শিরোনাম

মিটার না ঘুরেও বিদ্যুৎ বিল ৫১০ টাকা

ef9132cc29f59ac80f561239b84aedbf-5a29284bd587aসিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা: গত এক মাসে মিটার ঘোরেনি। কিন্তু ৪৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়েছে দেখিয়ে বিল দেওয়া হয়েছে ৫১০ টাকা। এ ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার এক বিদ্যুৎ গ্রাহকের।

আজ বৃহস্পতিবার উপজেলার রায়গঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ধানগড়া এলাকার আবদুল মান্নান সরকারের ০০০৩৭৩০২ নম্বর মিটারের জন্য দেওয়া বিল থেকে বিষয়টি জানা যায়। ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান ভাড়াটে হিসেবে মিটারটি ব্যবহার করেন। গত অক্টোবর মাসেও তিনি ন্যূনতম ১৪২ টাকা বিল দিয়েছেন। কিন্তু হঠাৎ করেই নভেম্বর মাসের বিল দেওয়া হয়েছে ৫১০ টাকার। মেহেদী হাসান বলেন, বিল হাতে পেয়েই মিটারের সঙ্গে মেলাতে গিয়ে বিষয়টি ধরা পড়ে। মিটারটি কবে থেকে নষ্ট হয়ে আছে তা–ও তিনি জানেন না।

মেহেদী হাসান বলেন, পূর্ববর্তী রিডিং (অক্টোবর-২০১৭) ৭৩০ থেকে বর্তমান রিডিং ৭৩০ রয়েছে। পরের মাসে (নভেম্বর ২০১৭) মিটার ৭৩০ এ আটকে আছে। তাহলে ৪৫ ইউনিট ব্যবহারের হিসাবটা বিদ্যুৎকর্মী কেমন করে করলেন? বিষয়টি সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১–এর ভুইয়াগাঁতী আঞ্চলিক কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।
গত ২৮ নভেম্বর বিলটির বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এখনো এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন ওই গ্রাহক। তিনি বলেন, জরিমানা ছাড়া বিল জমা দেওয়ার তারিখ ২ ডিসেম্বর পার হয়ে গেছে। এখন কী করবেন তা বুঝতে পারছেন না।

অপর দিকে উপজেলার নলকা ইউনিয়নের দাদপুর এলাকার ৩০ জন গ্রাহককে অতিরিক্ত বিল করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কলেজশিক্ষক শিশির কুমার দাস বলেন, গত নভেম্বর মাসের মিটার রিডিং নেওয়া হয়েছে ২২ অক্টোবর থেকে ২২ নভেম্বর তারিখ উল্লেখ করে। তাঁর মিটারে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ দেখানো হয়েছে (পূর্ববর্তী ৫০০, বর্তমানে ৫৪০) ৪০ ইউনিট। অথচ গত ৪ ডিসেম্বরে তাঁর মিটারে উঠেছে ৫১৭ ইউনিট। একই রকম ঘটনা ঘটেছে ওই এলাকার দিবা রানি দাস, বিকাশ চন্দ্র তালুকদার, চঞ্চল কুমার দাস, সুনীল কুমার দাসসহ আরও অনেকের মিটারে। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা স্থানীয় বিদ্যুৎ কার্যালয়ে অভিযোগ করেছেন জানিয়ে বলেন, এর আগে ন্যূনতম বিল করা হলেও এ মাসে এমন করা হয়েছে।

ওই কার্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, মিটার রিডারদের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ থাকায় ভুলের পরিমাণ অনেক বেড়েছে। কার্যালয়টির উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) শামীম খান বলেন, অনেক বিলের মাঝে কিছু সমস্যা হতে পারে। যাঁদের এমন হয়েছে, তাঁরা অফিসে এসে বিল সংশোধন করে নিচ্ছেন।

Be Sociable, Share!
বিভাগ: জেলার খবর

এখনো কোন মন্তব্য করা হয়নি.

মন্তব্য করুন

*