শিরোনাম

সাভার ও ফতুল্লায় দুই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ?

dorson-20170907093830নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার সাভারে গত বুধবার প্রথম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দীন ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই দিন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সাভার মডেল থানার পুলিশ ও মেয়েটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মেয়েটি স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবা পেশায় রিকশাচালক। বাবার সঙ্গে পূর্বপরিচয়ের সুবাদে দীন ইসলাম প্রায়ই তাদের বাসায় যাতায়াত করতেন। বুধবার সকালে দীন ইসলাম মেয়েটিকে ফুসলিয়ে তাঁর বাসায় নিয়ে একটি কক্ষে আটকে রেখে ধর্ষণ করেন। মেয়েটির বাবা বলেন, বুধবার সকালে তিনি কাজের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়। তাঁর স্ত্রীও বাসায় ছিলেন না। এই সুযোগে দীন ইসলাম তাঁদের বাসায় গিয়ে মেয়েকে নানা প্রলোভন দিয়ে তাঁর বাসায় নিয়ে যান। তাঁর স্ত্রী বাসায় ফিরে মেয়েকে না পেয়ে আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেন। সন্ধ্যার দিকে দীন ইসলামের বাসায় গিয়ে তাঁর মেয়েকে পাওয়া যায়। এ সময় তার (মেয়ে) মুখে ঘটনার বর্ণনা শুনে প্রতিবেশীদের সহায়তায় তিনি দীন ইসলামকে আটক করে সাভার থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী দীন ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ ফরিদ আহমেদ বলেন, দীন ইসলামকে গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে পাঠানো হয়। শুনানি শেষে আদালত তাঁকে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেন। তিনি বলেন, গতকাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে শিশুটিকে আদালতের মাধ্যমে মায়ের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বড় ভাই বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় বুধবার রাতে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। ধর্ষণে সহযোগিতা করার অভিযোগে সাইফুল ইসলাম ওরফে রাসেল (২৫) নামের এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বাদীর ছোট বোন স্থানীয় একটি স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। বুধবার বিকেলে তাঁদের বাসায় বেড়াতে আসেন তাঁর খালাতো ভাই। ফেরার সময় ছোট বোন খালাতো ভাইকে একটু এগিয়ে দিয়ে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় মকবুল, তাঁর সহযোগী সাইফুল, গাফ্ফার, মুন্না, আসিফসহ অজ্ঞাতনামা আরও দু-তিনজন মেয়েটিকে রাস্তা থেকে তুলে একটি ঘরে নিয়ে যান। এরপর মকবুলের সহযোগীরা বাইরে পাহারা দেন। এ সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে কয়েকবার মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন মকবুল। এরপর অসুস্থ অবস্থায় মেয়েটিকে ঘরে রেখে মকবুল ও তাঁর সহযোগীরা পালিয়ে যান। পরে মেয়েটির চিৎকার শুনে বাড়ির এক ভাড়াটে তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যান এবং তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেন।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল উদ্দিন বলেন, সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মকবুলসহ অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

Be Sociable, Share!
বিভাগ: অপরাধ (ক্রাইম), জাতীয় খবর

এখনো কোন মন্তব্য করা হয়নি.

মন্তব্য করুন

*