি। তরুণদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা। স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি, যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থা ও কৃষকদের ন্যায্যমূল্য— এসব বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করতে চান তিনি। দুঃখে-সুখে পাশে থাকা। মানবিক সহায়তা ও সামাজিক দায়িত্ব পালন। কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরতা নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি। তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ। স্থানীয়ভাবে শিল্প ও উদ্যোক্তা গড়ে তোলা।

মতবিনিময় সভায়, গোপালগঞ্জ জেলায় কর্মরত সকল প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।