শিরোনাম

সড়কের কোথাও ভাঙন কোথাও ধস

619afcd97e6d37468dcd3c854f1eb73d-RANGAMATI-ROAD1টানা বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল, পাহাড়ধস ও কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে রাঙামাটির নয়টি উপজেলার ৩০ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে রাঙামাটি-আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়কের অন্তত সাতটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও ধসে গেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ।
গতকাল রোববার সরেজমিনে দেখা যায়, ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ রাঙামাটি-আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়কের বিলাইছড়িপাড়া এবং মুড়োঘনা, কামিলাছড়ি ও বড়াদম এলাকায় সড়কের অন্তত সাতটি স্থান ধসে গেছে। এর মধ্যে মুড়োঘনা এলাকায় কাপ্তাই হ্রদের পাশে সড়কের প্রায় ১০ ফুট অংশ ধসে গেছে। এ ছাড়া কামিলাছড়ি এলাকায় পাহাড়ধসের কারণে সড়কে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
এলজিইডির প্রকৌশলীরা জানান, মুড়োঘনা এলাকার ধস বন্ধ করা না গেলে সড়কের পুরো অংশ কাপ্তাই হ্রদে চলে যাবে। এতে ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। দুই পাশে হ্রদবেষ্টিত সড়কের সরু অংশের পুরোটাই ভেঙে যেতে পারে বলে প্রকৌশলীরা আশঙ্কা করছেন।
এলজিইডির রাঙামাটির নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নানিয়ারচর উপজেলায় সাত কিলোমিটার, বিলাইছড়ি উপজেলায় চার কিলোমিটার, সদর উপজেলায় তিন কিলোমিটার, কাউখালী উপজেলায় ছয় কিলোমিটার, জুরাছড়ি উপজেলায় তিন কিলোমিটার, বরকল উপজেলায় এক কিলোমিটার এবং বাঘাইছড়ি, কাপ্তাই ও রাজস্থলী উপজেলায় দুই কিলোমিটার করে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এলজিইডির রাঙামাটির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আদনান আখতারুল আলম বলেন, রাঙামাটি-আসামবস্তি-কাপ্তাই সড়কের ধস ঠেকাতে বালু ও ইটের বস্তা ফেলা হয়েছে। এই সড়ক দিয়ে খুব বেশি ভারী যানবাহন চলে না। তারপরও ভারী যানবাহন যেন চলতে না পারে তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন উপজেলায় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, কাপ্তাই হ্রদের পানি এখন সর্বোচ্চ সীমায় রয়েছে। টানা বৃষ্টি ও ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে এসব সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।

Be Sociable, Share!
বিভাগ: জেলার খবর, টুকিটাকি খবর, সর্বশেষ খবর

এখনো কোন মন্তব্য করা হয়নি.

মন্তব্য করুন

*