

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের ৩টি আসনে প্রার্থীদের মনোনয়ন যাচাই বাছাই শেষ হয়েছে। মোট ৩৮ জন প্রর্থীর মধ্যে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে ১৩ জনের মনোনয়ন। স্থাগিত রয়েছে ২ জনের মনোনয়ন। আর বৈধ প্রর্থীর সংখ্যা ২৫ জন। এর মধ্যে ঋণ খেলাপী ও এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে অসংগতি থাকায় গোপালগঞ্জ ১ আসন থেকে ৬ জন, গোপালগঞ্জ ২ আসন থেকে ৫ জন এবং গোপালগঞ্জ ৩ আসন থেকে ২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ও ২ জনের মনোনয়ন স্থাগিত ঘোষণা করা হয়।
যাচাই-বাছাই শেষে শনিবার বিকেলে (৩ জানুয়ারী) জেলা রিটার্নিং অফিসার মোঃ আরিফ উজ্জামান এ ঘোষণা দেন।
গোপালগঞ্জ ১ আসনে (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী উপজেলার একাংশ) মনোনয়ন জমা পড়ে ১৩টি। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজমুল আলম, আশ্রাফুল আলম এবং এবি পার্টির মোঃ প্রিন্স আল আমিন, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী (জিওপি) মোঃ কাবির মিয়া ও জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী সুলতান জামান খানের মনোনয়ন।
সদর উপজেলা ও কাশিয়ানী উপজেলার একাংশা নিয়ে গঠিত গোপালগঞ্জ ২ আসনে মনোনয়ন জমা পড়ে ১৩টি। এর মধ্যে বাতিল করা হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূইয়া লুটুল, রনী মোল্যা, সিপন ভূঁইয়া, মশিউর রহমান, মোঃ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ও উৎপল বিশ্বাসের মনোনয়ন।
টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত গোপালগঞ্জ ৩ আসনে মনোনয়ন জমা পড়ে ১২টি। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামানিক ও রওশন আরার মনোনয়ন। স্থাগতি করা হয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আব্দুল আজিজ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী দুলাল চন্দ্র বিশ্বাসের মনোনয়ন।
মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আগামী ১১ জানুয়ারী তারিখের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপীল করতে পারবেন। এছাড়াও ২০ জানুয়ারী মনোনয়ন প্রত্যাহারে শেষ তারিখ এবং ২১ জানুয়ারী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
আপনার মতামত লিখুন :