

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানী উন্নয়ন কতৃপক্ষের কণিষ্ট হিসাব সহকারী ফরিদ আহমেদ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি আজ শত কোটি টাকার মালিক এমনটাই বলছে তার নিকটাত্মীয়রা।
রাজউকে চাকরি পাওয়া মানে এ জেনো একটা সোনার হরিণ হাতে পাওয়ার মত। অফিস সহকারী থেকে শুরু করে উর্দ্ধতন কর্মকর্তা পর্যন্ত রাজউকের সবাই যেন মেতে আছে অর্থ উর্পাজনের নেশায়। যে যেখানে কর্মরত অবস্থায় আছে সে সেখান থেকেই কৌশলে ফাইল বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনে মেতে আছেন। এতে এক দিকে যেমন প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে অন্যদিকে সাধারণ জনগণের হচ্ছে অর্থের দণ্ডি ও প্রতরণার স্বীকার এবং সাধারণ জনগণের মনের ভিতর একটাই কথা সাড়া দেয়।
রাজউকের ফাইল নিয়ে ঢুকা মানেই পকেটে প্রচুর অর্থ নিয়ে ঢুকা। কারণ টাকা ছাড়া তো কোন ফাইল নড়ে না। টাকা না দিলে নানা অজুহাত দেখিয়ে ফাইল আটকিয়ে রাখা হয় দিনের পর দিন।
প্রচলিত একটি প্রবাদে বলা আছে সর্বাঙ্গে ব্যাথা ঔষধ দেবো কোথায়। রাজউকের অবস্থা ঠিক তেমনই।
একাধিক সূত্র মতেঃ কণিষ্ট অফিস সহকারী ফরিদ আহমেদ দীর্ঘদিন অন্য একটি সেকশনে বদলী থাকা সত্ত্বেও টাকার নেশায় তিনি প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ সেকশনে ডিউটি করেছেন। কারন সেখানে আছে টাকার ছড়াছড়ি। তিনি প্রধান নগর পরিকল্পনা শাখায় ডিউটি করে ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি এখন শত কোটি টাকার মালিক।
সরকারী বিধি মালা অনুসারে যে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকবে সেই প্রতিষ্ঠানে নিজে ঠিকাদারী ব্যবসা করা যাবে না। কিন্তু উক্ত ফরিদ আহমেদ সেটাও রীতিমত পরিচালনা করেছেন। কিছু দিনের জন্য উত্তরায় বদলি হলেও প্রতিদিন তাকে দেখা যায় প্রধান কার্যালয়ে ফাইল নিয়ে ছোটা-ছোটি করতে।
অনেকের ধারনা রাজউকের যে সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরা অনিয়মের পারদর্শী তাদের আবার নিয়মিত সবার আগে পদোন্নতিও দেওয়া হয়। তেমনি একজন কণিষ্ট কর্মচারী ফরিদ আহমেদ যিনি অনিয়ম ও দূর্নীতি করে শত কোটি টাকার মালিক এবং প্রমোশনটাও কৌশলে বাগিয়ে নিয়েছেন।
ফরিদ আহমেদ দূর্নীতি, ঘুষ ও ফাইল বাণিজ্য করে মেরুল বাড্ডায় ডিআইটি প্রজেক্টে রোড-১০, বাড়ী-৩৯, ৭ তলা ভবনটি নির্মান করেছেন তার নিজের অর্থ দিয়ে। এছাড়াও আশুলিয়ায় বিশাল আকারে পাইপ ফ্যাক্টরীর মালিক এই ফরিদ আহমেদ। পূর্বাচলে রোড-৩২৭, প্লট-৪৫, ৪৮, ৫০ প্রতিটি ৩ কাঠার যাহার মালিক ফরিদ আহমেদ। ঝিলমিল এলাকায় ৭ কাঠার প্লট তার স্ত্রীর নামে অবৈধভাবে ফাইল বাণিজ্য ও ঘুষের টাকার মাধ্যমে এই সম্পত্তির পাহাড় ঘড়েছেন তিনি।
সর্বসাধারণের প্রশ্ন সাধারণ একজন রাজউকের কর্মচারী হয়ে এতো সম্পদ ও টাকার মালিক কি ভাবে হলো?
এ ব্যাপারে ফরিদ আহম্মেদের সাথে কয়েক দফা যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
চলবে….
আপনার মতামত লিখুন :