শিরোনাম

বিএনপিতে ‘ভাঙন’ কি সহজ ব্যাপার?

2016_01_11_10_36_53_i5T7H5qBjoch33bqv35ZeGC2WQjLOg_originalমুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন এখন অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। কারণ দেশে এখন কোনো ‘শক্তিশালী’ বিরোধী দল না থাকায় সরকারের জন্য পোয়াবারো। একটি দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় একে কখনো আমরা শুভ লক্ষণ বলতে পারি না। তাই হয়তো আগামী নির্বাচনকে টার্গেট করে একটি নতুন সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দল এখন প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহনতা না থাকলে আগামী ২০১৯ সালের নির্বাচন ২০১৩ এর ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মত সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্য না হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন। তবে সরকার বিরোধী একটি নুতন রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা হলে ২০১৯ নির্বাচনে তাদের ভালো ফলাফল করার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। চলতি বছরের যে কোনো সময় আনুষ্ঠানিকভাবে এধরনের একটি রাজনৈতিক দলের ঘোষণা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে ভেতরে ভেতরে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়ে একটি রাজনৈতিক দল গঠনের কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। নতুন এই দলে আসলেও আসতে পারেন বিএনপিতে কোনঠাসা হয়ে থাকা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ও আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির সংস্কারপন্থি সাবেক নেতারা। একই সঙ্গে জাতীয় পার্টি, জাসদ, বাসদ সহ অন্যান্য ছোটখাটো বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের নেতারা এই নতুন দলে যোগ দেওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। বিএনপি জামায়াত জোটের মত মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী ইতিহাসকে বিকৃত না করে জনগণ এখন নতুন একটি সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দল দেখতে চায়। এছাড়া ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে খালেদা জিয়ার মিথ্যা জন্মদিন পালন থেকে এদের অনেকেই এখন দূরে সরে আসতে চান।

বাংলাদেশের পেছনের ইতিহাসের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে স্বাধীনতার পর পর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) তত্কালীন সরকারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী বিরোধী দলের অবস্থানে ছিল। সেই সময়ে সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দল হিসেবে জাসদ সারা বাংলাদেশে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। এজন্য তাদের মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী ইতিহাসকে বিকৃত করতে হয়নি। সরকারের ভেতরে থাকা বিভিন্ন দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারকে তুলে ধরে দলটি দেশের মানুষের কাছে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ডাক দিয়েছিল। দেশের বর্তমান সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আজ অনেকেই আশা করছেন এধরনের একটি নতুন রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব হোক যেমনটি হয়েছিল স্বাধীনতা পরবর্তীতে জাসদ।

তবে একথা সত্য যে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে থাকা বর্তমান বিএনপি এখনো বাংলাদেশের রাজনীতিতে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। কিন্তু এর প্রধান কারণ জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া কিংবা তারেক রহমান নয়। বাংলাদেশের রাজনীতিতে যারা আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বিরোধী তারা যতদিন বিএনপিতে থাকবেন ততদিন বিএনপি দেশের একটি বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে অবস্থান করবে। বাংলাদেশে বিএনপি ছাড়া এই মুহুর্তে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে অন্য কোনো শক্তিশালী রাজনৈতিক প্লাটফর্ম নেই। সুতরাং বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও রাজনীতি আওয়ামী লীগ বিরোধীদের পছন্দ না হলেও তারা এইসময় বিএনপির জোটে থাকাটাই সঠিক মনে করছেন। ফলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপির অবস্থান একটি শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবেই থাকবে। তবে বিএনপির এই অবস্থা কতদিন থাকবে সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। কারণ এখন চারিদিকে  চলছে ২০ দলীয় জোট ভাঙ্গার বাতাস।

বিএনপির বর্তমান রাজনীতিতে অনেকেই এখন হতাশায় ভুগছেন। তাদের অনেকেরই আজ প্রশ্ন, আর কতদিন বিএনপি চলবে এভাবে? বিএনপি বর্তমানে একেবারে নাজুক অবস্থায় পথ চলছে বলে তারা মনে করেন। খালেদা জিয়ার গত ৫ জানুয়ারির ভাষণ কি তাহলে তারই প্রমাণ করছে? তবুও বলতে হবে বিএনপি আছে বিএনপি থাকবে। তবে বিএনপির এই অবস্থানে থাকাটা নির্ভর করবে আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বিরোধীদের বিএনপিতে থাকা আর না থাকার উপর। এধরনের চিন্তাধারার রাজনৈতিক জোট যতদিন আরেকটি নতুন রাজনৈতিক প্লাটফর্ম খুঁজে না পাবে ততদিন তারা বিএনপিতেই অবস্থান করবে। ফলে এমন অবস্থায় সরকার যতো কথাই বলুক না কেন বিএনপিকে দুর্বল করা কঠিন। এই কারণেই বেগম খালেদা জিয়া দলের অভ্যন্তর থেকে শত বাধা আসা সত্বেও জামায়াত সহ অন্যান্য স্বাধীনতা বিরোধী দলগুলোকে বিএনপিতে ধরে রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিএনপির মতো বিকৃত না করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে একটি নুতন রাজনৈতিক জোট প্রতিষ্ঠা করার কাজ অনেকদুর এগিয়েছে বলে জানা গেছে। তাই আজ অনেকেই এখন চিন্তা করছেন এভাবে দুর্বল বিএনপির নেতৃত্বের উপর নির্ভর না করে সরকার বিরোধী একটি নুতন রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করার কথা।

