

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাঃ ভবনের নকশা অনুমোদন ও তদারকি দুটোই করে রাজউক। এক্ষেত্রে তদারকির দায়িত্ব অন্য সংস্থাকে দিলে আরো যুক্তিযুক্ত ও কার্যকর করা।
ভূমিকম্প ঝুঁকি রোধে রাজউকের সরকারি সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব রয়েছে। নগর পরিকল্পনা ও ভবন নির্মাণে রাজউকের ত্রুটি-বিচ্যুতি ও দায় রয়েছে। দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত, মামলা, জেল-জরিমানা এমনকি ফৌজদারি ব্যবস্থা নেয়া।
অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজউক চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থাকলেও গত ১৯ মাসে তার করতে পারেনি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম। অপরদিকে নগর পরিকল্পনা ও ভবন নির্মাণে নামে নাগরিকদের হয়রানি বাড়িয়েছেন। অন্যদিকে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রক্ষা করে আসছেন। সাবেক দুই উপদেষ্টা নিয়ে তিনি ব্যবস্থা থাকরতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার আমলে অনেক তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে থেকে পাঠিয়ে দিলেও সেই কর্মকর্তাদের রিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেনি। অনেক কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিতে পারেনি।
ইতোমধ্যে চেয়ারম্যান অবৈধভাবে নিজের নামে নিয়েছেন একাধিক প্লট। এদিকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান চুক্তিতে নিয়োগ পাওয়া প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম গত আটারো মাসে কিছুই করতে পারেনি। আগামী ৮ মার্চ তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। সে কারণে প্রতিদিনই চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে ঘুরছেন চেয়ারম্যান।
চুক্তিতে থাকতে মরিয়া হয়ে দৌড় ঝাপ শুরু করেছে প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলাম। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্রধান কার্যালয়ে প্রবেশের জন্য করা হয়েছে নতুন নিয়ম। ভবনে প্রবেশের সময় এন্ট্রি পাসের জটিলতায় সেবা নিতে আসা মানুষদের পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে। প্রয়োজনীয় কাজ করতে এসে অনেকেই পড়ছেন অনিশ্চয়তা ও হয়রানির মুখে। এতে সেবা প্রত্যাশীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ ও অসন্তোষ।
এ বিষয়ে রাজউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রিয়াজুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করে তিনি ধরেননি।
রাজউকে সাধারন মানুষ আসে সেবা নিতে। সেখানে এ সংস্থায় টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না। এখন আবার নতুনভাবে ভোগান্তি তৈরি করেছে। রাজউকে প্রবেশে নানা প্রশ্নবানে জর্জরিত করা হচ্ছে। আমাদের তারা আর কত ভোগাবে তা বুঝে আসে না। এ সবই করা হয় নিজেদের অনিয়ম ও দুর্নীতি ঢেকে রাখার জন্য।
রাজউকের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে অভিযোগ করেছেন হাসিনুর রহমান নামের এক সেবাপ্রত্যাশী। সংস্থাটির প্রধান ফটকের সামনে হাসিনুর রহমানের সঙ্গে সম্প্রতি কথা হয়। ওই দিন ভেতরে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় তিনি ক্ষোভও প্রকাশ করেন। হাসিনুর রহমানের অভিযোগগুলোর বিষয়ে নানাভাবে খোঁজ নেন এই প্রতিবেদক।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে রাজউকের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার একই চিত্র পাওয়া যায়। রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, মতিঝিল, বাড্ডা ছাড়াও পূর্বাচল নতুন শহর আর ঝিলমিলের মতো বড় এলাকার জমি সংক্রান্ত যেকোনো কাজে রাজউকে আসতে হয়। জমি সংক্রান্ত যেকোনো কাজে ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে নিতে চাহিদা মতো অর্থ দিতে হয়। এ ছাড়া যেকোনো স্থাপনা করতে গেলে সেখানে নকশা অনুমোদন কমিটির সবাইকে টাকা দিতে হয়।
কয়েকজন সেবাপ্রত্যাশী বলেন, রাজউকের একজন কর্মচারী জানান, ভবনে প্রবেশের ক্ষেত্রে আগে এই নিয়ম না থাকলেও, কিছু দিন ধরে এন্ট্রি পাস পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। তবে হঠাৎ করে এই নিয়ম কেন করা হয়েছে, সেটা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।
