• ঢাকা
  • শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন

খুলনা-১ আসনে সম্মিলিত জাতীয় জোট প্রার্থী সুনীল শুভ রায়ের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ২০, ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ন / ১৯১
খুলনা-১ আসনে সম্মিলিত জাতীয় জোট প্রার্থী সুনীল শুভ রায়ের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

খুলনা ব‌্যু‌রোঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-১ আসনে সম্মিলিত জাতীয় জোট মনোনীত প্রার্থী সুনীল শুভ রায় (মোমবাতি প্রতীক) তার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি ২০২৬) খুলনায় আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ ইশতেহার তুলে ধরেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে সুনীল শুভ রায় বলেন, তিনি পেশাগত জীবনে একজন সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে পরিচিত হলেও সাংবাদিক পরিচয়কেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। সেই হিসেবে তিনি সাংবাদিকদের একজন সহকর্মী এবং গণমাধ্যমের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি জানান, এর আগে দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে খুলনা-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রশ্নে দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের একক সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করায় তাকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে জাতীয় পার্টি পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিলেও তৎকালীন নির্বাচন কমিশনের স্বীকৃতি না পাওয়ায় তা কার্যকর হয়নি।

দীর্ঘ সময় রাজনীতি থেকে নিষ্ক্রিয় থাকার পর এলাকাবাসী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের অনুরোধে তিনি পুনরায় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এ লক্ষ্যে ২০১৭ সালে গঠিত সম্মিলিত জাতীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেন এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের “মোমবাতি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ইশতেহারে তিনি খুলনার দাকোপ ও বটিয়াঘাটা এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে আট দফা অঙ্গীকার ঘোষণা করেন।

ইশতেহারের উল্লেখযোগ্য অঙ্গীকারগুলো হলো—
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের ভিত্তিতে সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি নিশ্চিত করা; দাকোপ ও বটিয়াঘাটার জনগণের নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার সুরক্ষা; সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা ও মাদকমুক্ত এলাকা গঠন; প্রশাসনের সহযোগিতায় চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই প্রতিরোধ।

এছাড়া পর্যটন শিল্পের বিকাশের মাধ্যমে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, পানখালি ও পোদ্দারগঞ্জ ঘাটে সেতু নির্মাণসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নদীভাঙন রোধ ও খাল-নদী খনন, বনায়ন এবং ভূমিহীনদের জন্য গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

একই সঙ্গে নতুন সড়ক নির্মাণ ও বিদ্যমান সড়কের সংস্কারের কথাও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়।
সুনীল শুভ রায় বলেন, “দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে এই অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে রাজনীতি করেছি। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং এলাকার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতেই আমার এই কর্মপরিকল্পনা।

সাংবাদিক সম্মেলনে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।