শিরোনাম

‘ঈদের দিন ফাঁকা গাড়ি, আরামছে যাচ্ছি বাড়ি’

2016_07_07_18_10_49_sljaypIelMseKLNHirLBK8Pwrwxmuy_originalনিজস্ব সংবাদদাতা: সারা দেশে আজ পালিত হচ্ছে মুসলমানদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। এ দিনটিকে ঘিরে অনেকেই আগেভাগেই বাড়ি ফিরলেও কর্মব্যস্ততায় কেউ কেউ একটু দেরিতে হলেও ঘরমুখো হয়েছেন। ঈদের দিন সকাল থেকেই রাজধানী ছাড়তে দেখা গেছে অনেককে। বার্স টার্মিনালগুলোতে ভিড় না থাকলেও টুকটাক মানুষের চলাফেরা চোখে পড়েছে। তবে যাত্রীদের চাপ ছিল না নৌ, রেল ও সড়ক পথে। অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ দূরপাল্লার যারবাহনের সংখ্যায় ছিল কম।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, অন্যান্য যে কোন দিনের চেয়ে যাত্রীদের উপস্থিতি ছিল কম। দেখা মেলে হাতেগোনা কয়েকজন যাত্রীর। ঈদের দিন সকালে ঢাকায় ঈদ কাটিয়ে গ্রামের বাড়িতে যাত্রা শুরু করেছেন অনেক যাত্রী। তবে ঈদের দিন শুধু রাতে একটি ট্রেন থাকায় রাত পর্যন্ত অপেক্ষার প্রহর গুনতে হচ্ছে তাদের। আবার কেউ কেউ ট্রেনের বিকল্প হিসেবে বাসে ঢাকা ছাড়তে দেখে গেছে।

কথা হয় ট্রেনের অপেক্ষায় থাকা আব্দুল হাইর সঙ্গে। তিনি আজকের বিডিকে বলেন, ‘সারা রাত দোকানদারি করে সকালে বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা হলাম। কমলাপুরে এসে দেখি, রাত ছাড়া কোন ট্রেন নাই। তাই বাসে করেই গাইবান্ধা যাচ্ছি।’

এদিকে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালেও ঘরমুখো মানুষের বেশ দেখা মিলেছে। একটু পর পরই ছেড়ে যাচ্ছে দূরপাল্লার বাস। কথা হয় রয়েল কোচ সার্ভিসের কাউন্টার মাস্টার রফিকুল হকের সঙ্গে। তিনি আজকের বিডিকে বলেন, ‘আজ ঈদের দিন বেশ যাত্রী আছে। তবে ঈদের আগের তুলনায় অনেক কম। নির্ধারিত দামেই নিকেট বিক্রি হচ্ছে।’

রাজধানীর মানিকনগরের ইমাম মাওলানা আনোয়ার হোসেন। ঈদের নামাজ পড়িয়েছেন তিনি। এখন মিশন বাড়ি যাওয়ার। এসেছেন কমলাপুর বাস কাউন্টারে। কুমিল্লার উদ্দেশে সোহাগ পরিবহনের টিকেট কিনেছেন তিনি।

কথা হয় ভৈরবগামী যাত্রী আলামিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘গতকালই গ্রামের বাড়িতে চলে যেতাম। কিন্তু ব্যস্ততার কারণে যাওয়া হয়নি, তাই আজ যাচ্ছি। এতো ভিড়ের মাঝেও আমরা যে বাড়িতে যেতে পারবো, তা ভাবতেও পরিনি।’

মিরপুরে ব্যবসা করেন বাবুল মিয়া। আজ ভোর রাত পর্যন্ত দোকানদারি করে দুপুরে আসেন সদরঘাটে। লঞ্চে যাবেন বরিশাল। তিনি আজকের বিডিকে বলেন, ‘ঈদের দিন ফাঁকা গাড়ি, আরামছে বাড়ি যাচ্ছি। যদিও সবাই একসঙ্গে ঈদ করতে পারি না।’

এদিকে সকাল থেকেই কমলাপুর, সায়েদাবাদ ও সদরঘাট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারি চোখে পড়েছে। নিয়মিত নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশ ও আর্মড পুলিশদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

Be Sociable, Share!
বিভাগ: জাতীয় খবর

এখনো কোন মন্তব্য করা হয়নি.

মন্তব্য করুন

*