শিরোনাম

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে ? উত্তপ্ত রাজনৈতিক অঙ্গন

ziaশওকত এ.সৈকত॥ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে? এ নিয়ে উত্তপ্ত রাজনৈতিক অঙ্গন। দুই দলের দুই নেত্রীসহ নেতাদের মধ্যে রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে চলছে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য। আওয়ামী লীগ-বিএনপির মধ্যে শুরু হওয়া এ বিতর্ক ছড়িয়েছে দেশজুড়ে। রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে নতুন এই বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্গাতা তারেক রহমান। অর্থাৎ ইতিহাস বিকৃতির অনাকাক্সিক্ষত এই আয়োজনের শুরু লন্ডন থেকে। অল্প সময়ের মধ্যেই বিদেশের মাটিতে দেয়া বিতর্কিত বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনীতিতে ঝড়ের মতো আছড়ে পড়েছে। রাষ্ট্রপতি নিয়ে বিএনপির নতুন করে ইতিহাস বিকৃতি করায় সারাদেশে বইছে নিন্দা আর প্রতিবাদের ঝড়।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইতিহাস বিকৃতির নতুন ষড়যন্ত্র হিসেবে বিএনপি এবার রাষ্ট্রপতি নিয়ে বিতর্ক শুরু করেছে। এর আগেও স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে শুরু হওয়া বিতর্কের অবসান হয় উচ্চ আদালতের রায়ের মধ্য দিয়ে। প্রমাণিত হয় বঙ্গবন্ধুই স্বাধীনতার ঘোষক। বিএনপির দলীয় ওয়েবসাইটেও জিয়াউর রহমানকে দেশের সপ্তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সত্যকে কখনই ঢেকে রাখা যায় না। এর মধ্য দিয়ে আবারও তা প্রমাণিত হলো। হঠাৎ করেই দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন? এ বিষয়টি কেন সামনে আনা হলো- তা নিয়েও আছে নানান বিশ্লেষণ। তবে খোদ বিএনপির অনেক শীর্ষ নেতাই ইতিহাস বিকৃতির বিষয়টি ভাল চোখে দেখছেন না। নেতাকর্মীরাও মনে করেন, জোর করে সঠিক ইতিহাসকে বিকৃত করা সম্ভব নয়। অনেকে মনে করেন, বিএনপির শীর্ষ নেতাদের মুখ থেকে রাষ্ট্রপতি নিয়ে মিথ্যা তথ্য দেয়ায় মূলত দলই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
স্বাধীনতার ৪৩ বছর পর প্রথম রাষ্ট্রপতি নিয়ে বিতর্ক তৈরি করায় অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। কারও বক্তব্য এটা অনাকাক্সিক্ষত। এর মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দেশপ্রেমের অভাব ও সঠিক ইতিহাসকে গ্রহণ করতে না পারার বাস্তবতা ফুটে ওঠেছে, যা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য মোটেও সুখকর নয়। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো সভ্য জাতি হিসেবে সঠিক ইতিহাস লালন করা। তাছাড়া পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই জাতির পিতাকে নিয়ে কোন বিতর্ক নেই। দেশের জন্মের ইতিহাস নিয়েও বিকৃতি নেই। নেই পাল্টাপাল্টি কোন অবস্থান। সঙ্গতকারণেই প্রশ্ন ওঠে-তাহলে আমাদের দেশে কেন?
মিথ্যা তথ্যের জন্য জাতির কাছে খালেদা জিয়াকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান ইনুর
রাষ্ট্রপতি বিতর্ক নিয়ে শুক্রবার তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে বলেছেন, ‘কিভাবে মেজর রাষ্ট্রপতি হলেন? এই উদ্ভট তথ্য পরিহার করুন ও মিথ্যাচার বন্ধ করুন।’ তিনি বলেছেন, জিয়াউর রহমানকে প্রথম রাষ্ট্রপতি বলা মিথ্যাচারের পর্যায়ে পড়ে। কুষ্টিয়া সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন হাসানুল হক ইনু। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যুদ্ধের সময় প্রথম রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সরকারের অধীনে মেজরের চাকরিতে বহাল থেকে যুদ্ধ করেছেন। পরবর্তীতে উনি কর্নেল হয়েছেন, সেনাবাহিনীর উপপ্রধান হয়েছেন, প্রধান হয়েছেন এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর নিজে নিজেই সামরিক শাসক হয়েছেন। সুতরাং জিয়াকে প্রথম রাষ্ট্রপতি বলাটা একটা মিথ্যাচার।’
খালেদা জিয়া জিয়াউর রহমানকে প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দাবি করা প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমানের জীবদ্দশায় এবং খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালে এই উদ্ভট তথ্য তাদের মুখে শোনা যায়নি। অথচ লাখো কণ্ঠে যখন সোনার বাংলা সারাদেশে প্রচারিত হচ্ছে, খালেদা জিয়া তখন ঘরে বসে জাতীয় সঙ্গীতে শরিক না হয়ে উদ্ভট তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছেন। রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে মিথ্যা তথ্য দেয়ায় খালেদা জিয়াকে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ারও পরামর্শ দেন ইনু।
