• ঢাকা
  • শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন

খুলনার পাইকগাছায় ঋন পরিশোধ হলেও আমানতের চেক ফেরত না দিয়ে প্রতারনা: অতঃপর লিগ্যাল নোটিশ


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ১৩, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ন / ৩১৩
খুলনার পাইকগাছায় ঋন পরিশোধ হলেও আমানতের চেক ফেরত না দিয়ে প্রতারনা: অতঃপর লিগ্যাল নোটিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, পাইকগাছা, খুলনাঃ খুলনার পাইকগাছায় নিবন্ধন ছাড়াই সমিতি তৈরি করে চলছে চড়া সুদের রমরমা ব্যবসা। চলছে অহরহ আমানতের নামে ব্যাংক চেক ও স্টাম্পের অপব্যবহার। অন্যদিকে অনেকেই টাকা শোধ করেও ফিরে পাচ্ছেনা চেক ও স্টাম্প। অধিক লাভের আশায় অন্য জনের মাধ্যমে করা হচ্ছে আদালতে মামলা। এমনি এক ঘটনা ঘটেছে পাইকগাছার মেলেক পুরাইকাটী গ্রামে।

অনুসন্ধানে জানাগেছে, পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সমিরণ সাধুর ক্ষমতার দাপটে তারই ভাই কৃষ্ণ পদ সাধুসহ কয়েকজন মিলে “বোয়ালিয়া ব্যবসায়ী সমিতি” নামে একটি প্রতিষ্ঠান খোলেন। যার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন কৃষ্ণ পদ সাধু নিজেই। এই সমিতি থেকে একই এলাকার প্রভাষ পাল জামানতের জন্য নিজ নামীয় ইসলামী ব্যাংকের MSU 6450252 নং অলিখিত চেক প্রদান করে ঋণ গ্রহণ করেন এবং সময়মত কিস্তির টাকাও পরিশোধ করেন। কিস্তির টাকা পরিশোধ করে চেক ফেরৎ চাইলে তালবাহানা করতে থাকে কৃষ্ণ পদ সাধু। এদিকে প্রায় দেড় মাস আগে চেকের জন্য কৃষ্ণ সাধুর দোকানে গেলে প্রভাষের সাথে কথা কাটাকাটিও হয়। এ কারনে কৃষ্ণ সাধু চেকটি বান্দীকাটী গ্রামের ইট ভাটা শ্রমিক ও টলি চালক মোসলেম সরদারের নিকট দেন। মোসলেম সরদার চেকে ৩ লাখ টাকা লিখে ডিজঅনার করিয়ে টাকা আদায়ের জন্য লিগাল নোটিশ প্রদান করেন।
প্রভাষ পাল জানান, আমি বোয়ালিয়া ব্যবসায়ী সমিতি থেকে ঋণ গ্রহণ করি। কিস্তিতে সুদসহ সমুদয় টাকা পরিশোধ করলেও আমার জামানতের চেকটি ফেরৎ দেননি। চেক ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে সমিতির সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ সাধুর সাথে তার দোকানে কথা কাটাকাটি হয়। এর কিছুদিন পরেই আমার কাছে মোসলেম সরদারের পক্ষে একটা লিগ্যাল নোটিশ আসে। আমি এই মোসলেম সরদারকে চিনিনা। তার সাথে কখনো আমার লেনদেন হয়নি। পরে আমি চেকের মুড়ি বই মিলিয়ে দেখি কৃষ্ণ সাধুর নিকট দেয়া চেকটি দিয়ে আমাকে হয়রানি করার জন্য মোসলেমকে দিয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

কৃষ্ণ সাধু জানান, আমাদের সমিতি থেকে প্রভাষ পাল লোন নিয়েছিলো এবং সব টাকা শোধ করেও দিয়েছে। তার চেকটি ফেরত দিয়েছি।
মোসলেম সরদার জানান, আমি সমিতির সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ সাধুর নিকট ৩ লক্ষ টাকা পেতাম। কৃষ্ণ সাধু আমাকে দেড় লক্ষ টাকা দেন ও ইসলামী ব্যাংকের MSU 6450252 নং চেক প্রদান করেন। আমি টাকা আদায়ের জন্য প্রভাষের নামে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছি। অচিরেই মামলা করবো।