এছাড়া এতদিন সাবেক রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমানের স্তম্ব দাড়া করে এবং সাথে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃতি করে বিএনপি যে রাজনীতি করেছে এখন আর তাদের পক্ষে সে ধরনের রাজনীতি করা সম্ভব নয়। কারণ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার ফলে বিএনপি সৃষ্টির আসল গোমর তারা নুতন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে মিথ্যা ইতিহাস রচনা করে বিএনপি পাকিস্থান ফেরত বাঙালি সামরিক অফিসারদের সহযোগিতায় দেশ শাসনের যে সুযোগ এতদিন পেয়েছিল এখন আর সেই সুযোগ নেই। দেশের সেনাবাহিনীতে এখন আর পাকিস্তান ফেরত কোনো বাঙালি সেনা অফিসার নেই। যারা আছেন তারা সকলেই স্বাধীন বাংলাদেশের সেনা।

সুতরাং আগের মত পাকিস্থান ফেরত ও বাংলাদেশি এই দুই পক্ষের সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে যে মতানৈক্য ছিল এখন আর সেনাবাহিনীতে সেধরনের কোনো দন্ধ থাকার কথা নয়। অনেকের মতে সেনা বাহিনীতে এখন বাঙালি পাক সেনা না থাকাতে সবচেয়ে বেশি অসুবিধায় পরেছে বিএনপি। অতীতে বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য বার বার সেনাবাহিনীকে পরোক্ষভাবে বেবহার করেছে। এই সময় তারা পাকিস্তান ফেরত সেনা অফিসারদের সমর্থন পেয়েছে। জেনারেল জিয়া ওই সময় পাকিস্তানি সেনা (বাঙালি) অফিসারদের সাথে মিলে অনেক মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসারদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করেছিলেন। এভাবেই বিএনপি পাকিস্তানি সেনা (বাঙালি) অফিসারদের সহযোগিতায় দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার সুযোগ পেয়েছে। শেষ পর্যায়ে তারা ২০১৪ আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচূত্য করার জন্য দেশে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করে বার বার সেনাবাহিনীকে পরোক্ষভাবে ক্ষমতা গ্রহণের ডাক দিয়েছিল। কিন্তু দেশের বীর সেনাবাহিনী এবার আর তাদের সেই ডাকে সারা দেয়নি। কারণ দেশের সেনাবাহিনী এখন আর আগের মত রাজনৈতিক দলের হাতিয়ার হিসেবে বেবহার হতে চায় না। তাছাড়া দেশ ও বিদেশে শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নাম আজ অনেক উচ্চ স্থানে বিরাজ করছে। জাতিসংঘের অধীনে এখন বলতে গেলে সারা বিশ্বেই ছড়িয়ে আছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এই অবস্থায় বিএনপির ডাকে তারা সারা দিবেই বা কেন? এখন এটাই বিএনপির জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ চায় তাদের শক্তিশালী প্রতিপক্ষ বিএনপি যেন ভাঙনের মুখে পরে। তারা আশা করছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরীর মতো মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী আরো অনেক নেতা দল থেকে শিগ্রই সরে দাড়াবেন। তবে শেষ পর্যন্ত বিএনপি ভাঙনের মুখে পড়বে কি পড়বে না তা এইমুহূর্তে বলা কঠিন। কারণ লন্ডন থেকে ফিরে এসে বেগম খালেদা জিয়া নতুন কৌশল অবলম্বন করে দলকে এখন পর্যন্ত একত্রিত রাখতে সক্ষম হয়েছেন। শুধু বিএনপি নয় এমনকি জোটের অন্যান্য শরিক দলগুলোকেও তিনি এখন পর্যন্ত জোটে ধরে রাখতে সফল হয়েছেন। যদিও ইসলামী ঐক্যজোটের একটি অংশ সম্প্রতি জোট থেকে বেরিয়ে গেছে। তবুও বলতে হবে খালেদা জিয়ার সূক্ষ্ম রাজনৈতিক কৌশলতার জন্যই সবকিছু সম্ভব হয়েছে। অনেকেই ধারণা করেছিল তিনি লন্ডন থেকে ফেরত এসে হয়তো দলে কোনো পরিবর্তন আনবেন। কিন্তু তিনি তা না করে বিএনপির পূর্বের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে সাথে নিয়ে কাজ করে চলছেন। সম্ভবত খালেদা জিয়া এইমুহুর্তে দলে কোনো পরিবর্তন আনার পক্ষপাতি নন বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি হয়তো মনে করছেন দলে এধরনের একটা পরিবর্তন বিএনপিকে একত্রে রাখার পথে অন্তরায় সৃষ্টি করতে পারে। এই কারণেই হয়তো বর্তমান ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফখরুল আলমগীরকে ভারপ্রাপ্ত অবস্থায় রেখে দিয়েছেন। কিন্তু তাতে কি তিনি বিএনপির ভাঙ্গন ঠেকাতে পারবেন?