জিয়া কেন প্রথমÑ ব্যাখ্যা দিলেন রফিকুল
রাষ্ট্রপতি নিয়ে মিথ্যাচার করায় বিএনপি যথন সমালোচনার মুখোমুখি ঠিক তখন দলের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরলেন ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া। শুক্রবার রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, একাত্তরে স্বাধীনতা ঘোষণার পর থেকে মুজিবনগর সরকার গঠনের আগ পর্যন্ত ‘বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ’ জিয়াউর রহমানের হাতেই ছিল বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া।
তিনি বলেন, ২৫ মার্চ পাকিস্তান বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ শুরু হলে চট্টগ্রামে মেজর জিয়াউর রহমান নিজে প্রথমে ‘আই রিভোল্ট’ বলে বিদ্রোহ করে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। ওই সময় থেকে স্বাধীন দেশের প্রবাসী সরকার গঠনের আগ পর্যন্ত কারা সরকার ও দেশ পরিচালনা করেছে? ওই সময়ে জিয়াউর রহমানের নিয়ন্ত্রণে ছিল দেশ। তিনিই কার্যত এ দেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে ছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া এ কথাটি বলেছেন; এটাই সত্য। বিএনপি চেয়ারপার্সনের বড় ছেলে ও দলের জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত ২৬ মার্চ লন্ডনে এক অনুষ্ঠানে বলেন, জিয়াউর রহমানই ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি। এর এক দিন পর ঢাকায় জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের এক অনুষ্ঠানে তাঁর মা খালেদা জিয়াও একই দাবি তোলেন। খালেদার বক্তব্যের ব্যাখ্যায় রফিকুল ইসলাম বলেন, ২৫ মার্চ থেকে ১৭ এপ্রিল স্বাধীন দেশের প্রবাসী সরকার গঠনের পূর্ব পর্যন্ত সময়কালটি আপনারা বিবেচনা করে দেখুন।
ফিরে দেখা : মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আমবাগানে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথগ্রহণ করে, যাকে বলা হয় মুজিবনগর সরকার। ২৫ মার্চ কালরাতে নিরস্ত্র বাঙালীর ওপর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার পর শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। এর পর ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র রূপে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা ঘোষণা করা হয়। সেই ঘোষণাপত্রে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণাকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন ও অনুমোদন করা হয়। ১০ এপ্রিলের ঘোষণাপত্রে দেশের সংবিধান প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপতি এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামকে প্রজাতন্ত্রের উপ-রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়।
তাজউদ্দিন আহমেদ অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী, খন্দকার মোশতাক আহমেদ পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ মনসুর আলী অর্থমন্ত্রী এবং এএইচএম কামরুজ্জামান স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রীর দায়িত্ব পান। জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী অস্থায়ী সরকারের মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি এবং মেজর জেনারেল আবদুর রব চীফ অব স্টাফ নিযুক্ত হন। ১১ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ জাতির উদ্দেশে বেতার ভাষণ দেন। আকাশবাণী থেকে প্রচারিত ওই ভাষণের মধ্য দিয়েই দেশ-বিদেশের মানুষ জানতে পারে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম পরিচালনার লক্ষ্যে একটি আইনানুগ সরকার গঠিত হয়েছে।
