শিরোনাম

আরো ৩ নতুন ব্যাংকের অনুমতি দিচ্ছে সরকার : অর্থমন্ত্রী

272016_117নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাংকের সংখ্যা ৫৭টি। বাংলাদেশের মত অর্থনীতির দেশের দেশে ব্যাংকের সংখ্যা বেশি বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবীদরা। এরপরও সরকার আরো তিনটি নতুন ব্যাংকের অনুমতি দিতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

আজ সোমবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক ব্যাংক রয়েছে। তারপরও প্রচুর অঞ্চল ব্যাংক সেবার বাইরে রয়েছে। এ কারণেই নতুন ব্যাংকের অনুমোদন দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, অনেকগুলো ব্যাংক একীভূত (মার্জ) করার চেষ্টা চলছে। এ ছাড়া ব্যাংকগুলোর তারল্য সংকট কাটাতে সরকার কাজ করছে।

অর্থমন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জানা গেছে, ‘পিপলস ইসলামী ব্যাংক’ নামে একটি ব্যাংকের অনুমোদন পাচ্ছেন চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের বাসিন্দা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এম এ কাশেম। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। আর ‘বাংলা ব্যাংক’-এর আবেদন করেছেন বেঙ্গল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন। অন্যদিকে, আরেকটি ব্যাংক একটি আইন শৃংখলা বাহিনীর জন্য দেয়া হবে।

ব্যাংক দুটি অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গত সপ্তাহে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংকও অনুমোদনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

বীমা খাতের উন্নয়নে চার উদ্যোগ নেবে সরকার
ব্যাংক ঋণের বিপরীতে বীমা (ব্যাংক ইন্স্যুরেন্স) বাধ্যতামূলক করাসহ বীমা খাতের উন্নয়নে চার ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

ব্যাংক ইন্স্যুরেন্স বাধ্যতামূলক করা ছাড়াও বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমিকে (বিআইএ) সক্রিয় করা, বীমা কোম্পানির নবায়ন ফি সহনীয় করা এবং এনজিওরা যেন বীমা করতে না পারে সেই ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

আজ সোমবার ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী সেন্টারে বীমা বিষয়ক এক সেমিনারে একথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের বিমা খাত অবেহেলিত, এটা আমাদের দোষ। এই কারণে দেশের অর্থনীতির উন্নতির সাথে বীমা খাতের প্রবৃদ্ধির কোনো সম্পর্ক নেই। দেশের বীমা কোম্পানির সংখ্যা অনেক। সেই তুলনায় ব্যবসার বিস্তৃতি ঘটেনি। যে কারণে বীমা খাতের উন্নয়নে অনেক কাজ করার আছে।

এই সেক্টরকে গতিশীল করতে হলে প্রথমেই বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমিকে (বিআইএ) একটিভ করতে হবে। তার কারণ বীমা একাডেমি এখন মৃত। এটাকে জীবন দান করতে হবে।

তিনি বলেন, এছাড়া কোম্পানিগুলো যেন ইনোভেশনের মাধ্যমে নতুন পণ্য আনতে পারে সে সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। সেক্টরের উন্নতির জন্য প্রণোদনা দেয়া যায় কিনা সেটাও ভাবা হবে।

বীমা কোম্পানিগুলোর সংগঠন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, বীমা কোম্পানির নবায়ন ফি সহনীয় করা হবে সরকারের নীতি নির্ধারণে অনেক খাতই ই-গভর্ন্যান্স এ অনেক উন্নতি করেছ। কিন্তু বীমা সেক্টর এখানে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। এখানে কাজ করতে হবে।

সময় মতো বীমার টাকা পাওয়া যায় না এ অভিযোগটা অনেক পুরোনো। এটি পুরো সত্য নয়। কারণ বিআইএ জানিয়েছে যে, গত বছর তারা ছয় হাজার কোটি টাকার বীমা দাবি পরিশোধ করেছে।

বিআইএ প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেনের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন আইডিআরএ’র চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারী, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব ইউনুসুর রহমান প্রমুখ।

Be Sociable, Share!
বিভাগ: অর্থনীতি

এখনো কোন মন্তব্য করা হয়নি.

মন্তব্য করুন

*