শিরোনাম

বিনোদন

এপার ওপার দুই বাংলাতেই জনপ্রিয় ঋতুপর্ণা সেন। অভিনয় করেছেন বলিউডেও। অভিনয় শুরুর পর পেরিয়ে গেছে প্রায় দুই দশক। এখনো পনেরোটি সিনেমা হাতে রয়েছে ঋতুপর্ণার। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ঋতুপর্ণা অভিনীত আল মাহমুদের গল্প অবলম্বনে নির্মিত সিনেমা ‘টান’।

সময়ের ব্যস্ত ও জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করা হলো একটি ভারতীয় পত্রিকার অবলম্বনে।

একদিনেই মুক্তি পেল দুটো সিনেমা। ‘টান’ আর ‘বিয়ে নট আউট’…
আমি বেশ হতাশ। একসঙ্গে দুটো ছবি মুক্তি পেলে ব্যবসায়িক দিকটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ‘টান’ এর মুক্তির দিন অনেক আগেই ঠিক ছিল। ‘বিয়ে নট আউট’ রিলিজ হচ্ছে হঠাৎ করে। কোনো প্রচার ছাড়াই। আমার খারাপ লাগছে এই ছবিটার জন্য কোনো প্রমোশন করার সুযোগ পেলাম না।

দুই সিনেমার চরিত্রই তো আলাদা…
একেবারেই। প্রত্যেকটা চরিত্র যাতে আলাদা হয় সেই চেষ্টা তো সব সময়ই করি। বাংলাদেশের লেখক আল মাহমুদের গল্প নিয়ে ‘টান’। ছবির বিষয়টা খুব ইন্টারেস্টিং। পশ্চিমবঙ্গ আর বাংলাদেশের নদী তীরবর্তী এলাকার গল্প। নৌকার মধ্যে মানুষ কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করে। মেয়েরা জলবেশ্যা হয়ে কীভাবে জীবনধারণ করে। আমার চরিত্রের নাম সুন্দরী। একজন ফটোগ্রাফার আসে ওই অঞ্চলে কাজ করতে। তার সঙ্গে সুন্দরীর প্রেম। এই সব টানাপোড়েন নিয়েই গল্প। খুব মর্মস্পর্শী।

আর ‘বিয়ে নট আউট’ আলাদা ঘরানার ছবি। শহুরে সিনেমা বলা যায়। ছোট চুল। খুব স্টাইলড গেটআপ। বেশ মজার গল্প। বিয়ের আগে জীবনকে আমরা একভাবে দেখি। বিয়ের পরে মানুষটাকে দেখি অন্যভাবে। তারপর আরেকজনকে দেখে মনে হয় এ-ই বোধহয় সেরা। এই দ্বন্দ্বের মধ্যে মানুষ চিরকাল পড়েছে। এ বিষয়টাই দেখানো হয়েছে।

নিজের ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে মিল আছে?
আছে। সবকিছু তো আর হাসিখুশিতে চলে না। ঝগড়া, বিবাদ, আলাদা মত, ইগোর লড়াই- সবই চলতে থাকে। কিন্তু দিনের শেষে মূল জায়গাগুলো যদি পোক্ত থাকে তাহলেই সব ঠিক হয়ে যায়।

আপনারও কি বিয়ের আগের মানুষ আর পরের মানুষের মধ্যেই মিল পেতে অসুবিধা হয়েছিল?
সঞ্জয়কে (ঋতুপর্ণার স্বামী) আমি বিয়ের আগে কমই পেয়েছি। তাই সেভাবে তফাত করিনি। সঞ্জয় আমাকে আরো বেশি দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলত। আমি পাল্টা বলতাম, ‘আমি তো সবসময়েই দায়িত্ব পালন করি। দেখতে পাও না? জবাব দিত, ‘পাই না। একটু দেখাও দেখি! ( জোর হাসি)। এখন অভিযোগের পালাটা কমেছে। বুঝতে পেরেছে কী পরিমাণ ব্যস্ততার মধ্যে আমি সবকিছু সামাল দিই। বিবাহিতজীবন অনেকদিনের তো, বোঝাপড়া হয়ে গিয়েছে।

আপনাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বেশি কে করে?
আমিই বেশি করি। সঞ্জয়ও কম নয়। ঝগড়াটা বেশি হয় সময় দেওয়া নিয়ে। দু’জনেই এতো ব্যস্ত যে কেউ কাউকে সময় দিতে পারি না। সঞ্জয় হঠাৎ ফোন দিয়ে বলে, ‘কাল সকালে সিঙ্গাপুরে চলে এস’। আমি চেঁচাতে থাকি, ‘হঠাৎ করে সব কাজ ফেলে কী করে চলে যাব।’ আমাদের ঝগড়ার মূল কারণ টাইম ম্যানেজম্যান্ট।

সময় দেওয়া নিয়ে ছেলেমেয়েরা অভিযোগ করে না?
করে তো। ক’দিন আগে মুম্বাই থেকে ফিরলাম। ছেলের ইতিহাস পরীক্ষা ছিল। ফিরেই পড়াতে বসলাম। এতো দুষ্টু, কিছু না পারলে বলবে, ‘মা তো পড়ায়নি এটা!

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি চিরকালই পুরুষশাষিত। আপনি বোধহয় একমাত্র অভিনেত্রী যাকে ভেবে এখনো চরিত্র তৈরি হয়। এই ব্যতিক্রমটা কীভাবে হল?
পরিচালক প্রযোজকরা হয়তো বিশ্বাস করেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত’র ক্ষমতা আছে একটা ছবিতে একা টেনে নিয়ে যাওয়ার। অনেক বেশি দায়িত্ব নিই একটা ছবি নিয়ে। আমিও ভাগ্যবান যে তারা এতটা ভরসা করেন।

সূত্র: এবেলা
– See more at: http://www.banglanews24.com/new/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A6%A8/270488-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%87-%E0%A6%9D%E0%A6%97%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF.html#sthash.jxl0Kvyy.dpuf

ঋতুপর্ণার ঝগড়ার মূল কারণ টাইম ম্যানেজম্যান্ট

এপার ওপার দুই বাংলাতেই জনপ্রিয় ঋতুপর্ণা সেন। অভিনয় করেছেন বলিউডেও। অভিনয় শুরুর পর পেরিয়ে গেছে প্রায় দুই দশক। এখনো পনেরোটি সিনেমা হাতে রয়েছে ঋতুপর্ণার। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ঋতুপর্ণা অভিনীত আল মাহমুদের গল্প অবলম্বনে নির্মিত সিনেমা ‘টান’।

সময়ের ব্যস্ত ও জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করা হলো একটি ভারতীয় পত্রিকার অবলম্বনে।

একদিনেই মুক্তি পেল দুটো সিনেমা। ‘টান’ আর ‘বিয়ে নট আউট’…
আমি বেশ হতাশ। একসঙ্গে দুটো ছবি মুক্তি পেলে ব্যবসায়িক দিকটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ‘টান’ এর মুক্তির দিন অনেক আগেই ঠিক ছিল। ‘বিয়ে নট আউট’ রিলিজ হচ্ছে হঠাৎ করে। কোনো প্রচার ছাড়াই। আমার খারাপ লাগছে এই ছবিটার জন্য কোনো প্রমোশন করার সুযোগ পেলাম না।

দুই সিনেমার চরিত্রই তো আলাদা…
একেবারেই। প্রত্যেকটা চরিত্র যাতে আলাদা হয় সেই চেষ্টা তো সব সময়ই করি। বাংলাদেশের লেখক আল মাহমুদের গল্প নিয়ে ‘টান’। ছবির বিষয়টা খুব ইন্টারেস্টিং। পশ্চিমবঙ্গ আর বাংলাদেশের নদী তীরবর্তী এলাকার গল্প। নৌকার মধ্যে মানুষ কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করে। মেয়েরা জলবেশ্যা হয়ে কীভাবে জীবনধারণ করে। আমার চরিত্রের নাম সুন্দরী। একজন ফটোগ্রাফার আসে ওই অঞ্চলে কাজ করতে। তার সঙ্গে সুন্দরীর প্রেম। এই সব টানাপোড়েন নিয়েই গল্প। খুব মর্মস্পর্শী।

