শিরোনাম

লোকালয় ও ফসলি জমিতে গড়ে উঠেছে একের পর এক ইটভাটা

eit vataরাঙ্গুনিয়া প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার লোকালয় ও ফসলি জমিতে গড়ে উঠেছে একের পর এক ইটভাটা। চট্টগ্রামের বৃহত্তম শস্যভাণ্ডার রাঙ্গুনিয়ার গুমাই বিলে ইটভাটা স্থাপনের ফলে পরিবেশ বিপন্ন হচ্ছে। নতুন করে আরও একটি ইটভাটা তৈরি হচ্ছে এই বিলে। নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে এসব ইটভাটা গড়ে উঠলেও পরিবেশ অধিদফতর ও স্থানীয় প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। সরজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার গুমাই বিলের চন্দ্রঘোনার বনগ্রাম দরগাহ টিলা গ্রামের পাশ ঘেঁষে সংরক্ষিত কোদালা বনবিটের অধীনে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পাশে নতুন করে তৈরি হচ্ছে আরও একটি ইটভাটা। শেখ রাসেল অ্যাভিয়ারি পার্ক ও কোদালা বনবিটের ১ কিলোমিটার দক্ষিণে ইটভাটা স্থাপনের কাজ চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রয়েছে রহস্যজনকভাবে নীরব। অথচ ইটভাটা স্থাপনে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে পরিবেশ অধিদফতর থেকে ছাড়পত্র নিতে হয়। এরপর বিধি মোতাবেক লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে ইটভাটা স্থাপন করতে হয়। তবে আবাসিক বা জনবসতিপূর্ণ এলাকা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংলগ্ন জায়গা, ফসলি জমি ও পাহাড়ি অঞ্চলে ইটভাটা স্থাপনে সরকারি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু সরকারি এ নিয়ম-নীতি তোয়াক্কা না করে ফসলি জমিতে একটি ইটভাটার পাশে অন্য একটি ইটভাটা স্থাপনের কাজ পুরোদমে চালু রয়েছে। চন্দ্রঘোনা বনগ্রাম দরগাহ টিলা এলাকার মোঃ সেলিম ও মোঃ ইউনুছ জানান, গুমাই বিলের লোকালয়ে জোট সরকারের সময় বিএনপি সমর্থক হাজী নবীর হোসেন নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে প্রভাবশালীদের সহায়তায় পরিবেশ বিধ্বংসী ফসলি জমিতে ইটভাটাটি স্থাপন করে। এমনকি ইটভাটা থেকে কার্বন মনোঅক্সাইড নিঃসরণের ফলে তারপর থেকে বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় গুমাই বিলের স্বাভাবিক কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। তার পাশাপাশি সম্প্রতি নতুন আরও একটি ইটভাটা স্থাপন করা হচ্ছে। এই ইটভাটা চালু হলে পরিবেশ বিপর্যয় মারাত্মক আকার ধারণ করবে বলে পরিবেশবাদীরা আশংকা করছেন।

Be Sociable, Share!
বিভাগ: গ্রাম গঞ্জের খবর

এখনো কোন মন্তব্য করা হয়নি.

মন্তব্য করুন

*