

বিশেষ প্রতিবেদক, ঢাকাঃ তিনি ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে শুধু ঢাকা শহরের ভেতরেই নয়, বরং ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত দূরবর্তী স্থানে স্বশরীরে যেতেও কার্পণ্য করেন না তিনি। গোপালগঞ্জে আওয়ামী দুষ্কৃতকারীদের কঠোরভাবে দমন করতে নিজে এক নাগাড়ে তিনদিন গোপালগঞ্জে অবস্থান করেছিলেন।
ইসকনের উগ্রবাদী সন্ত্রাসী চিন্ময়কে আটকের নেপথ্যেও ভূমিকা রেখেছেন সাহসী রেজাউল করিম মল্লিক। ডিবি প্রধান থেকে শুরু করে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি যখন তাকে যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, সেটাই সততা ও আন্তরিকতা দিয়ে পালন করেছেন রেজাউল করিম মল্লিক।
তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরেই মারাত্মক শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। কিন্তু নিজের পারিবারিক এই সমস্যা তার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কখনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। অথচ এ মানুষটিকেই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের লোকজন এবং প্রশাসনের ভেতরে থাকা একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী নানাভাবে কালিমালিপ্ত করার প্রচেষ্টায় ব্যস্ত।
পুলিশকে দানবিক পুলিশ থেকে মানবিক পুলিশ করতে হলে রেজাউল করিম মল্লিকের মতো সৎ এবং যোগ্য মানুষদের মূল্যায়ন করতে হবে।
আপনার মতামত লিখুন :