আর ‘বিয়ে নট আউট’ আলাদা ঘরানার ছবি। শহুরে সিনেমা বলা যায়। ছোট চুল। খুব স্টাইলড গেটআপ। বেশ মজার গল্প। বিয়ের আগে জীবনকে আমরা একভাবে দেখি। বিয়ের পরে মানুষটাকে দেখি অন্যভাবে। তারপর আরেকজনকে দেখে মনে হয় এ-ই বোধহয় সেরা। এই দ্বন্দ্বের মধ্যে মানুষ চিরকাল পড়েছে। এ বিষয়টাই দেখানো হয়েছে।

নিজের ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে মিল আছে?
আছে। সবকিছু তো আর হাসিখুশিতে চলে না। ঝগড়া, বিবাদ, আলাদা মত, ইগোর লড়াই- সবই চলতে থাকে। কিন্তু দিনের শেষে মূল জায়গাগুলো যদি পোক্ত থাকে তাহলেই সব ঠিক হয়ে যায়।

আপনারও কি বিয়ের আগের মানুষ আর পরের মানুষের মধ্যেই মিল পেতে অসুবিধা হয়েছিল?
সঞ্জয়কে (ঋতুপর্ণার স্বামী) আমি বিয়ের আগে কমই পেয়েছি। তাই সেভাবে তফাত করিনি। সঞ্জয় আমাকে আরো বেশি দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলত। আমি পাল্টা বলতাম, ‘আমি তো সবসময়েই দায়িত্ব পালন করি। দেখতে পাও না? জবাব দিত, ‘পাই না। একটু দেখাও দেখি! ( জোর হাসি)। এখন অভিযোগের পালাটা কমেছে। বুঝতে পেরেছে কী পরিমাণ ব্যস্ততার মধ্যে আমি সবকিছু সামাল দিই। বিবাহিতজীবন অনেকদিনের তো, বোঝাপড়া হয়ে গিয়েছে।

আপনাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বেশি কে করে?
আমিই বেশি করি। সঞ্জয়ও কম নয়। ঝগড়াটা বেশি হয় সময় দেওয়া নিয়ে। দু’জনেই এতো ব্যস্ত যে কেউ কাউকে সময় দিতে পারি না। সঞ্জয় হঠাৎ ফোন দিয়ে বলে, ‘কাল সকালে সিঙ্গাপুরে চলে এস’। আমি চেঁচাতে থাকি, ‘হঠাৎ করে সব কাজ ফেলে কী করে চলে যাব।’ আমাদের ঝগড়ার মূল কারণ টাইম ম্যানেজম্যান্ট।

সময় দেওয়া নিয়ে ছেলেমেয়েরা অভিযোগ করে না?
করে তো। ক’দিন আগে মুম্বাই থেকে ফিরলাম। ছেলের ইতিহাস পরীক্ষা ছিল। ফিরেই পড়াতে বসলাম। এতো দুষ্টু, কিছু না পারলে বলবে, ‘মা তো পড়ায়নি এটা!

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি চিরকালই পুরুষশাষিত। আপনি বোধহয় একমাত্র অভিনেত্রী যাকে ভেবে এখনো চরিত্র তৈরি হয়। এই ব্যতিক্রমটা কীভাবে হল?
পরিচালক প্রযোজকরা হয়তো বিশ্বাস করেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত’র ক্ষমতা আছে একটা ছবিতে একা টেনে নিয়ে যাওয়ার। অনেক বেশি দায়িত্ব নিই একটা ছবি নিয়ে। আমিও ভাগ্যবান যে তারা এতটা ভরসা করেন।

সূত্র: এবেলা

এপার ওপার দুই বাংলাতেই জনপ্রিয় ঋতুপর্ণা সেন। অভিনয় করেছেন বলিউডেও। অভিনয় শুরুর পর পেরিয়ে গেছে প্রায় দুই দশক। এখনো পনেরোটি সিনেমা হাতে রয়েছে ঋতুপর্ণার। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ঋতুপর্ণা অভিনীত আল মাহমুদের গল্প অবলম্বনে নির্মিত সিনেমা ‘টান’।

সময়ের ব্যস্ত ও জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করা হলো একটি ভারতীয় পত্রিকার অবলম্বনে।

