শিরোনাম

প্রজাপতি নাকি সাপ!

2016_01_26_15_23_03_a3maUQHO1w4NbA8aDDAelvhVXP2XXp_originalচিরচেনা এই প্রকৃতি আজও এক বিশাল রহস্যময়তা নিয়ে আমাদের সামনে হাজির হয়ে আছে। মানুষ সৃষ্টির সবচেয়ে সেরা জীব হওয়ার পরেও, প্রকৃতিকে কেন্দ্র করেই তার সকল কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। কখনও প্রকৃতিকে পরাস্ত করার নামে, আবার কখনও প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থান করে মানুষকে টিকে থাকতে হয়। তাইতো বনে থাকলে মানুষ যেমন বনের স্বভাব অনুযায়ী থাকে, তেমনি শহরে থাকলে থাকে শহরের স্বভাব অনুযায়ী। প্রকৃতির মাঝেও এমন কিছু প্রাণী আছে যারা নিজেদের জীবন চক্রে নানান বেশ ধারণ করে বেঁচে থাকে। এক্ষেত্রে আমরা রং পরিবর্তনকারী গিরগিটির কথাও বলতে পারি।

কিন্তু আজ পাঠকদের জন্য গিরগিটি নয় বরংচ একটি প্রজাপতি নিয়ে আলোচনা করবো। পৃথিবীতে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল হবে যিনি প্রজাপতি পছন্দ করেন না। কিন্তু আমাদের আজকের আলোচনার প্রজাপতিকে এক নজর দেখার পর পছন্দতো দূরের কথা, বুকের রক্ত হিম হয়েও যেতে পারে। দুর্লভ এবং ব্যাতিক্রমধর্মী প্রজাপতির প্রজাতি হিসেবে ডায়নোসর দারিউস বেশ স্বনামধন্য। উষ্ণ প্রসবনীয় অঞ্চলে একটা সময় এই প্রজাপতিদের দেখা মিললেও, আজ আর তা হয় না।

জলবায়ু পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় এখন শুধু মেক্সিকো ও দক্ষিণ আমেরিকাতে এর বিচরণ ক্ষেত্র খুঁজে পাওয়া যাবে। পৃথিবীর সবচেয়ে চতুর বেশধারী প্রাণী হিসেবে এরা প্রকৃতিতে মিশে থাকে। ফনা তোলা সাপের মাথার বেশ ধরে এরা প্রকৃতির মাঝে ঘুরে বেড়ায়। দেখে বোঝার উপায় নেই যে এরা প্রজাপতি না সাপ। অবশ্য এর পেছনেও কারণ আছে। প্রকৃতিতে বিচরণকারী অন্যান্য প্রাণীদের আক্রমন থেকে বাঁচার জন্যই তারা প্রকৃতির সর্বাধিক ভয়ঙ্কর প্রাণীর বেশ ধারণ করে।

সাপের মাথার আকৃতি থেকে যখন তারা প্রজাপতির রূপ ধারণ করে তখন নিজেদের রক্ষা করার জন্য এরা দেহের চারপাশে গুটির সৃষ্টি করে। তবে তারা সাপের বেশ ধরেই থাকতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। তবে তাদের এক বেশ থেকে আর এক বেশে যেতে সময় লাগে কমপক্ষে ১৩ দিন। আর ওই সময় খুব কৌশলে একটি নিরাপদ গাছে বা স্থানে ঝুলে থাকে তারা। প্রজাপতিগুলো দেখতে গাড় বাদামি রংয়ের হলেও তাদের ডানায় রয়েছে সাদা রংয়ের ছোপ।

Be Sociable, Share!
বিভাগ: ফিচার

এখনো কোন মন্তব্য করা হয়নি.

মন্তব্য করুন

*