১৭ এপ্রিল সকালে মুজিবনগরে শপথগ্রহণের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠা লাভ করে। পরদিন এ খবর দেশ-বিদেশের পত্রপত্রিকা এবং সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হয়। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের পর রাজনৈতিক পালাবদলের এক পর্যায়ে ক্ষমতার কেন্দ্রে আসেন মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডারদের একজন জিয়া। সামরিক আইন বলে শাসনের পর রাষ্ট্রপতিও হন তিনি।
বিএনপির ওয়েবসাইটেও জিয়া সপ্তম রাষ্ট্রপতি : বিষয়টি খুবই মজার! বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ও তাঁর পুত্র তারেক রহমান যখন দেশের প্রথম রাষ্ট্রপ্রতি নিয়ে ইতিহাস বিকৃতির অপচেষ্টা করছেন, ঠিক তখনও বিএনপির ওয়েবসাইটে ঝুলছে জিয়াউর রহমান দেশের সপ্তম রাষ্ট্রপতি! অর্থাৎ সত্য কখনও চাপা থাকে না। সত্যকে যে দমিয়ে রাখা যায় না, তা আবারও প্রতিষ্ঠিত হলো। খোদ বিএনপির ওয়েবসাইটেও জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের সপ্তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখানোয় বিএনপির অনেক নেতার চোখ কপালে উঠেছে। এ নিয়ে দলের পক্ষ থেকেও অনেকেই চুপ। অর্থাৎ ইতিহাস বিকৃতির দায় দলের লোকজনও নিতে নারাজ।
বিএনপির দলীয় ওয়েবসাইটের  তথ্যই দলটির দুই কা-ারি খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বক্তব্যকে মিথ্যা প্রমাণ করেছে।
ওয়েবসাইটটিতে বিএনপিকে বলা হয়েছে ‘১৯৭৮ সালে বাংলাদেশের সপ্তম রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান দ্বারা প্রতিষ্ঠিত দলটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দল।’
প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করার দায় নিতে হবে খালেদা জিয়াকে- সুরঞ্জিত
প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বলে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দেয়ায় বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। শুক্রবার রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। সুরঞ্জিত বলেন, সমগ্র জাতি যখন জাতীয় সঙ্গীতের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ, তখন খালেদা জিয়া ও তাঁর ছেলে জাতিকে এ ধরনের উদ্ভট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছেন। অথচ জিয়াউর রহমান জীবিত থাকতে কখনও এ ধরনের দাবি করেননি। এ ধরনের কথা বলে নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করার দায়ে তাঁকে (খালেদা জিয়া) জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। নতুন প্রজন্ম যেভাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ, তাতে তিনি (খালেদা জিয়া) নতুন করে তাদের বিভ্রান্ত করতে পারবেন না।
ইতিহাস বিকৃতির নবতর সংযোজন- সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম
দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে জিয়াকে দাবি করার ঘটনাকে ইতিহাস বিকৃতির নবতর সংযোজন বলে মনে করে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ ’৭১। শুক্রবার ফোরামের পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হারুন হাবীব স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ ’৭১ অত্যন্ত ক্ষোভ ও উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি একটি রাজনৈতিক মহল থেকে প্রয়াত জেনারেল জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে অভিহিত করার অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এ ধরনের উদ্ভট দাবিকে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ ’৭১ কেবলমাত্র ঐতিহাসিক সত্যেরই নির্লজ্জ অপলাপ বলেই মনে করে না, বরং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির যে ধারাবাহিক অপচেষ্টা চলে আসছে তারই নবতর সংযোজন বলে মনে করে। এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে দেশপ্রেমিক নাগরিককে সোচ্চার ভূমিকা রাখতে সংগঠনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের ২৫১ সংস্কৃতি কর্মী। বিবৃতিদাতাদের মধ্যে আছেন এটিএম শামসুজ্জামান, সৈয়দ হাসান ইমাম, আলী যাকের, ফেরদৌসী মজুমদার, পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, ড. ইনামূল হক, ফাল্গুনী হামিদ, সুকুমার রঞ্জন ঘোষ, রোকেয়া প্রাচী, চিত্রনায়ক রাজ্জাক, আলমগীর, মাহমুদ কলি, দিতি প্রমুখ।

Be Sociable, Share!
বিভাগ: প্রধান খবর - ১, রাজনীতি

এখনো কোন মন্তব্য করা হয়নি.

মন্তব্য করুন

*