একদিনেই মুক্তি পেল দুটো সিনেমা। ‘টান’ আর ‘বিয়ে নট আউট’…
আমি বেশ হতাশ। একসঙ্গে দুটো ছবি মুক্তি পেলে ব্যবসায়িক দিকটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ‘টান’ এর মুক্তির দিন অনেক আগেই ঠিক ছিল। ‘বিয়ে নট আউট’ রিলিজ হচ্ছে হঠাৎ করে। কোনো প্রচার ছাড়াই। আমার খারাপ লাগছে এই ছবিটার জন্য কোনো প্রমোশন করার সুযোগ পেলাম না।

দুই সিনেমার চরিত্রই তো আলাদা…
একেবারেই। প্রত্যেকটা চরিত্র যাতে আলাদা হয় সেই চেষ্টা তো সব সময়ই করি। বাংলাদেশের লেখক আল মাহমুদের গল্প নিয়ে ‘টান’। ছবির বিষয়টা খুব ইন্টারেস্টিং। পশ্চিমবঙ্গ আর বাংলাদেশের নদী তীরবর্তী এলাকার গল্প। নৌকার মধ্যে মানুষ কীভাবে জীবিকা নির্বাহ করে। মেয়েরা জলবেশ্যা হয়ে কীভাবে জীবনধারণ করে। আমার চরিত্রের নাম সুন্দরী। একজন ফটোগ্রাফার আসে ওই অঞ্চলে কাজ করতে। তার সঙ্গে সুন্দরীর প্রেম। এই সব টানাপোড়েন নিয়েই গল্প। খুব মর্মস্পর্শী।

আর ‘বিয়ে নট আউট’ আলাদা ঘরানার ছবি। শহুরে সিনেমা বলা যায়। ছোট চুল। খুব স্টাইলড গেটআপ। বেশ মজার গল্প। বিয়ের আগে জীবনকে আমরা একভাবে দেখি। বিয়ের পরে মানুষটাকে দেখি অন্যভাবে। তারপর আরেকজনকে দেখে মনে হয় এ-ই বোধহয় সেরা। এই দ্বন্দ্বের মধ্যে মানুষ চিরকাল পড়েছে। এ বিষয়টাই দেখানো হয়েছে।

নিজের ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে মিল আছে?
আছে। সবকিছু তো আর হাসিখুশিতে চলে না। ঝগড়া, বিবাদ, আলাদা মত, ইগোর লড়াই- সবই চলতে থাকে। কিন্তু দিনের শেষে মূল জায়গাগুলো যদি পোক্ত থাকে তাহলেই সব ঠিক হয়ে যায়।

আপনারও কি বিয়ের আগের মানুষ আর পরের মানুষের মধ্যেই মিল পেতে অসুবিধা হয়েছিল?
সঞ্জয়কে (ঋতুপর্ণার স্বামী) আমি বিয়ের আগে কমই পেয়েছি। তাই সেভাবে তফাত করিনি। সঞ্জয় আমাকে আরো বেশি দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলত। আমি পাল্টা বলতাম, ‘আমি তো সবসময়েই দায়িত্ব পালন করি। দেখতে পাও না? জবাব দিত, ‘পাই না। একটু দেখাও দেখি! ( জোর হাসি)। এখন অভিযোগের পালাটা কমেছে। বুঝতে পেরেছে কী পরিমাণ ব্যস্ততার মধ্যে আমি সবকিছু সামাল দিই। বিবাহিতজীবন অনেকদিনের তো, বোঝাপড়া হয়ে গিয়েছে।

আপনাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বেশি কে করে?
আমিই বেশি করি। সঞ্জয়ও কম নয়। ঝগড়াটা বেশি হয় সময় দেওয়া নিয়ে। দু’জনেই এতো ব্যস্ত যে কেউ কাউকে সময় দিতে পারি না। সঞ্জয় হঠাৎ ফোন দিয়ে বলে, ‘কাল সকালে সিঙ্গাপুরে চলে এস’। আমি চেঁচাতে থাকি, ‘হঠাৎ করে সব কাজ ফেলে কী করে চলে যাব।’ আমাদের ঝগড়ার মূল কারণ টাইম ম্যানেজম্যান্ট।

সময় দেওয়া নিয়ে ছেলেমেয়েরা অভিযোগ করে না?
করে তো। ক’দিন আগে মুম্বাই থেকে ফিরলাম। ছেলের ইতিহাস পরীক্ষা ছিল। ফিরেই পড়াতে বসলাম। এতো দুষ্টু, কিছু না পারলে বলবে, ‘মা তো পড়ায়নি এটা!

