• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন

ঈদকে ঘিরে কেনাকাটার জন্য কাপড়ের চাহিদা বাড়ায় ভিড় বেড়েছে সুইট লেডিস কর্ণার এন্ড টেইলার্সে


প্রকাশের সময় : মার্চ ১৮, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ন / ৭৮
ঈদকে ঘিরে কেনাকাটার জন্য কাপড়ের চাহিদা বাড়ায় ভিড় বেড়েছে সুইট লেডিস কর্ণার এন্ড টেইলার্সে

জিল্লুর রহমান সাগর, মাগুরাঃ আসছে ঈদুল ফিতর। ঈদ আসলেই নতুন পোশাকের চাহিদা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। নতুন জামা ছাড়া তো ঈদই যেন জমে না। দেশব্যাপী কাপড়ের চাহিদা বাড়ায় ভিড় বেড়েছে

শ্রীপুর উপজেলার সদর এম সি পাইলট সুপার মার্কেট সুইট লেডিস কর্ণার এন্ড টেইলার্স। অন্যতম পাইকারি মার্কেট ও খুচরা বিক্রয় করে। ক্রেতা আকর্ষণ করতে সাজিয়ে রাখা হয়েছে বাহারি ডিজাইনের থান কাপড় থ্রির পিস।

গত কয়েকদিন সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, মালামাল বিক্রিতে ব্যস্ত দোকানি ও কর্মীরা। কেউবা কাপড় দেখাচ্ছেন, কেউ কেউ করছেন দরদাম। এক ক্রেতাকে দেখানো শেষ হলেও অন্য ক্রেতাকে কাপড় দেখাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।

শ্রীপুরে রয়েছে বেশ কয়েকটি বড় মার্কেট। তার মধ্যে অন্যতম শ্রীপুর সদর বাজারে এম সি পাইলট সুপার মার্কেট সুইট লেডিস কর্ণার এন্ড টেইলার্স। আরো ইত্যাদি।

ব্যবসায়ীদের দাবি, শ্রীপুরে উপজেলার অন্যতম পাইকারি ও খুচরা মার্কেট শ্রীপুর সদর বাজারে এম সি পাইলট সুপার মার্কেট সুইট লেডিস কর্ণার এন্ড টেইলার্স। বিভিন্ন জেলাসহ মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন থেকেও আসছেন ক্রেতারা।

জানা যায়, এ ,সি পাইলট সুপার মার্কেট রয়েছে অনেক দোকান। এসব দোকানের সঙ্গে জড়িত প্রায় ১৫০জন মানুষ।

ব্যবসায়ীরদের তথ্যমতে, আগের চেয়ে কাপড়ের দাম বেড়েছে। শার্টের কাপড় প্রতি পিস ৩০০-৮০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে ভারতীয় অরবিন্দু ৫০০-৮০০, চায়না ৩৫০-৫০০, বাংলাদেশি অন্য শার্ট ৩০০-১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাঞ্জাবি কোরিয়া ৪০০-১০০০ টাকা, চায়না ৩০০-৭০০ টাকা, ইন্ডিয়ান ৫০০-৯০০ টাকা পযর্ন্ত, থ্রি-পিস ৪৫০-৭০০ টাকা, বুটিক থ্রি-পিস ৪০০-৯০০, লিনেন ৪০০-৬০০ টাকা , জয়পুরী সুতি ৫৫০-৬৫০, সিল্ক ১০০০-১৬০০ টাকা।এ ছাড়া পাঞ্জাবি ও জামার জন্য কাপড় পাওয়া যাচ্ছে ১৩০-৪০০ টাকা (প্রতি গজ) দামে।

থান কাপড় এক কালার ৬০/৭০ টাকা গজ, ছাপা প্রিন্ট ৫০/৭০ গজ, বেক্সি ভয়েল ৯০ টাকা গজ, টরে-১২০ টাকা গজ, মাইক্রো ১৮০ টাকা গজ এবং এখানে টেইলারী সামগ্রী পাওয়া যায়।

এম সি পাইলট সুপার মার্কেট সুইট লেডিস কর্ণার এন্ড টেইলার্সের মালিক জিয়াউর রহমান ( সুইট) জানান, বেচাবিক্রি আলহামদুলিল্লাহ ভালো। এর আগে তো দুইটা বছর করোনার জন্য ব্যবসা করতে পারি নাই। এবার ব্যবসা আছে। ঈদের জন্য আরও বাড়বে।

দারিয়াপুর থেকে কাপড় কিনতে আসা মোছা: মীম বলেন, কাপড় কিনতে আসছি অনেক সকালে। মাগুরায় অনেক যানজট থাকে। অন্যান্য বারের চেয়ে কাপড়ের দাম এবার একটু কম। মালামাল কিনেছি, দেখা যাক।