

এম রোমানিয়া, খুলনাঃ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ১৮ দিনের নবজাতক রাইয়ান বর্তমানে জীবন-মরণ সংগ্রামে লড়ছে। পরিবারের দাবি, কর্তব্যরত এক নার্স চিকিৎসকের নির্দেশ অমান্য করে মাত্র ২৫ সেকেন্ডে শক্ত ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ইঞ্জেকশন পুশ করায় শিশুটি হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে।
নবজাতক রাইয়নের বাবা মোঃ রোকন শেখ জানান, জন্মের পর শারীরিক অসুস্থতার কারণে তারা ১৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে শিশুটিকে দ্রুত খুলনা মেডিকেলে ভর্তি করেন। প্রায় ১০ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শনিবার হাসপাতাল তাকে ছাড়পত্র দেওয়ার কথা জানিয়েছিল কর্তৃপক্ষ।
চিকিৎসকের অর্ডার শিট অনুযায়ী নবজাতককে ম্যারোসিল ৫০০ এবং ভ্যানকোমিল ৫০০ ইঞ্জেকশন অন্তত ১ ঘণ্টা ধরে ধীরে ধীরে প্রয়োগের নির্দেশ ছিল।
কিন্তু পরিবারের অভিযোগ, কর্তব্যরত নার্স কাউকে না জানিয়ে মাত্র ২৫ সেকেন্ডে পুরো ইঞ্জেকশনটি পুশ করে দেন।
এতে শিশুটির তৎক্ষণাৎ জ্বর, খিঁচুনি ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। রোকন শেখ জানান, এ অবস্থায় তারা দ্রুত দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকের কাছে গেলে চিকিৎসক সনিয়া আফরিন বলেন, ইঞ্জেকশন দিলে জ্বর বা শাস কষ্ট হবে না এমন টা না তবে আমরা চেষ্টা করছি বাচ্চাটাকে সুস্থ্য করে তুলার “সম্ভবত ভুলক্রমে দ্রুত ইঞ্জেকশন পুশ করার কারণেই এমন রিঅ্যাকশন হতে পারে। বর্তমানে ১৮ দিনের এই নবজাতক রায়হানের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন তার পরিবার।
ভুক্তভোগী বাবা মোঃ রোকন শেখ কান্নাজড়িত কণ্ঠে
আজকের বাংলাদেশ-কে বলেন, আমার সুস্থ রাইয়ানকে সুস্থ করতে হাসপাতালে এনেছিলাম। এখন সে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে। আমার বাচ্চার কিছু হলে আমি কাউকে ছাড় দেব না। মামলা করব।
ঘটনা নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য দেয়নি।
আপনার মতামত লিখুন :