রাজউক ভবনে প্রবেশ করার সময় আনসার ও দায়িত্বরত কর্মচারীরা সেবাগ্রহীদের বাধা দিচ্ছেন। এন্ট্রি করার জন্য ভবনের একটি কক্ষের মধ্যে সেবা প্রত্যাশীরা লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। এ সময় তাদের নাম, কেন এসেছেন, কার কাছে যাবেন— এসব প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হচ্ছে। অনেক সেবাপ্রত্যাশী ভেতরে প্রবেশ করতে না পেরে চেয়ারে বসে আছেন। তাদের চোখেমুখেও ফুটে উঠেছে বিরক্তির ছাপ।
গত ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে রাজউকের চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসেন প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম। প্রকৌশলীদের নেতা হিসেবে পরিচিত রিয়াজুল ইসলাম এর আগে কোনো সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেননি। ফলে তার সময়ে হাতে গোনা কয়েকটি এজেন্ডা পার করা গেলেও মোটাদাগে রাজউকের সার্বিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।
প্রকল্প থেকে শুরু করে রাজউকের মূল কার্যক্রম অর্থ্যাৎ উন্নয়ন কাজেও দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা চোখে পড়ছে না। রিয়াজুল ইসলামের দায়িত্বের বেশির ভাগ সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে প্রশাসন ক্যাডারের প্রেষণে আসা কর্মকর্তাদের চাপ সামলাতে।
এরই মধ্যে সার্ভার হ্যাক করে নকশা পাস করানোর মতো ভয়ঙ্কর ঘটনাও ঘটেছে চেয়ারম্যানের সময়ে। তাই দায়িত্বশীল মহল মনে করছেন, মূলত প্রকৌশলসহ দাপ্তরিক নানা কাজে দক্ষতা আছে প্রশাসন ক্যাডারের-এমন কর্মকর্তা না হলে রাজউকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর যথাযথভাবে চলবে না।
রাজউকের প্রকৌশলী নূরুল ইসলাম প্রধান প্রকৌশলীর (বাস্তবায়ন) পদে থাকা অবস্থায় পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকের (পিডি) চেয়ারও দীর্ঘ সময় ধরে দখলে রেখেছেন। এরপর সম্প্রতি প্রধান প্রকৌশলীর (নকশা) চেয়ার ফাঁকা হওয়ার পর আবার সেটিও দখলে নেন তিনি। তবে গত সপ্তাহে সংস্থাটির আরেক প্রকৌশলী মোজাফফর আহমেদকে প্রধান প্রকৌশলী (নকশা) পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী (বাস্তবায়ন) নুরুল ইসলাম পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের পিডির দায়িত্বে থাকা অবস্থায় নিজ নামে ও তার ভাইয়ের নামে পূর্বাচল ১ নম্বর সেক্টরের ২০৩/জি নম্বর রোডের ১৬ নম্বর প্লট এবং একই রোডের ১৫ নম্বর প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন। শুধু ৫ কাঠা আয়তনের এসব প্লটই নয়, তারা প্লটগুলোর সামনের অংশের ড্রেন নির্মাণের জায়গার কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০ ফুট দখলে নিয়ে দেয়াল দিয়েছেন। যার ফলে ঠিকাদার প্রকল্প এলাকায় এ অংশে এসে আর ড্রেনের কাজ করতে পারেনি। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের মধ্যে কানাঘুষা চললেও প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলছে না।
যদিও নূরুল ইসলাম দাবি করেছেন, তিনি ড্রেনের জায়গা আগে দখলে রাখলেও নানা সমালোচনার পর বর্তমানে তা ছেড়ে দিয়েছেন।
জানা গেছে.বর্তমানে সব সময় দুর্নীতির অভিযোগে রাজউক তটস্থ থাকলেও বছর দেড়েক ধরে তা খুব বেশি ভাবিয়ে তুলছে সংশ্লিষ্টদের।
এর মধ্যেই সম্প্রতি একটি বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িয়ে কমপক্ষে ৩০ জনের মতো কর্মকর্তা-কর্মচারী দুদকের মামলায় আসামি হয়েছে। এই ঘটনায় রাজউকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এ ছাড়া একাধিক কর্মচারী, অথরাইজড অফিসার, প্রকৌশলী, স্থপতি, নগর পরিকল্পনাবিদ ও প্রেষণে আসা কর্মকর্তারাও দুদকের মামলার আসামি হয়েছেন। এর মধ্যে কারও কারও বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। আবার বিগত সরকারের সময় বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন প্রকল্পের সঙ্গে জড়িতদেরও দুদকে গিয়ে দৌড়ঝাপ করতে হচ্ছে।
রাজউকে প্রবেশে নানা প্রশ্নবানে জর্জরিত করা হচ্ছে। আমাদের তারা আর কত ভোগাবে তা বুঝে আসে না। এ সবই করা হয় নিজেদের অনিয়ম ও দুর্নীতি ঢেকে রাখার জন্য। রাজউকের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে এসব অভিযোগ করেছেন হাসিনুর রহমান নামের এক সেবাপ্রত্যাশী। সংস্থাটির প্রধান ফটকের সামনে হাসিনুর রহমানের সঙ্গে সম্প্রতি কথা হয়। ওই দিন ভেতরে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় তিনি ক্ষোভও প্রকাশ করেন।