একটি সূত্র দাবি করেছে, বিএনপি আপাতত একত্রে থাকলেও নতুন রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা হলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি, বিভিন্ন মহানগর ও জেলা কমিটির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের এই দলে যোগ দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া এরশাদের জাতীয় পার্টির বর্তমান নাজুক অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের বেশ কিছু নেতাকর্মী নতুন দলে যোগ দিতে পারেন। এব্যাপারে সাবেক বিএনপি নেতা আশরাফ হোসেন প্রকাশ্যে মিডিয়ায় বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল গঠনের ব্যাপারে তারা ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছেন। তারা মনে করেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন চলছে পরিবারতন্ত্র। একাধিক পরিবার বাংলাদেশের মালিক বনে গেছেন। গণতন্ত্রের লেবাসে একনায়কতন্ত্র কায়েম করেছেন তারা।’

তিনি আরো বলেছেন, ‘বিএনপির মধ্যে কোনো গণতন্ত্র নেই। পরিবারের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করা হয় সব সময়। এঅবস্থায় কীভাবে তারা দেশে প্রজাতন্ত্র কায়েম করবেন?’ আসছে নতুন দলের অপর উদ্যোক্তা বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক হুইপ শহিদুল হক জামাল বলেন, ‘সংস্কারপন্থি অভিযোগে দল থেকে বাদ পড়া নেতারা তাদের সঙ্গে আছেন। দেশ ও জনগণের কল্যাণে তারা নতুন একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছেন।’

সম্প্রতি  নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, ‘শুধু ২০ দলীয় জোটই নয়, বিএনপিও ভেঙে যাবে। বিএনপি, জামায়াত, একাত্তরের খুনি, পঁচাত্তরের খুনি আর কিছু মুক্তিযোদ্ধা মিলে কোন ঐক্য হতে পারে না। যার কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।’ তাই তিনি বিএনপিতে ভাঙন দেখছেন বলেও জানান। শাজাহান খান আরো বলেন, ‘বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে ব্যর্থ হয়েছে আর সে কারণেই তাদের ২০ দলীয় জোট ভাঙবে।’ বিএনপি থেকে অনেকেই বেরিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় আছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

এছাড়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ আশা প্রকাশ করে বলেছেন, ‘চলতি বছরের স্বাধীনতার মাস মার্চেই  জামায়াতে ইসলামী নিষিদ্ধ হতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘শুধু জোট নয়, সন্ত্রাসী ও অনৈতিক কাজের জন্য বিএনপির অনেক নেতাই দল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছেন। ইতোমধ্যে একজন বেরিয়ে গেছেন। অনেকে বেরিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। তবে সরকার ও সরকারি দল থেকে বিএনপি ভাঙার কথা এর আগেও অনেকবার বলা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ভাঙনের কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। আমি আগেই বলেছি বিএনপি ভাঙা আর না ভাঙা নির্ভর করবে আসছে নুতন রাজনৈতিক দলের শক্তির উপর। আসলেই যদি চলতি বছর কোনো রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব হয় এবং সেই দলের নেতৃত্বে অভিজ্ঞ ও সুপরিচিত ব্যক্তিদের আগমন ঘটে তাহলে বিএনপির জন্য বিষয়টা জটিলই হবে। বর্তমান ‘নড়বড়ে’ বিএনপি থেকে তখন অনেকেই হয়তো বেরিয়ে আসতে পারেন। সুতরাং আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে যদি একটি নতুন শক্তিশালী সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দল সামনে আসে তাহলে বিএনপি ভাঙনের পথ খুলে যাবে। তা না হলে বিএনপিতে কোনো ধরনের ভাঙন ধরা এত সহজ ব্যাপার নয় বলে পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন।

Be Sociable, Share!
বিভাগ: মুক্ত কলাম

এখনো কোন মন্তব্য করা হয়নি.

মন্তব্য করুন

*