• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৫ অপরাহ্ন

গোপালগঞ্জ ওষুধ প্রশাসনের অবহেলায় চলছে অসংখ্য নীতিমালা বিহীন ফার্মেসী


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ১৪, ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ন / ১২৮
গোপালগঞ্জ ওষুধ প্রশাসনের অবহেলায় চলছে অসংখ্য নীতিমালা বিহীন ফার্মেসী

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জঃ গোপালগঞ্জ ওষুধ প্রশাসনের অবহেলায় জেলার বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য ব্যাবসায়ী কোনো নীতিমালা না মেনেই ফার্মেসী চালাচ্ছে। এসব ফার্মেসীগুলোতে সাইনবোর্ড টানানো হয়না, ওষুধ নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রাখা হয় না, ভাউচার দেওয়া হয় না, প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ বিক্রি করা হয়, ফার্মাসিস্ট ছাড়া দোকান চালানো হয় এবং ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের পরামর্শ মোতাবেক রোগীদের কাছে ওষুধ বিক্রি করা হয়। নীতিমালা না মানায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে ক্রেতারা। প্রতারিত হওয়ার পরেও কেউ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অভিযোগও করতে পারছেন না। এসব ফার্মেসীতে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে গণমাধ্যমকর্মীদেরকে বারবার সংশোধন করা হবে বলে অসাধু ফার্মেসী মালিকরা আশ্বাস দিলেও তারা তা করেন না।

জেলার মুকসুদপুর উপজেলার উজানি বাজারে গিয়ে দেখা গেছে রুবেল মোল্লা নামে এক ব্যাক্তি দীর্ঘদিন ধরে বড় একটি ফার্মেসী পরিচালনা করছেন। তার দোকানে কোনো সাইনবোর্ড নেই। ভাঙ্গাচোরা টিনের ঘরে কোনো নীতিমালা না মেনেই তিনি ফার্মেসী পরিচালনা করছেন। তাকে বারবার সতর্ক করা হলেও তিনি নীতিমালা মোতাবেক ফার্মেসী পরিচালনা করতে আগ্রহী নন। ওই দোকানটিতে প্রতিদিন বিশ হাজার টাকার ওপরে ওষুধ বিক্রয় হয় বলে তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে। এদিকে সদর উপজেলার রঘুনাথপুর, সোনাকুড়, সিলনা, সাতপাড় সহ বিভিন্ন এলাকায় নীতিমালা না মেনে ফার্মেসী পরিচালনা করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।

সরেজমিনে গিয়ে জেলার বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য অবৈধ ফার্মেসীর সন্ধান পাওয়া যায়। ওষুধ প্রশাসন অজ্ঞাত কারণে এসব অবৈধ ফার্মেসীর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন না।

এ ব্যাপারে গোপালগঞ্জ ওষুধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক বিথী রানী মন্ডলের সাথে আলাপ করা হলে তিনি বলেন জনবলসহ ভেহিকেল সংকট এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয়হীনতার কারনে অবৈধ ফার্মেসীগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হয় না।