হাসিনুর রহমানের অভিযোগগুলোর বিষয়ে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে রাজউকের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার একই চিত্র পাওয়া যায়।
রাজউকের কয়েকজন কর্মচারী জানান, ভবনে প্রবেশের ক্ষেত্রে আগে এই নিয়ম না থাকলেও, কিছু দিন ধরে এন্ট্রি পাস পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। তবে হঠাৎ করে এই নিয়ম কেন করা হয়েছে, সেটা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি।
রাজউক ভবনে প্রবেশ করার সময় আনসার ও দায়িত্বরত কর্মচারীরা সেবাগ্রহীদের বাধা দিচ্ছেন। এন্ট্রি করার জন্য ভবনের একটি কক্ষের মধ্যে সেবাপ্রত্যাশীরা লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। এ সময় তাদের নাম, কেন এসেছেন, কার কাছে যাবেন— এসব প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হচ্ছে। অনেক সেবাপ্রত্যাশী ভেতরে প্রবেশ করতে না পেরে চেয়ারে বসে আছেন। তাদের চোখেমুখেও ফুটে উঠেছে বিরক্তির ছাপ।
রাজউক থেকে সেবা নেওয়া কয়েকজন ভুক্তভোগীর অভিযোগ, প্রতিটি কাজের জন্য টাকা দিতে হয়। এক্ষেত্রে কোন কাজে কী পরিমাণ টাকা দিতে হয় তা নির্ধারণ করে দেওয়া আছে। আর এসব কাজ করে রাজউকের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীরাও কিছুদিনের মধ্যে কোটিপতি বনে যান। আবার রাজউকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজসে গড়ে উঠেছে দালাল সিন্ডিকেট। তাদেরকে কর্মকর্তাদের কক্ষে বসেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা দিতে দেখা যায়। দালাল সিন্ডিকেটের সদস্যদের মধ্যে কেউ কেউ রাজনৈতিক দলের নেতা পরিচয় দেয় আবার কেউ কেউ কৌশল হিসেবে নামকাওয়াস্তে গণমাধ্যমে কর্মরত বলেও পরিচয় দেন।
ভেঙ্গে পড়েছে সেবা কার্যক্রমঃ গত ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে রাজউকের চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসেন প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম। প্রকৌশলীদের নেতা হিসেবে পরিচিত রিয়াজুল ইসলাম এর আগে কোনো সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেননি। ফলে তার সময়ে হাতে গোনা কয়েকটি এজেন্ডা পার করা গেলেও মোটাদাগে রাজউকের সার্বিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। প্রকল্প থেকে শুরু করে রাজউকের মূল কার্যক্রম অর্থ্যাৎ উন্নয়নকাজেও দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা চোখে পড়ছে না। রিয়াজুল ইসলামের দায়িত্বের বেশির ভাগ সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে প্রশাসন ক্যাডারের প্রেষণে আসা কর্মকর্তাদের চাপ সামলাতে। এরই মধ্যে সার্ভার হ্যাক করে নকশা পাস করানোর মতো ভয়ঙ্কর ঘটনাও ঘটেছে চেয়ারম্যানের সময়ে।
তাই দায়িত্বশীল মহল মনে করছেন, মূলত প্রকৌশলসহ দাপ্তরিক নানা কাজে দক্ষতা আছে প্রশাসন ক্যাডারের-এমন কর্মকর্তা না হলে রাজউকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর যথাযথভাবে চলবে না।
রাজউকের প্রকৌশলী নূরুল ইসলাম প্রধান প্রকৌশলীর (বাস্তবায়ন) পদে থাকা অবস্থায় পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকের (পিডি) চেয়ারও দীর্ঘ সময় ধরে দখলে রেখেছেন। এরপর সম্প্রতি প্রধান প্রকৌশলীর (নকশা) চেয়ার ফাঁকা হওয়ার পর আবার সেটিও দখলে নেন তিনি। তবে গত সপ্তাহে সংস্থাটির আরেক প্রকৌশলী মোজাফফর আহমেদকে প্রধান প্রকৌশলী (নকশা) পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।রাজউকের প্রধান প্রকৌশলী (বাস্তবায়ন) নুরুল ইসলাম পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের পিডির দায়িত্বে থাকা অবস্থায় নিজ নামে ও তার ভাইয়ের নামে পূর্বাচল ১ নম্বর সেক্টরের ২০৩/জি নম্বর রোডের ১৬ নম্বর প্লট এবং একই রোডের ১৫ নম্বর প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন। শুধু ৫ কাঠা আয়তনের এসব প্লটই নয়, তারা প্লটগুলোর সামনের অংশের ড্রেন নির্মাণের জায়গার কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০ ফুট দখলে নিয়ে দেয়াল দিয়েছেন। যার ফলে ঠিকাদার প্রকল্প এলাকায় এ অংশে এসে আর ড্রেনের কাজ করতে পারেনি। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের মধ্যে কানাঘুষা চললেও প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলছে না। যদিও নূরুল ইসলাম দাবি করেছেন, তিনি ড্রেনের জায়গা আগে দখলে রাখলেও নানা সমালোচনার পর বর্তমানে তা ছেড়ে দিয়েছেন।
আপনার মতামত লিখুন :