শিরোনাম

‘সমরাস্ত্র নয় শিক্ষায় বিনিয়োগ চাই’ করতালিতে শেখ হাসিনার ঘোষণা অভিনন্দিত ; গাজায় নির্বিচারে শিশু হত্যা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলার নিন্দা

PM Hasinaআফজাল হোসেন পন্টি, নিউইয়র্ক থেকে ॥
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রাণঘাতী সমরাস্ত্র তৈরিতে শত শত কোটি টাকা ব্যয় না করে শান্তি ও অহিংস সংস্কৃতি গড়ে তুলতে শিশুদের শিক্ষায় বিনিয়োগ করার জন্য বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সম্প্রতি গাজায় নির্বিচারে শিশু হত্যা, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের অমানবিক ঘটনা কখনও কাম্য হতে পারে না। এর বিরুদ্ধে বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে সোচ্চার হতে হবে।
বুধবার স্থানীয় সময় বিকেল চারটায় (বাংলাদেশ সময় রাত দুইটায়) জাতিসংঘের সদর দফতরের ট্রাস্টি কাউন্সিলে ‘শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রথম বৈশ্বিক উদ্যোগ’ শীর্ষক বিশ্ব নেতাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ এক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। ‘আমরা চাই সারাবিশ্বে গুণগতমান সম্মত শিক্ষা’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারের গত পৌনে ছয় বছরের শাসনামলে শিক্ষা খাতে অর্জন ও সাফল্যগুলো বিশ্ব নেতাদের সামনে তুলে ধরেন। সংঘাত নয়, বিশ্বময় শান্তি প্রতিষ্ঠায় শিক্ষিত সমাজ গঠনের প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে বিশ্ব নেতারা করতালি দিয়ে সমর্থন ব্যক্ত করেন।
জাতিসংঘের ৬৯তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সফরে আসা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চতুর্থ দিনেও দিনভর ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করেন। বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত, উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মানে তাঁর সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ এবং আন্তর্জাতিক সমস্যাগুলোর ব্যাপার বিশ্ব নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সকালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব বান কি মুন বিশ্ব নেতাদের সামনে আগত বেশকিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার কৌশল তুলে ধরেন।
জাতিসংঘ সরকারের নর্থ ডেলিগেটস লাউঞ্জে বিশ্ব নেতাদের সম্মানে মহাসচিব বান কি মুনের দেয়া অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উষ্ণ সংবর্ধনা জানান জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন। এ সময় তাঁদের মধ্যে ব্যক্তি কুশলাদী বিনিময় ছাড়াও বেশ কিছু বিষয়ে সংক্ষিপ্ত কথাবার্তা হয়। রাতে কমনওয়েলথের মহাসচিব মি. কমলেশ শর্মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে হোটেল গ্রান্ড হায়াতের বাইলেটারাল সভা কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। এই হোটেলেই অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা।
সমরাস্ত্র নয়, শিক্ষায় বিনিয়োগ করুন ॥ ধারাবাহিক কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বুধবার বিকেল চারটায় অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় আড়াইটার দিকে জাতিসংঘ হেডকোয়ার্টারে ‘আমরা চাই সারাবিশ্বে মানসম্মত শিক্ষা’ শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের সেমিনারে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শিক্ষা খাতের উন্নয়নে তাঁর সরকারের ব্যাপক পদক্ষেপ ও অভূতপূর্ব সফলতার বিবরণ তুলে ধরার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেন। বিশেষ করে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে সরকারী তরফে বছরের শুরুর দিন প্রায় ৩৩ কোটি বই বিতরণের চিত্র প্রধানমন্ত্রী সেমিনারে তুলে ধরলে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানরা সাধুবাদ জানিয়ে মুহুর্মুহু করতালি দিয়ে তাঁকে উৎসাহিত করতে দেখা যায়।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বলেন, আমরা যারা জিইএফআই-এ (গ্লোবাল এডুকেশন ফাস্ট ইনিসিয়েটিভ) সদস্য রয়েছি, তাদের আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব ও বিশ্ব জনমত গড়ে তুলতে হবে। আমরা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত যে পৃথিবী চাই, তা গড়ে তুলতে হবে। তাই আসুন, সকলে মিলে শান্তি ও অহিংস সংস্কৃতি গড়ে তুলতে শিক্ষায় বিনিয়োগ করি।
তিনি বলেন, সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা আমাদের শিক্ষার অধিকার ও লিঙ্গ সমতা আনয়ণ নিশ্চিত করতে হবে। ২০১৫ পরবর্তী সময়ের গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের অগ্রাধিকার। ২০৩১ সাল নাগাদ বাংলাদেশে সক্রিয় যুবক ও কর্মী সংখ্যা ১২ কোটিতে দাঁড়াবে। বর্তমান সরকার এই যুবশক্তির মেধাকে বিকশিত করে তাদের দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বাংলাদেশে ২০১২ সালে প্রণীত জাতীয় শিক্ষানীতিতে এই বিষয়টিকেই গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে তাঁর সরকারের কিছু চিন্তা বিশ্ব নেতাদের সামনে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রথমত মানসম্পন্ন শিক্ষার জন্য যোগ্য শিক্ষক দরকার। সে লক্ষ্যে সরকার প্রায় দশ লাখ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষককে গুণগত শিক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতির ওপর প্রশিক্ষণ দিয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষার জন্য নারী শিক্ষকদের সংখ্যা ৬০ শতাংশ রাখা হয়েছে।