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি চিরকালই পুরুষশাষিত। আপনি বোধহয় একমাত্র অভিনেত্রী যাকে ভেবে এখনো চরিত্র তৈরি হয়। এই ব্যতিক্রমটা কীভাবে হল?
পরিচালক প্রযোজকরা হয়তো বিশ্বাস করেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত’র ক্ষমতা আছে একটা ছবিতে একা টেনে নিয়ে যাওয়ার। অনেক বেশি দায়িত্ব নিই একটা ছবি নিয়ে। আমিও ভাগ্যবান যে তারা এতটা ভরসা করেন।

সূত্র: এবেলা
– See more at: http://www.banglanews24.com/new/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A6%A8/270488-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%87-%E0%A6%9D%E0%A6%97%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF.html#sthash.jxl0Kvyy.dpuf

সোনারগাঁয়ে ‘চিত্রাঙ্গদা’র বিশেষ প্রদর্শনী

– See more at: http://www.banglanews24.com/new/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A6%A8/270506-%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%A6%E0%A6%BE.html#sthash.ADoH4wJQ.dpuf

ঢাকা: ২৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় সোনারগাঁয়ে চলমান মাসব্যাপী ‘লোক কারু শিল্পমেলা ও লোকজ উৎসব২০১৪’-এ ‘চিত্রাঙ্গদা’র বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এটি নির্দেশনা দিয়েছেন জাহিদ রিপন। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুদানে ২০১১ সালে প্রথম মঞ্চে আসে স্বপ্নদলের ‘চিত্রাঙ্গদা’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিরায়ত সৃষ্টি ‘চিত্রাঙ্গদা’র এ পর্যন্ত ৩০টি প্রদর্শনী হয়েছে। ‘চিত্রাঙ্গদা’ প্রযোজনার গ্রন্থিকরা হলেনÑ সুকন্যা আমীর, ফারজানা রহমান মিতা, মোস্তাফিজুর রহমান, হাসান রেজাউল, শিশির সিকদার, সামাদ ভূঞা, মাধূরী বেপারী সুমি, এনামুল হক শাহীন, সাইফুন নেসা জেবু, রেজাউল মাওলা নাবলু, তানভীর শেখ, শারীফা রিমু, আলী হাসান, বিমল দাশ, সাইদ মাহবুব প্রমুখ।

রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি অবলম্বন করে নির্মিত

হচ্ছে ‘রানা প্লাজা’ নামের চলচ্চিত্র

 সাভারের রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি অবলম্বন করে নির্মিত হচ্ছে ‘রানা প্লাজা’ নামের চলচ্চিত্র। ২০১৩ সালের স্মরণকালের ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় ধংসস্তূপ থেকে ১৭ দিনপর উদ্ধার হওয়া রেশমাকে নিয়ে সিনেমাটির মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে।সম্প্রতি গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুরে টানা ৯দিন সিনেমাটির শুটিং করা হয়েছে। উপজেলার আদমপুর ও গোপালপুর গ্রামে একাধিক গানের চিত্রায়ণসহ সিনেমার প্রায় ২৫ ভাগ শুটিং হয়।শুটিংয়ে অংশ নেন রেশমা চরিত্রে অভিনয় করা নবাগত অভিনেত্রী পরিমনি এবং নায়ক সাইমন।সিনেমাটির পরিচালক নজরুল ইসলাম খান বলেন, রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির ঘটনাকে মূল উপজীব্য করে এরসঙ্গে গ্রামের দুটি ছেলে-মেয়ের প্রেম কাহিনী যোগ করে সিনেমাটি নির্মাণ করছি। গ্রামের দৃশ্যগুলোরই শুটিং করছি এখানে।সিনেমাটি ১ মে শ্রমিক দিবসে সারা দেশে এক সঙ্গে মুক্তি দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

Be Sociable, Share!