সারাদেশে বিনামূল্যে ৩২ লাখ শিক্ষার্থীর কাছে বিনামূল্যে বই বিতরণের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের মতো নিম্ন আয়ের দেশে মানসম্পন্ন শিক্ষার জন্য বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ এবং সমসাময়িক পাঠ্যক্রম নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, ২০১৩ সালে সম্পূর্ণ সরকারী ব্যয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ৩১ কোটি ৮০ লাখ বই বিনামূল্যে বছরের প্রথম দিনে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া আধুনিক শিক্ষায় সুশিক্ষিত জাতি গঠনে একটি নতুন শিক্ষা পাঠ্যক্রম এবং সৃজন মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রণয়ন করা হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষাকে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার মূলধারায় ফিরিয়ে এনে বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ এই ইভেন্টে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গুণগত শিক্ষার জন্য তথ্যপ্রযুক্তির অবশ্যই প্রয়োজন। সে কারণেই সরকার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা করেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে প্রযুক্তিনির্ভর সমাজ গঠনে শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তিগত মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গুণগত শিক্ষার মূল চাবিকাঠিই হচ্ছে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছে। এ ছাড়াও প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে দুপুরের খাওয়ার (মিড ডে মিল) ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতেই বিশ্ন নেতাদের সম্মানে আয়োজিত এই বিগ পার্টিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন দেশের কারিগরি শ্রম বাজারের জন্য দক্ষ যুবশক্তি গড়ে তুলতে দেশ ও দেশের বাইরে শ্রম বাজারের জন্য দক্ষ এবং যুবশক্তি তৈরি করেছে। সে লক্ষ্য নিয়েই আমরা কারিগরি ও শিক্ষাঙ্গনে সর্বজনীন ব্যবহার করার অনুরোধ জানান। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাঙ্গনে ফিরিয়ে আনাই গুণগত শিক্ষার লক্ষ্য।
তিনি বলেন, আমরা দেশে একটি সর্বজনীন শিক্ষা পদ্ধতি গড়ে তুলতে একটি আইন প্রণয়নের কাজ করছি। যাতে মাদ্রাসা শিক্ষাসহ শিক্ষা ব্যবস্থার মূলধারার সাত কোটি তরুণ শিক্ষার্থীর সর্বজনীন শিক্ষার অন্তর্ভুক্ত হবে। নারী শিক্ষা গৃহশিক্ষার একটি স্তম্ভ হিসেবে স্বীকৃত হবে। তিনি জানান, গুণগত শিক্ষার কারণেই চলতি বছরের বাজেটের ১১ দশমিক ৬৬ ভাগ ভাগ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তাই আসুন সবাই মিলে আমরা পুরো বিশ্বকে উন্নত-সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলতে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের সভাপতিত্বে সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, ড. মশিউর রহমান, খাদ্যমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, জাসদের সংসদ সদস্য নাজমুল হক প্রধান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি এ কে এম শামীম চৌধুরী প্রমুখ।
কমনওয়েলথের মহাসচিবের সাক্ষাত ॥
কন্যা শিশু ও নারী শিক্ষা উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে কমনওয়েলথ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত করে এ ব্যাপারে একটি নতুন এজেন্ডা প্রণয়নের কথা জানান সংস্থাটির মহাসচিব কমলেশ শর্মা। বুধবার স্থানীয় সময় বিকেলে নিউইয়র্কের হোটেল গ্রান্ড হায়াতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন সাবেক ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক দেশগুলোর জোটের এই মহাসচিব।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে প্রেস ব্রিফিংকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ কে এম শামীম চৌধুরী জানান, কমনওয়েলথের গৃহীত কর্মসূচীর বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রীকে অবহতি করেন মহাসচিব কমলেশ শর্মা। জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাধীনতা পরবর্তী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণের কথাটি উল্লেখ করে বলেন, সে সময়ে বঙ্গবন্ধু দেশের ৩৬ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করেছিলেন। বর্তমান সরকারও শিক্ষাকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বৈঠকে কমনওয়েলথ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি আগামী ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশ সফরে আসবেন।
দিপক্ষীয় এ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, মুখ্য সচিব আবদুস সোবহান শিকদার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব আবুল কালাম আজাদ ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ কে এম শামীম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরের পঞ্চম দিনেও বৃহস্পতিবার দিনভর নানা কর্মসূচীতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় গ্রান্ড হোটেলে ভয়েস অব আমেরিকাকে সাক্ষাতকার দেবেন তিনি। সোয়া ১টায় আন্তর্জাতিক বিজিনেস কাউন্সিলের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জাতিসংঘের সদর দফতরের কমিটি রুমে কমনওয়েলথভুক্ত দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের বৈঠকে যোগ দান এবং বিকেল ৫টায় নেপালের প্রধানমন্ত্রী সুশীল কৈরালার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
খাদ্য নিরাপত্তা ও সুষম খাদ্যবিষয়ক সেমিনার ॥
জাতিসংঘের সদর দফতরে নারীর ক্ষমতায়ন, খাদ্য নিরাপত্তা ও সুষম খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ শীর্ষক এক সাইড লাইন সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেন খাদ্যমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। সেমিনারে বাংলাদেশ সরকারের সর্বক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়ন, দেশের মানুষের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা বলয় সৃষ্টি এবং সুষম খাদ্য নিশ্চিত করতে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এ লক্ষ্য ফাও ও ইউএস এইডের সহায়তায় একটি ফান্ড গঠন করা হয়েছে।

Be Sociable, Share!
বিভাগ: জাতীয় খবর, প্রধান খবর - ১

এখনো কোন মন্তব্য করা হয়নি.

মন্তব্য করুন

*